আন্তর্জাতিক

বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০১৪ (১৮:৪৭)

গাজায় আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুদ্ধবিরতি নয়: হামাস

গাজা

আগ্রাসন বন্ধ না হলে কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি তার যোদ্ধারা মেনে নেবে না বলেও জানান গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণে থাকা ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের এক কমান্ডার।

বুধবার সকালে বিবিসি জানিয়েছে, এক বার্তায় মোহাম্মদ দিইফ বলেন, 'ইসরায়েলি হামলা বন্ধ ও ফিলিস্তিন সীমান্তে অবরোধ তুলে না নেয়া পর্যন্ত আমাদের যুদ্ধ চলবে।'

তিন সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতের অবসানে ইসরায়েলের সঙ্গে স্থায়ী অস্ত্রবিরতির সম্ভাবনা নাকচ করে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন

হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দিয়েফ। এক অডিও বার্তায় তিনি বলেন, তার সৈনিকরা ‘শহীদ’ হতে প্রস্তুত। মঙ্গলবার গাজায় ইসরায়েলের তুমুল ধ্বংসযজ্ঞের পর হামাসের পক্ষ থেকে এ বার্তা এলো। এদিকে, গাজায় ইসরায়েল বোমা হামলা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে শতাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

সব মিলিয়ে গত ২৩ দিনের হামলায় ১২০০ বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, তাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন কমপক্ষে সাত হাজারের মতো মানুষ।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ফিলিস্তিনে ঈদের দিনে দুই পক্ষই লড়াইয়ে বিরত থাকলেও পরদিন ইসরায়েলি বাহিনী দিনভর গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলা চালিয়ে যায়, যাতে গাজার একমাত্র বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে আগুন ধরে যায়।

স্থানীয় ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেই বিদ্যুৎ পেত গাজাবাসী। এছাড়া মিসর এবং ইসরায়েল থেকে আরো কিছু বিদ্যুৎ আসে।

ইসরায়েলি হামলায় একদিনেই অন্তত একশত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গত ২৩ দিন ধরে চলা এই সংঘাতে নিহতের সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়ে গেছে, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক বলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন জাতিসংঘ কর্মীরাও। ইসরায়েলের এক সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, এ হামলা হামাসের ওপর ক্রমাগত চাপ বাড়ানোরই সঙ্কেত।

সোমবার টেলিভিশনে এক বক্তব্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা-ইসরায়েল সীমান্তে সুড়ঙ্গগুলো ধ্বংস করার ওপর জোর দেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়। গাজায় অস্ত্রবিরতির বিষয়ে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে থাকলেও ইসরায়েল ও হামাস যার যার লক্ষ্যে অটল।

মোহাম্মদ দিয়েফের বার্তায় বলা হয়, কোনো শর্তে অস্ত্রবিরতি আমরা মানব না। ইসরায়েলের আগ্রাসন আর অবরোধের অবসান না হলে কোনো অস্ত্রবিরতি নয়।

গাজার বেশিরভাগ এলাকা এরই মধ্যে ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘ বলছে, প্রায় দুই লাখ মানুষ তাদের আশ্রয়ে রয়েছে। ঘরছাড়া এই মানুষদের সাহায্য দিতে তাদের রসদ ফুরিয়ে আসছে।

ইসরায়েলকে দুই লাখ মানুষের ঘরছাড়া হওয়ার দায়ভার নিতে হবে বলেও জানিয়েছে জাতিসংঘ।

ইসরায়েল ও মিসর ২০০৭ সাল থেকে গাজা ভূখণ্ডে পণ্য পরিবহনের ওপর অবরোধ চালিয়ে আসছে।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

করোনায় মৃতের সংখ্যা ৬৯ হাজার ছাড়িয়েছে

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে লিবিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু

করোনা ভাইরাস ॥ হাইতিতে প্রথম মৃত্যু

করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি

কাশ্মীর সীমান্তে সংঘর্ষে ৫ ভারতীয় সেনা নিহত

ভারতে ২৪ ঘণ্টায় ৩২ জনের মৃত্যু

জাতির উদ্দেশে ব্রিটেনের রানির নজিরবিহীন ভাষণ

করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৬৪ হাজার, আক্রান্ত ১২ লাখের বেশি

সর্বশেষ খবর

মানুষ ঘরে না থাকলে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়

কাশ্মীর সীমান্তে সংঘর্ষে ৫ ভারতীয় সেনা নিহত

মুসল্লিদের ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ

ফার্মেসি ছাড়া সন্ধ্যার পর সব দোকান-বাজার বন্ধ