স্বাস্থ্য

সোমবার, ০৪ মার্চ, ২০১৯ (১৪:২৯)

দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন কাদের, আশা হানিফের

ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে ঢাকায় আসেন ভারতের নামকরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী শেঠি।

সোমবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন ওবায়দুল কাদেরকে দেখে বেরিয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

হানিফ বলেন, ভারতের বিখ্যাত হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ দেবী শেঠি ঢাকায় আসছেন।

হানিফ জানান, ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করছেন তার জন্য গঠিত নিয়মিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা।

তার সবশেষ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন বিএসএমএমইউয়ের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে হানিফ জানান, ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা ভালোর দিকে— তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গতকাল ভোরে হঠাৎ শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয় ওবায়দুল কাদেরের। পরে তাকে বিএসএমএমইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। এনজিওগ্রাম করার পর তার হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। একটিতে তাৎক্ষণিক রিং পরানো হয়।

ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে গতকাল রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর থেকে দুজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ঢাকায় আসেন। ওবায়দুল কাদেরকে দেখার পর দুই দেশের চিকিৎসকেরা জানান, তিনি এখনো শঙ্কামুক্ত নন। তবে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। আপাতত দেশেই তার চিকিৎসা চলবে। প্রয়োজন হলে তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হবে।

৬৭ বছর বয়সী ওবায়দুল কাদের ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবরে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তার আগে ছয় বছর তিনি দলের সভাপতি মণ্ডলীতে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর আড়াই বছর কারাগারে ছিলেন কাদের। সেখান থেকেই তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। পর পর দুই মেয়াদে তিনি ওই দায়িত্বে ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকোলে কোম্পানীগঞ্জ থানা মুজিব বাহিনীর (বিএলএফ) অধিনায়ক কাদের প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে। মোট চারবার তিনি নোয়াখালী-৫ আসনের ভোটারদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জিতে আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন পর সরকার গঠন করলে ওবায়দুল কাদেরকে যুব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন। পরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হেরে গেলে ২০০২ সালের সম্মেলনে দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান ওবায়দুল কাদের।

২০০৭ সালে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ন সরকারের সময়ে জরুরি অবস্থার মধ্যে দেশের বহু রাজনীতিবিদের মত ওবায়দুল কাদেরও গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান। প্রায় ১৮ মাস কারাগারে কাটানোর পর ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনের দুই মাস আগে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

ওই নির্বাচনে জয়ী হয়ে আবার ক্ষমতায় ফেরেন আওয়ামী লীগের এ নেতা। প্রথমে তাকে তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়। সরকারের মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে তাকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রিত্ব দেয়া হয়।

তখন থেকেই ওই মন্ত্রণালয়ের দেখভাল করছেন ওবায়দুল কাদের। বর্তমানে এ মন্ত্রণালয়ের নাম সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

ঢাকা মেডিকেলে স্টাফ-নার্স সংঘর্ষে আহত ১০

ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার, বাড়ি ফিরেছেন ৮৪ শতাংশ

সারাদেশে কমছে এবার ডেঙ্গু রোগী

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল অতিরিক্ত আইজিপির স্ত্রীর

বেসিনে হারপিক ও ব্লিচিং পাউডার ঢালা বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বক্তব্য

ডেঙ্গু টেস্ট সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ও বেসরকারি হাসপাতালে ৫০০ টাকা

ডেঙ্গুর চিকিৎসায় করণীয়

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে যেসব অভ্যাসে

সর্বশেষ খবর

‘আলীগই গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তকে বাধাগ্রস্ত করেছিল’

মোদির সঙ্গে আর কোনো আলোচনা নয়: ইমরান খান

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী চিদাম্বরম গ্রেপ্তার

সোনারগাঁওয়ে ইমামের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার