জাতীয়

বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ (১০:৩০)

কঠোর নিরাপত্তায় তাজিয়া মিছিল, মানুষের ঢল

কঠোর নিরাপত্তায় তাজিয়া মিছিল, মানুষের ঢল

যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র আশুরা। কারবালার শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক ঘটনার দিনটি ধর্মীয়ভাবে বিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের প্রতীক হিসেবে এ দিনটি বিশেষ পবিত্র দিবস।

আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিল বের হয়েছে পুরান ঢাকার চানখাঁরপুল এলাকার হোসেনি দালান থেকে। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শিয়া সম্প্রদায় এই ঐতিহ্যবাহী মিছিলের আয়োজন করেছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ঘোড়া, কবুতর ও নিশানসহ বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে হোসেনি দালান প্রাঙ্গণ থেকে বের হয় তাজিয়া মিছিল। তাজিয়া মিছিল রাজধানীর জিগাতলা হয়ে ধানমন্ডি লেক এলাকায় শেষ হবে।

এর আগে তাজিয়া মিছিলে অংশ নিতে সকাল থেকেই হোসেনি দালান এলাকায় জড়ো হতে থাকেন ধর্মপ্রাণ শিয়া মুসলিমরা।

হোসনি দালান ইমামবাড়ার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মির্জা মোহাম্মদ নাকি আসলাম জানান, ৪০০ বছর ধরে পুরান ঢাকায় শোকের মাতম অর্থাৎ তাজিয়া মিছিল বের করা হয়। কারবালায় ইমাম হোসেনসহ তার পরিবারকে হত্যার মধ্যদিয়ে যে বিষাদময় ঘটনা ঘটেছে ইতিহাসে তার পুনরাবৃত্তি হবে না। মিছিলে বিভিন্ন ধর্ম ও গোষ্ঠীর মানুষ অংশ নিয়েছে।

তবে অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার কিছুটা ভিন্ন তাজিয়া মিছিল। এ বছর তাজিয়া মিছিলে ঢোল বাজিয়ে ছুরি, তলোয়ার ও লাঠিখেলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মিছিলে অংশ নেয়া মোসলেম হোসেন নামে একজন জানান, অন্যান্য বছর মিছিলে পাইকরা অংশ নিত। এতে শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হতো। দিনটির শোকার্ততা স্মরণ করে নিজেদের নিজেরাই আঘাত করে জর্জজরিত করত। কিন্তু এবার সেটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেই সঙ্গে এবার পাঞ্জাও করা যাবে না। যেটি মিছিলের একটা মূল উপাদান ছিল।

তবে এতে কিছুটা মণক্ষুন্ন হলেও মিছিল উপলক্ষে নেয়া পুলিশের নিরাপত্তার তিনি খুশি।

এদিকে তাজিয়া মিছিল উপলক্ষে ইমামবাড়া এবং আশেপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা সদা তৎপর রয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) কৃষ্ণ পদ রায় সাংবাদিকদের বলেন, তাজিয়া মিছিল উপলক্ষে নিরাপত্তার স্বার্থে মিছিলে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে তল্লাশি করে তবেই ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়। সে কারণে অনেকেরই ভেতরে ঢুকতে দেরি হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেইন (রা.) ও তার পরিবার এবং অনুসারীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন।

যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে সারা দুনিয়ার মুসলমানরা এ দিনটি পালন করে।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরছেন আজ

শনিবার সারা দেশে সমাবেশ করবে বিএনপি

১৬তম স্প্যান বসছে আজ, দৃশ্যমান হবে ২৪শ’ মিটার

বাংলাদেশীদের জন্য আমিরাতের শ্রমবাজার খুলে দেয়ার ইঙ্গিত

নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর শুরু হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

ভারতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর চুক্তি প্রকাশ করতে বিএনপির চিঠি

দুবাই পৌছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার বিএনপির সমাবেশ

সর্বশেষ খবর

শনিবার সারা দেশে সমাবেশ করবে বিএনপি

সিয়াচেনে তুষার ধস : চার ভারতীয় সেনাসহ নিহত ৬

দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হলেন তামিম

রোনালদোর নিরান্নবই গোলে ইউরোতে পর্তুগাল