জাতীয়

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯ (১০:৫৮)

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু আজ

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু আজ

দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি ও গণআন্দোলন গড়ে তোলার প্রস্তুতি হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার থেকে বিভাগীয় মহাসমাবেশ শুরু করছে বিএনপি।

বরিশাল ঈদগাহ মাঠে আজ বেলা ৩টায় মহাসমাবেশে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতারা বক্তব্য দেবেন। আগামী ২০ জুলাই শনিবার চট্টগ্রামে এবং ২৫ জুলাই খুলনায় মহাসমাবেশ হবে। এরপর রাজশাহীতে হবে সমাবেশ। সর্বশেষ ঢাকায় একটি মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু আজ

দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি ও গণআন্দোলন গড়ে তোলার প্রস্তুতি হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার থেকে বিভাগীয় মহাসমাবেশ শুরু করছে বিএনপি।

বরিশাল ঈদগাহ মাঠে আজ বেলা ৩টায় মহাসমাবেশে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতারা বক্তব্য দেবেন। আগামী ২০ জুলাই শনিবার চট্টগ্রামে এবং ২৫ জুলাই খুলনায় মহাসমাবেশ হবে। এরপর রাজশাহীতে হবে সমাবেশ। সর্বশেষ ঢাকায় একটি মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

দলের নেতারা জানিয়েছেন, আজ বরিশালে মহাসমাবেশের অনুমতি নিয়ে সংশয়ে ছিলেন তারা। তবে শেষ মুহূর্তে পুলিশ অনুমতি দিয়েছে।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, দলের পক্ষ থেকে বরিশালের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সমাবেশের স্থান বেলস পার্কে অনুমতি চাইলেও তা দেয়া হয়নি। টালবাহানা করা হয়েছে। নগরীর কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ মাঠের আঁটোসাঁটো জায়গায় সমাবেশ করতে বলেছে পুলিশ। একটি মহাসমাবেশের জন্য এই স্থান পর্যাপ্ত নয়।

এদিকে বরিশালে অনুমতি লাভের কারণে চট্টগ্রাম ও খুলনায় অনুমতি পাবেন বলে সেখানকার নেতারা আশা করছেন। এক সপ্তাহ আগে অনুমতি চেয়ে আবেদন করলেও কোনো সাড়া দিচ্ছে না প্রশাসন।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য জানান, তিন বিভাগে মহাসমাবেশের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ার পর স্থানীয় বিএনপির দায়িত্বশীল প্রতিনিধি দল বিভাগীয় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। তবে সবখানেই কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। টালবাহানা করা হচ্ছে। ফলে পোস্টার-লিফলেট-ব্যানার-মাইকিংসহ প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছি আমরা।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মাহবুবে রহমান শামীম বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দলের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে একটি সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছি। ইতিমধ্যে দল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে সমাবেশ সফল করতে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রস্তুতি সভাও করছি। আগামী ২০ জুলাই এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন নির্ধারিত রয়েছে। আমাদের অনুমতি দেওয়া নিয়ে এখনো কালক্ষেপণ করছে প্রশাসন।

খুলনা বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি। শহিদ হাদিস পার্কে মহাসমাবেশ করতে অনুমতি চেয়েছি পুলিশের কাছে। কিন্তু এখনো অনুমতি দেয়নি। ফলে আমরা ব্যানার-পোস্টার করতে পারছি না।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, রংপুরে সমাবেশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ না হলেও প্রস্তুতি চলছে। আশা করছি চলতি জুলাই মাসের শেষ দিকে সমাবেশ করতে পারব।

দলের নেতারা জানিয়েছেন, আজ বরিশালে মহাসমাবেশের অনুমতি নিয়ে সংশয়ে ছিলেন তারা। তবে শেষ মুহূর্তে পুলিশ অনুমতি দিয়েছে।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, দলের পক্ষ থেকে বরিশালের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সমাবেশের স্থান বেলস পার্কে অনুমতি চাইলেও তা দেয়া হয়নি। টালবাহানা করা হয়েছে। নগরীর কেন্দ্রীয় হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ মাঠের আঁটোসাঁটো জায়গায় সমাবেশ করতে বলেছে পুলিশ। একটি মহাসমাবেশের জন্য এই স্থান পর্যাপ্ত নয়।

এদিকে বরিশালে অনুমতি লাভের কারণে চট্টগ্রাম ও খুলনায় অনুমতি পাবেন বলে সেখানকার নেতারা আশা করছেন। এক সপ্তাহ আগে অনুমতি চেয়ে আবেদন করলেও কোনো সাড়া দিচ্ছে না প্রশাসন।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য জানান, তিন বিভাগে মহাসমাবেশের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ার পর স্থানীয় বিএনপির দায়িত্বশীল প্রতিনিধি দল বিভাগীয় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। তবে সবখানেই কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। টালবাহানা করা হচ্ছে। ফলে পোস্টার-লিফলেট-ব্যানার-মাইকিংসহ প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছি আমরা।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মাহবুবে রহমান শামীম বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দলের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করতে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে একটি সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছি। ইতিমধ্যে দল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে সমাবেশ সফল করতে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রস্তুতি সভাও করছি। আগামী ২০ জুলাই এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন নির্ধারিত রয়েছে। আমাদের অনুমতি দেওয়া নিয়ে এখনো কালক্ষেপণ করছে প্রশাসন।

খুলনা বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি। শহিদ হাদিস পার্কে মহাসমাবেশ করতে অনুমতি চেয়েছি পুলিশের কাছে। কিন্তু এখনো অনুমতি দেয়নি। ফলে আমরা ব্যানার-পোস্টার করতে পারছি না।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, রংপুরে সমাবেশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ না হলেও প্রস্তুতি চলছে। আশা করছি চলতি জুলাই মাসের শেষ দিকে সমাবেশ করতে পারব।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

পদ্মা সেতুর ২৫তম স্প্যান বসেছে

বিকেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক

ইংরেজি উচ্চারণে যারা বাংলা বলে তাদের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী

বোন-কন্যাকে নিয়ে শেখ হাসিনার সেলফি

বিএনপির মিছিলে পুলিশের লাঠিপেটা, রিজভীসহ আহত ৭

ভাষার দিনে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার শপথ বিএনপির

শোক ও গৌরবের অমর একুশে আজ

সব ভালোবাসা মিশেছে শহীদ মিনারে

সর্বশেষ খবর

খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি

বিটিআরসিকে ১০০০ কোটি টাকা দিল গ্রামীণফোন

কিউইদের লিড, শেষটায় স্বস্তি ভারতের

মুজিববর্ষ: আসছে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, সঙ্গে ২০০ টাকার নোট