জাতীয়

বুধবার, ০৫ আগস্ট, ২০২০ (১৪:২০)

কামাল বেঁচে থাকলে সমাজকে অনেক কিছু দিতে পারত : প্রধানমন্ত্রী

কামাল বেঁচে থাকলে সমাজকে অনেক কিছু দিতে পারত : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শেখ কামাল যদি বেঁচে থাকতো তাহলে সমাজকে অনেক কিছু দিতে পারত। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিল শেখ কামাল। খেলাধুলা, সাংস্কৃতি চর্চা, রাজনীতি সব প্রতিভাই ছিল তার মধ্যে।

তিনি বলেন, যারা সেদিন কামালসহ পরিবারের সব সদস্যকে হত্যা করেছে তাদের মধ্যে এমন কেউ ছিল না যারা আমাদের বাড়িতে ভাত-নাস্তা খায়নি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ক্রীড়া সংগঠক, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় আয়োজিত দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভায় গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। পুরোটা বক্তব্যজুড়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অতীতের স্মৃতি মনে করে আবেগ-আপ্লুত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আর কামাল ছোটবেলায় যখন একসঙ্গে খেলাধুলা করতাম তখন আমাদের মধ্যে অনেক ঝগড়াঝাটি মারামারি হতো। তাৎক্ষণিক আবার আমরা ভাই-বোন মিশে যেতাম।

তিনি বলেন, কামাল ছোট ছিল সে বাবাকে অনেক সময় কাছে পেত না। তখন তো বাবা সব সময় জেল থাকতো। তাই অনেক সময় যখন আমরা খেলাধুলা করতাম এর ফাঁকে আমি যখন আব্বাকে আব্বা বলে ডাকতাম তখন কামাল আমাকে বলতো হাসু আপা ও আপা আমি তোমার আব্বাকে একটু আব্বা বলে ডাকি।

শেখ হাসিনা বলেন, মাকে প্রচণ্ডভাবে সহযোগিতা করতো কামাল। ছোটবেলা থেকেই সে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ছিল। প্রত্যেকটা কাজে দায়িত্বের সঙ্গে পালন করতো। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আমার বাবা যে সেনাবাহিনী গড়ে তুলেছিলেন সেই সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য আমাদের পুরো পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে। জানি না কী অপরাধ ছিল? বাবার তৈরি সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাতেই তার মৃত্যু হলো। একই সঙ্গে শেখ কামাল শেখ জামাল তারাও সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন তাদেরকেও গুলি করে হত্যা করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তিনি দেশকে যেভাবে গড়ে তুলছিলেন, বেঁচে থাকলে দেশকে অনেক দূর নিয়ে যেতে পারতেন। সারাটা জীবন তিনি দেশের মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছেন। ত্যাগ স্বীকার করেছেন শেষ পর্যন্ত দেশের জন্য তিনি জীবন দিয়ে গেলেন। প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে আমার মা পাশে থেকে আব্বাকে সহযোগিতা করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী যারা কখনোই প্রমোশন পেত না। মেজর জিয়াকে বঙ্গবন্ধু প্রমোশন দিয়ে ছিলেন। ১৫ আগস্ট একইসঙ্গে তিনটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তারা শেখ মনি এবং আমাদের অন্যান্য স্বজনদের হত্যা করে।

তিনি বলেন, আল্লার কাছে লাখও শুকরিয়া আদায় করি দেশের জনগণ আমাকে ক্ষমতায় এনেছিলেন। আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিলেন যে কারণে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার পেয়েছিলাম। যারা এ দেশের রাষ্ট্রপতিসহ একটি পরিবারকে, পরিবারের সদস্যদের নিশংসভাবে হত্যা করেছে তাদের বিচার করার সুযোগ পেয়েছি। আল্লাহর কাছে এ জন্য শুকরিয়া আদায় করছি। না পারলে সারা জীবন জ্বলে পুড়ে মরতাম। / জাগো

এছাড়াও রয়েছে

মাওলানা আনাস মাদানীকে হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে অব্যাহতি

বিজিবি-বিএসএফের ডিজি পর্যায়ের সম্মেলন শুরু

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা এরদোয়ানের

৩ দিনে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১৯৮ টন ইলিশ রপ্তানি

করোনাভাইরাসে আরও ৩৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৯৩

মাছের অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে

দেশকে এগিয়ে নিতে নতুন প্রজন্মের জন্য প্রস্তুত রাখব: প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারের এসপি মাসুদকে রাজশাহীতে বদলি

আরও খবর

  • কুয়েতে এমপি পাপুলের বিচার শুরু

    কুয়েতে এমপি পাপুলের বিচার শুরু

  • পাঁচ বছর পর ইংল্যান্ডের মাঠে সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

    পাঁচ বছর পর ইংল্যান্ডের মাঠে সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

  • ঘূর্ণিঝড় স্যালির তাণ্ডব, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ৫ লাখের বেশি মানুষ

    ঘূর্ণিঝড় স্যালির তাণ্ডব, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ৫ লাখের বেশি মানুষ

  • মাওলানা আনাস মাদানীকে হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে অব্যাহতি

    মাওলানা আনাস মাদানীকে হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে অব্যাহতি

সর্বশেষ খবর

আবরারের বাবা অসুস্থ, পেছাল মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ

বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৩ কোটি ৬ লাখ, মৃত্যু ৯ লাখ ৫৫ হাজার

দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড শেষে আদালতে রবিউল

ইতালিয়ান ওপেন থেকে ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন নাদালের বিদায়