বিশেষ প্রতিবেদন

সোমবার, ১৩ জুন, ২০১৬ (১৪:০৮)

ঢাকাকে সাজাতে দীর্ঘ বছর পর সংশোধন হচ্ছে ড্যাপ

বাস্তবায়ন হচ্ছে ড্যাপ

দীর্ঘ বছর পর কুড়ি বছরের পরিকল্পনা নিয়ে সংশোধন হচ্ছে রাজধানীর জন্য বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা-ড্যাপ। মেয়াদোত্তীর্ণ ড্যাপে রাজধানীর সঙ্গে এবার যুক্ত হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ, সাভার, গাজীপুর, কেরাণীগঞ্জ।

আলাদা থাকবে আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং শিল্পাঞ্চল—সরকার বলছে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে রাজধানী হবে পরিকল্পিত, বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরী।

আর পরিবেশবাদী ও নগরপরিকল্পনাবিদদের মতে, যাদের কারণে আগের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়নি সেই ব্যক্তিদেরই স্বার্থ রক্ষা করতেই সংশোধিত হচ্ছে ড্যাপ।

তারা বলেন, ড্যাপ সংশোধন হতে পারে তবে তা জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে সরকারের নতুন পরিকল্পনা সে উদ্দেশ্য সফল হবে না বলে মনে করছেন তারা।

বেলার নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, সংশোধিত ড্যাপও ভূমিদস্যুদের স্বার্থ রক্ষারই নতুন রূপ।

তবে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ঢাকা হবে আধুনিক ও বাসযোগ্য পরিকল্পিত একটি নগরী যা জনগনের স্বার্থ রক্ষা করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিগত ১৯৯৭ সালে রাজধানীকে বাঁচাতে তৈরি করা হয় "ঢাকা মহানগর উন্নয়ন পরিকল্পনা-‘ডিএমডিপি’। যার কাজ শুরু হতে সময় লেগে যায় সাত বছর।

গত ২০০৪ সালে বাস্তবায়নের কাজ শুরু হলেও ভূমি দস্যুদের দৌরাত্ম আর নীতি-নির্ধারকদের ফাইল চালা-চালিতেই কেটে যায় ২০ বছর। যার মেয়াদ শেষ ২০১৫ সালে। দৃশ্যমান বাস্তবে রূপ পায়নি ওই পরিকল্পনা।

কিন্তু এ বাস্তবতার মধ্যেই ঢাকাকে পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ২০১৬ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত আবার কুড়ি বছর মেয়াদী মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকার ভিতর ও এর আশে-পাশে আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং শিল্প এলাকা এ তিনটি বিষয়কে মাথায় রেখে ৬টি জোনে ভাগ হর হয়েছে।

আবাসিক, অনাবাসিক সকল ভবন হবে ভূমিকম্প সহনীয়, রাজধানীতে নতুন করে কোনো শিল্প কারখানা অনুমোদন দেয়া হবে না। তেজগাঁও ও উত্তরাকে শিল্পঘন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আর মতিঝিল, পল্টন ও আশপাশ বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, মহাখালী, গুলশানের কিছু অংশ বাণিজ্যিক এরিয়া। আর অন্যান্য আবাসিক হিসেবে ধরা হয়েছে।

পরিকল্পনায় রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নারায়নগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার এবং গাজীপুর। চারপাশের নদ-নদী উদ্ধারের পাশাপাশি অধিক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে জলাশয় রক্ষা আর পরিবেশ রক্ষা।

মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে:

১ রাজধানীতে আবাসিক, বাণিজ্যিক এবং শিল্প এলাকা নিয়ে ৬টি জোন করা হবে।

২.আবাসিক, অনাবাসিক সকল ভবন হবে ভূমিকম্প সহনীয়।

৩. তেজগাঁও ও উত্তরাকে শিল্পঘন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

৪. মতিঝিল, পল্টন, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, মহাখালী, গুলশানের কিছু অংশ হবে বাণিজ্যিক এলাকা। আর অন্যান্য আবাসিক।

৫. রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার এবং গাজীপুর।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

শ্রীলংকায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট

অগ্নি-ঝুঁকি: রাজধানী ঘিরে যে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরামর্শ

নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় পরিবহন মালিক-চালকদের দায়বদ্ধের তাগিদ

অপরিকল্পিত নগরায়ন, আইন না মানার প্রবণতা সব মিলিয়েই ঝুঁকিতে রাজধানীবাসী

পাট থেকে তৈরি হচ্ছে লেমিনেটেড ব্যাগ-স্লাইবার ক্যানশিট

পাইলটকে ফিরে দেয়া মানেই ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার শেষ নয়

সৌদির সঙ্গে সামরিক সমঝোতা স্মারক চুক্তি পররাষ্ট্রনীতির পরিপন্থি

শেখ হাসিনা বিকল্পহীন, বললেন বিশ্লেষকরা

সর্বশেষ খবর

খালেদার মুক্তির দাবিতে আজ বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি

এসএ গেমসে পদক জয়ীদের গণভবনে আমন্ত্রণ

আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত

তুমুল বিতর্কের মধ্যেই ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস