বিশেষ প্রতিবেদন

বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৬ (১৭:৫৯)

ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় অপ্রতুল ফায়ার সার্ভিস সক্ষমতা

ফায়ার সার্ভিস

দেশে বড় ধরনের ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সক্ষমতা আগের তুলনায় বাড়লেও তা প্রয়োজনের তুলনায় এখনো অপ্রতুল।

সেইসঙ্গে বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কোনো সমন্বিত পরিকল্পনাও নেই। ভূমিকম্পের পরে সংস্থাগুলোর নিজেদের মধ্যেই কিভাবে যোগাযোগ হবে সেই ব্যবস্থাটিও এখন পর্যন্ত গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি।

তবে এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নেয়ার কথা জানান ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহাম্মেদ খান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রিয়াজ আহমেদ।

তবে জীবনের ঝুঁকি কমাতে সচেতনতা এবং আইনের কঠোর প্রয়োগই বেশি জরুরি বলে মত দেন তারা।

জাতিসংঘ প্রণীত ভূমিকম্প পরবর্তী ডিজাস্টার ইনডেক্স অনুযায়ী ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পেই ঢাকার ৭২ হাজার ভবন ধ্বসে যেতে পারে। সেইসঙ্গে জালের মত বিছিয়ে থাকা গ্যাস, পানি আর বিদ্যুতের লাইন পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তুলতে পারে। ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে সিলেট, ময়মনসিংহ, ফেনী কুমিলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার এলাকাও।

ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সকে। বর্তমানে সারাদেশে এ বাহিনীর মোট জনবল রয়েছে ৮ হাজার জন। অগ্নি নির্বাপণে পানি, কেমিক্যাল ও ফোমবাহী গাড়ি রয়েছে মোট ৪৬০টি, পাম্প ৮৫৪টি, উদ্ধার যন্ত্রপাতি সম্বলিত গাড়ি-১১টি, বিভিন্ন ধরনের ল্যাডার ১০টি, অ্যাম্বুলেন্স ১২১টি এবং লাইট ইউনিট রয়েছে ১৩টি।

প্রশ্ন উঠেছে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বিবেচনায় ফায়ার সার্ভিসের এ সক্ষমতা কি পর্যাপ্ত?

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহাম্মেদ খান জানান, বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে—হাতে নেয়া হয়েছে বেশ কিছু উদ্যোগ।

ভূমিকম্প হলে-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করতে হবে ফায়ার সার্ভিস, সিটি করপোরেশন, তিতাস, ওয়াসা, বিদ্যুৎ বিতরণের বিভিন্ন সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক সংগঠনকে। কিন্তু এসব সংস্থাগুলো ভূমিকম্প পরবর্তী সময়ে নিজেদের মধ্যে কিভাবে যোগযোগ করবে এবং তাদের উদ্ধার কৌশল কি হবে তার সমন্বিত পরিকল্পনা এখনো গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি।

আর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গতি আনতে এবং ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও।

তবে অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে বর্তমানে রাজধানীর যে হযবরল অবস্থা তা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় কোনো ব্যবস্থাই কার্যকর হবে না বলেই মত তাদের।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

শ্রীলংকায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট

অগ্নি-ঝুঁকি: রাজধানী ঘিরে যে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরামর্শ

নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় পরিবহন মালিক-চালকদের দায়বদ্ধের তাগিদ

অপরিকল্পিত নগরায়ন, আইন না মানার প্রবণতা সব মিলিয়েই ঝুঁকিতে রাজধানীবাসী

পাট থেকে তৈরি হচ্ছে লেমিনেটেড ব্যাগ-স্লাইবার ক্যানশিট

পাইলটকে ফিরে দেয়া মানেই ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার শেষ নয়

সৌদির সঙ্গে সামরিক সমঝোতা স্মারক চুক্তি পররাষ্ট্রনীতির পরিপন্থি

শেখ হাসিনা বিকল্পহীন, বললেন বিশ্লেষকরা

সর্বশেষ খবর

খালেদার মুক্তির দাবিতে আজ বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি

এসএ গেমসে পদক জয়ীদের গণভবনে আমন্ত্রণ

আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত

তুমুল বিতর্কের মধ্যেই ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস