বিশেষ প্রতিবেদন

রবিবার, ০৬ এপ্রিল, ২০১৪ (১২:৩৯)

এডিপি প্রাক্কলন নিয়ে আশঙ্কা অর্থনীতিবীদদের

অর্থনীতিবীদ

সদ্য অনুমোদিত চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) প্রাক্কলন বাকি ৩ মাসে সমাপ্ত করা নিয়ে সংশয়ে আছেন অর্থনৈতিক গবেষকরা। তবে তা মানতে নারাজ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পরিকল্পনা কমিশন দাবি করছে, আগামী বাজেটের আগেই চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ব্যয় প্রায় শতভাগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এ পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনৈতিক গবেষকদের পরামর্শ, নতুন প্রকল্পের চাইতে চলমান প্রকল্প সম্পন্নের।

তবে বাজেটে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য যে ৬৫ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল যার মধ্যে প্রথম ৮ মাসে বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৩৮%। উন্নয়ন কর্মসূচিতে অর্থব্যয়ের এ নাজুক পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে, এডিপির আকার ছোট করে ৫৪ হাজার কোটি টাকা করতে বলা হয়।

পরে এক হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন প্কর্মসূচির ৫৫ হাজার কোটি টাকা করার কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

তবে পরিকল্পনা মন্ত্রী আহম মোস্তফা কামালের অনড় অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার ৬০ হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন করে একনেক। বৈঠক শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে প্রকল্প খাত ও এ সবের ব্যয় নির্দিষ্ট করে কিছু না বললেনি।

তিনি বলেন, বাকী সময়ের মধ্যেই গুণগত মান বজায় রেখে এ অর্থ ব্যয় সম্ভব। পদ্মা সেতু প্রকল্পে ২১০০ কোটি টাকার বরাদ্দ অপরিবর্তিত থাকছে।

৮ মাসেই যেখানে শুধুমাত্র ৩৮% প্রকল্প বাস্তবায়ন, সেখানে এতো কম সময়ে অর্থের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খোদ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, শতভাগ না হলেও কমপক্ষে ৯২% প্রকল্প বাস্তবায়ন অনায়াসেই সম্ভব।

আর এতো কম সময়ে বাস্তবায়নটাই সরকারের কাছে বিরাট চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক গবেষক ড. জায়েদ বখত।

তিনি বলেন, ‘এটা অবশ্য আমাদের একটি সংস্কৃতি হয়ে গেছে যে প্রতি বছরই আমরা যে বিরাট টার্গেট নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ৬ মাসের মাথায় কাঠছাঁট করা। তারপরও দেখা যাবে ১০ মাসের মাথায় আমরা ৪০% বাস্তবায়ন করতে পারিনি। তারপর শেষের ২ মাসের তারাহুরো করে খরচ ৯২% থেকে ৯৪% খরচ হয়ে যায়। এই যে খরচ হয়ে যায় এটা ২টি বড় সমস্যা থাকে একটি হচ্ছে যে প্রকল্পের গুণগত মান থাকে না এবং প্রচুর অপচয় হয়।’

নতুন প্রকল্প হাতে নেয়ার চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ চলমান প্রকল্পগুলো সম্পন্ন করা বলে মনে করেন জায়েদ বখত।
উন্নয়ন প্রকল্প খাত ও ব্যয় সম্পর্কে পরিকল্পনা মন্ত্রী স্পষ্ট করে কিছু না বললেও কমিশন সদস্য ড. শামসুল আলম অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘৯২ থেকে ৯৫ পর্যন্ত যেতে পারে যদি সঠিক বাস্তবায়ন করা যায় এবং আবহওয়া ভালো থাকে।’

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

শ্রীলংকায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট

অগ্নি-ঝুঁকি: রাজধানী ঘিরে যে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরামর্শ

নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় পরিবহন মালিক-চালকদের দায়বদ্ধের তাগিদ

অপরিকল্পিত নগরায়ন, আইন না মানার প্রবণতা সব মিলিয়েই ঝুঁকিতে রাজধানীবাসী

পাট থেকে তৈরি হচ্ছে লেমিনেটেড ব্যাগ-স্লাইবার ক্যানশিট

পাইলটকে ফিরে দেয়া মানেই ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার শেষ নয়

সৌদির সঙ্গে সামরিক সমঝোতা স্মারক চুক্তি পররাষ্ট্রনীতির পরিপন্থি

শেখ হাসিনা বিকল্পহীন, বললেন বিশ্লেষকরা

সর্বশেষ খবর

খালেদার মুক্তির দাবিতে আজ বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি

এসএ গেমসে পদক জয়ীদের গণভবনে আমন্ত্রণ

আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত

তুমুল বিতর্কের মধ্যেই ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস