রাজনীতি

শনিবার, ০৩ নভেম্বর, ২০১৮ (১৫:৩৬)

যুক্তফ্রন্টের কয়েকটি দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ আ’লীগের

যুক্তফ্রন্টের কয়েকটি দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ আ’লীগের

সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের সঙ্গে সংলাপ করেছেন ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট।

সংসদ নিষ্ক্রিয় রাখা, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় রাখা, ইভিএম ব্যবহার না করাসহ ৭ দফা দাবি তুলে ধরা হয় ফ্রন্টের পক্ষ থেকে।

আর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করা হয়।

শুক্রবার রাতে সংলাপ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদ্যমান সাংবিধানিক ব্যবস্থাতেই যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে আসার ব্যাপারে আশাবাদী তারা।

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর ধারাবাহিক সংলাপের দ্বিতীয় দফায় শুক্রবার রাতে গণভবনে আলোচনায় বসে ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টের ২১ জন সদস্য। প্রায় তিন ঘণ্টার এ সংলাপে ১৪ দলীয় জোটের ২০ সদস্যের নেতৃত্ব দেন জোটনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আলোচনায় ৭ দফা দাবি তুলে ধরা হয় যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে। সংলাপ শেষে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, এ দাবিগুলোর কয়েকটি দফার সঙ্গে তারা একমত।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় রাখতে তফসিল ঘোষণার পর নিজ নির্বাচনী এলাকায় কোনো মন্ত্রী, সংসদ সদস্য প্রটোকল পাবেন না।

তিনি জানান, রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির ব্যাপারে যুক্তফ্রন্টের কাছে তালিকা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে আসার ব্যাপারে আশাবাদী ওবায়দুল কাদের।

যুক্তফ্রন্টের সাত দফা:

১. নির্বাচনে প্রার্থীদের জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা। সংসদ ভেঙে দেয়া, সম্ভব না হলে নিষ্ক্রিয় রাখা।

২. নির্বাচনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কর্মচারীদের নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন্যস্ত করা। নির্বাচন কমিশনকে শতভাগ রাষ্ট্রপতির অধীনে রাখা। তফসিল ঘোষণার পর এমপিরা যাতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কোনো প্রকল্প উদ্বোধন বা প্রতিশ্রুতি দিতে না পারেন সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া। প্রয়োজনে আইন করে মন্ত্রী ও এমপিদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাহার করা। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের বিল বোর্ড, ব্যানার, পোস্টার অপসারণ করা।

৩. নির্বাচন হতে হবে নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে। প্রয়োজনে একদিনের জন্য সংসদ ডেকে জাতীয় সরকার গঠন করা যেতে পারে। অথবা মন্ত্রিপরিষদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বা জোট থেকে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে একটি সন্তোষজনক নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা যেতে পারে। নির্বাচনে সকল প্রকার নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার অথবা বর্তমান সরকারের নির্বাচন বিষয়ে ক্ষমতা সীমিত করতে হবে।

৪. নির্বাচনের আগে ও পরে যাতে শান্তি-শৃঙ্খলার বিঘ্ন না ঘটে-সেজন্য সেনাবাহিনীকে নির্বাচনের দুই সপ্তাহ আগে এবং নির্বাচনের দুই সপ্তাহ পর পর্যন্ত মোতায়েন করতে হবে। ভোটের দিন সেনাবাহিনীকে সীমিত ক্ষমতা দিতে হবে যেমন, আটক রাখার ক্ষমতা ও ভোট কেন্দ্রে থাকা।

৫. নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করা।

৬.নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক কারণে আটক বন্দিদের মুক্তি দিতে হবে।

৭.নির্বাচন সম্পর্কিত মামলা নির্বাচনের পর এক মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা। সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন অতি প্রণয়ন করা।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

আজ এরশাদের চেহলাম, রংপুরে খাওয়ানো হবে ৩০ হাজার মানুষকে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক সোমবার

বন্যার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না সরকার: ফখরুল

সরকার বেশিদিন ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে না : ফখরুল

খালেদার অসুস্থতা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে: রিজভী

শপথ না নেয়া একটি রাজনৈতিক কৌশল: ফখরুল

অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযানে নামছে আ’লীগ

দেশের চলমান সংকট আ’লীগেরই সৃষ্ট: ফখরুল

সর্বশেষ খবর

রাজবাড়ীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৮ মামলার আসামি নিহত

শোভন-রাব্বানীর বহিষ্কার প্রমাণ করে দুর্নীতি কি ভয়াবহ আকারে চলছে: ফখরুল

বাড়ির ওপর প্লেন বিধ্বস্ত; কলম্বিয়ায় ৭ জনের প্রাণহানি

পাঁচ ক্যামেরায় চমক লাগানো Huawei Nova 5T