জেলার খবর

তীব্র যানজটের কবলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

তীব্র যানজট
তীব্র যানজট

কয়েকদিনের টানা বর্ষণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৬০ কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভিন্ন গন্তব্যের মানুষ।

শুক্রবার সকালে যানজটের ভয়াবহতা আরো তীব্র আকার ধারন করেছে। যানজটের ১০ মিনিটের রাস্তা পাড়ি দিতে সময় লাগছে ৮-১০ ঘণ্টা।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেন প্রকল্পের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাসুদ করিম বলেন, মহাসড়কের যেসব স্থানে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে ওইসব স্থানে জরুরি ভিত্তিতে কাজ করার জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার চীনা হাইড্রোকে বলা হয়েছে।

তারা কাজ করছে না— এ কথা উল্লেখ তিনি বলেন, এ অবস্থায় সড়ক ও জনপদ বিভাগের পক্ষ থেকে গর্তগুলো ইট-বালু দিয়ে ভরাট করে সংস্কার করা হচ্ছে।

বর্ষা মৌসুম শুরুর পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। প্রতিদিনই মহাসড়কে ৮ থেক ১০ ঘণ্টা যানজট লেগেই থাকছে। অনেক সময় তা বেড়ে ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে আমাদের সংবাদতাদা জানিয়েছেন, মহাসড়কের সীতাকুণ্ডের ৫২ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে ২০ কিলোমিটার রাস্তা বর্ষণে বড় বড় গর্তের সৃষ্ট হয়েছে। এসব গর্তে পড়ে গাড়ির যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে বিকল হয়ে পড়ছে। কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় লাগছে নষ্ট গাড়ি সরিয়ে নিতে। আর এ সময়টাতে বন্ধ থাকছে যান চলাচল। ফলে যানজট তীব্র আকার ধারন করেছে।

এছাড়া মহাসড়কে গর্তের কারণে যান চলাচলের গতি কমে যাওয়ায়ও যানজটের অন্যতম কারণ বলে জানা গেছে।

গত একসপ্তাহে ৩০০ অধিক গাড়ি এ মহাসড়কে বিকল হয়েছে বা উল্টে গেছে বলেও জানা যায়।

মহাসড়কের সীতাকুণ্ডের যেসব স্থানে বেশি গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। ওই স্থানগুলো হচ্ছে: ভাটিয়ারী, মাদামবিবিরহাট, শীতলপুর, কালুশাহ মাজার এলাকা, বাংলাবাজার, ফৌজদারহাট, জলিল গেইট, বানুর বাজার, বিএমএ গেইট, কদম রসুল, সালেহ কার্পেট গেইট, বারআউলিয়া, কুমিরা, বড়দারোগারহাট, সীতাকুণ্ড উত্তর ও দক্ষিণ বাইপাস।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হাসান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মহাসড়কে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলে ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রীরা।

মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে চট্টগ্রামের সিটি গেইট থেকে বারৈয়ারঢালা পর্যন্ত ৩০টি স্পটে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ কবির বলেন, বর্ষণে সৃষ্ট গর্ত ও খানা-খন্দকের কারণে যানজট লেগেই থাকছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে শুরু হওয়া যানজট শুক্রবার সকালে ৬০ কিলোমিটারের অধিক রাস্তা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

জরুরি ভিত্তিতে জলিল গেইট, কদম রসুল, মাদামবিবিহাট, বারআউলিয়া ও শীতলপুর এলাকায় গর্ত ভরাট না করলে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে না বলেও জানান তিনি।

দেশটিভি/এমএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অপার জীবনানন্দ’

শৌচাগারের দরজায় বঙ্গবন্ধুর ছবি পোস্ট, কারাগারে তরুণ

৮ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যায় চারজনের ফাঁসি

তেঘরিয়া কবরস্থানে সমাহিত হলেন শিক্ষাবিদ আব্দুল আলী

উখিয়া শরণার্থী শিবিরে দুই রোহিঙ্গা নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে মেয়রসহ গুলিবিদ্ধ তিন

সর্বশেষ খবর

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত