শিক্ষা-শিক্ষাঙ্গন

বৃহস্পতিবার, ০৪ অক্টোবর, ২০১৮ (১৭:৩৭)

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে পরিপত্র প্রকাশ

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে পরিপত্র প্রকাশ

সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে সরাসরি নিয়োগে কোটা পদ্ধতি বাদ দিয়ে পরিপত্র জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ পরিপত্র জারি করেছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, ‘সরকার সকল সরকারি দপ্তর, স্বায়ত্বশাসিত/আধা-স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন করপোরেশনের চাকরিতে সরাসরি নিয়েগের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১৭/০৩/১৯৯৭ তারিখের সম(বিধি-১)এস-৮/৯৫(অংশ-২)-৫৬(৫০০) নং স্মারকে উল্লিখিত কোটা পদ্ধতি নিম্নরূপভাবে সংশোধন করিল:

(ক) ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হইবে; এবং

(খ) ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হইল।’

এই আদেশ ‘অবিলম্বে কার্যকর হইবে’ বলেও উল্লেখ করা হয় পরিপত্রে।

কোটা বাতিলের প্রতিবাদে শাহবাগে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আন্দোলনের মধ্যেই এ পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর সরকারি চাকরিতে নবম থেকে ত্রয়োদশতম গ্রেডে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৪৫ শতাংশ কোটা তুলে দিয়ে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগে সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

গতকাল কোটা পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশির ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এট বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোটা থাকবে না।

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে গত ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রধান করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে সরকার। প্রাথমিকভাবে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হলেও পরবর্তীতে আরও ৯০ কার্যদিবস সময় পায় কমিটি।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর কোটা সংস্কার বা পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রধানমন্ত্রীর কাছে কোটা তুলে দেয়ার সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দেন।

তবে সময়ের প্রেক্ষাপটে কোনো অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য কোটার প্রয়োজন দেখা দিলে বা কোটার অপরিহার্যতা দেখা দিলে সরকার ব্যবস্থা নিতে পারবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি আরও বলেন, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে যে ব্যবস্থা আছে তা বহাল আছে।

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা দীর্ঘ দিনের। ১৯৭২ সালের ৫ নভেম্বর এক নির্বাহী আদেশে সরকারি, আধাসরকারি, প্রতিরক্ষা এবং জাতীয়করণকৃত প্রতিষ্ঠানে জেলা ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মহিলাদের জন্য ১০ শতাংশ কোটা পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।

পরে বিভিন্ন সময়ে এই কোটা পদ্ধতির সংস্কার, পরিমার্জন ও পরিবর্তন করে সরকার।

সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনি ৩০ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, পশ্চাদপদ জেলাগুলোর জন্য ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৫ শতাংশ মিলিয়ে শতকরা ৫৬ ভাগ কোটা পদ্ধতি চালু ছিল।

এছাড়াও রয়েছে

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল কাল

রাবির সাবেক অধ্যাপক মজিবর রহমান দেবদাস আর নেই

এবার শিক্ষার্থীদের মোবাইলে যাবে ফলাফল

সব ভার্সিটির জন্য অনলাইন পাঠদান নীতিমালা হচ্ছে

৬ জুন থেকে শুরু হতে পারে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম

এসএসসির ফল চলতি মাসে

করোনার মধ্যেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদ বোনাসের চেক ব্যাংকে

করোনা ভাইরাসে ফারইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের মৃত্যু

আরও খবর

  • আটকে পড়া অভিবাসীদের জন্য অমিতাভের ১০টি বাস

    আটকে পড়া অভিবাসীদের জন্য অমিতাভের ১০টি বাস

  • হাইকোর্ট বিভাগের ১৮ বিচারপতির শপথ বিকালে

    হাইকোর্ট বিভাগের ১৮ বিচারপতির শপথ বিকালে

  • ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে নিজেদের ‘করোনামুক্ত’ ঘোষণা করল মন্টেনিগ্রো

    ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে নিজেদের ‘করোনামুক্ত’ ঘোষণা করল মন্টেনিগ্রো

  • মসজিদে নববী খুলছে রোববার

    মসজিদে নববী খুলছে রোববার

সর্বশেষ খবর

ভারতে আরও ১ মাস বাড়লো লকডাউন

আটকে পড়া অভিবাসীদের জন্য অমিতাভের ১০টি বাস

করোনা প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধিদের আরও সম্পৃক্তির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পাতানো ম্যাচ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি ভারতীয় জুয়াড়ির