জাতীয়

মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ (১৪:২৭)
পিলখানা হত্যাকাণ্ড

ক্ষমতায় গেলে পুনঃবিচার করা হবে

ক্ষমতায় গেলে পুনঃবিচার করা হবে

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পিলখানা হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত করে পুনঃবিচারের উদ্যোগ নেবে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের একাদশবার্ষিকীতে মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বনানী সেনা কবরস্থানে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মৃতি সৌধে পুস্পমাল্য অর্পনের পর বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে যাদেরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে তারা বলেছে, এই বিচার সুষ্ঠ হয়নি। এই ঘটনার জন্য সেনাবাহিনী থেকে ওই সময়ে যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছিলো তার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি। আমরাও মনে করে, এই বিচার সুষ্ঠু হয়নি। আমরা ক্ষমতা যাওয়ার সুযোগ পেলে অবশ্যই এর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচারের উদ্যোগ নেবো।

সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর(বিডিআর) ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ষড়যন্ত্রমূলক অভিহিত করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনা বাহিনীর মনোবলকে ভেঙে দিতেই এই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে। আজকে আমাদের স্বাধীনতা বিপন্ন, গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্রের আপোষহীন নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে আটকিয়ে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বিএনপি মহাসচিবের নেতৃত্বে দলের নেতৃবৃন্দরা স্মৃতিসৌধে পুস্পমাল্য অর্পন করেন। তারা নিহত সেনা কর্মকর্তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন। এ সময়ে কল্যাণ পার্টির প্রধান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রুহুল আলম চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবর, অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল মো. শাহজাহান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর মিজানুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সারোয়ার হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর কোহিনুর হোসেন নূর, শামীমুর রহমান শামীমুর, শায়রুল কবির খান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিডিআরে বিদ্রোহ দেখা দেয়। সে বিদ্রোহে সে বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বাহিনী সদর দপ্তরে বিদ্রোহী জওয়ানদের হাতে মারা যান ৫৭ সেনা কর্মকর্তা। রক্তাক্ত সেই বিদ্রোহে বেসামরিক ব্যক্তিসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে জওয়ানদের বিদ্রোহ। রক্তাক্ত সেই বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর নাম বদলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি) হয়।

৫৭টি বিদ্রোহের মামলা বিচার হয় বাহিনীর নিজস্ব আদালতে। সেখানে ৬ হাজার জওয়ানের কারাদণ্ড হয়। বিদ্রোহের বিচারের পর পিলখানা হত্যাকাণ্ডে মামলার বিচার শুরু হয় সাধারণ আদালতে। ঢাকা জজ আদালত ২০১৩ সালে দেওয়া রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছিলো। এছাড়া ২৫৬ আসামীকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও অর্থদন্ড দেয়। ২০১৭ সালে দেওয়া রায়ে ১৩৯ আসামীকে মৃত্যুদন্ড বহাল রাখে হাইকোর্ট। ১৮৫ জনকে হাইকোর্ট যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়, তিন থেকে ১০ বছরের সাজা দেয় ২২৮ জনকে।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

বৃদ্ধদের কান ধরিয়ে ছবি তোলা সেই এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

২৭তম স্প্যানে পদ্মা সেতুর চার কিলোমিটারের বেশি দৃশ্যমান

অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া মারা গেছেন

টিভি মনিটরিং সিদ্ধান্ত বাতিল, হলো ‘সহায়তা সেল’

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা তদারকি করবেন পুত্রবধূ জোবায়দা

স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রীকে ইমরান খানের অভিনন্দন

২ চিকিৎসকসহ নতুুন আক্রান্ত আরও ৪ জন

হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন খালেদা

সর্বশেষ খবর

ভারতে লাফিয়ে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত ১৯

বৃদ্ধদের কান ধরিয়ে ছবি তোলা সেই এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

ট্রাকে চড়ে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ গেল ৫ জনের

প্রধানমন্ত্রীর পর এবার ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শরীরেও করোনা