বিশ্বকাপ ঘিরে বাড়ছে অফলাইন বাজি, শব্দদূষণ ও পতাকা ব্যবহারে অনিয়ম
বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা মাঠের গণ্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত। তবে উৎসবমুখর এই আবহের পাশাপাশি মাথাচাড়া দিচ্ছে নানা অনিয়মের অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, খেলা ঘিরে অফলাইনে বাজি, সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, বিদেশি দেশের পতাকা টানানোর প্রতিযোগিতা এবং বিকট শব্দে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও বাঁশি বাজানোর কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে।ফুটবল কিংবা ক্রিকেট বিশ্বকাপ এলেই ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ। শহর থেকে গ্রাম-সবখানেই দেখা যায় প্রিয় দলের সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। কিন্তু এই উন্মাদনার মধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় বেড়ে যায় অফলাইন বাজি বা জুয়ার প্রবণতা। চায়ের দোকান, বাজার ও আড্ডাকেন্দ্রে কে জিতবে, কে হারবে-তা নিয়ে বসছে বড় অঙ্কের বাজি। এতে অনেকেই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।আরেক স্থানীয় ব্যক্তি মো. মঞ্জু হোসেন বলেন, বিশ্বকাপের সময় বাইকের শব্দদূষণ, মিছিল, বাঁশি বাজানোসহ নানা ধরনের উচ্চ শব্দে পরিবেশ অস্থির হয়ে ওঠে। এতে নামাজের সময় এবং স্কুলের সময় বড় ধরনের সমস্যা হয় বলে তিনি জানান। তাঁর ভাষ্য, এ বিশ্বকাপ আসলেই বাইকের শব্দদূষণ, মিছিল বা বিভিন্ন ধরনের বাঁশি বাজনা বাজায়, এতে করে নামাজের সময় বা স্কুলের সময় অনেক সমস্যা ফেস করেন।স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, খেলাধুলার আনন্দ যেন সামাজিক বিশৃঙ্খলা, শব্দদূষণ বা আইন লঙ্ঘনের কারণ না হয়, সে জন্য প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। তারা মনে করেন, বিশ্বকাপের উচ্ছ্বাস হোক আনন্দের, কিন্তু তা যেন অন্যের ভোগান্তির কারণ না হয়।কেএম