সংস্কৃতি-বিনোদন

বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ (১৪:৩৭)

কিংবদন্তি ফরীদির মৃত্যুবার্ষিকী আজ

কিংবদন্তি ফরীদির মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি। ২০১২ সালের এই দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি হুমায়ুন ফরীদি। কিছু মানুষ আছেন যারা তার চলে যাওয়া এখনো মানতে নারাজ। অন্তত তাদের জন্য মনখারাপের দিন আজ। আট বছর হয়ে গেল তিনি চলে গেছেন। চলচ্চিত্র, মঞ্চ ও টেলিভিশনে তিনি ছিলেন জনপ্রিয়। তাকে বলা হতো অভিনয় কারিগর। বাংলাদেশের নাট্য ও সিনেমা জগতে তিনি অসাধারণ ও অবিসংবাদিত চরিত্রে অভিনয়ের জন্য স্মরণীয় হয়ে আছেন।

ফরীদি ঢাকার নারিন্দায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম এটিএম নূরুল ইসলাম ও মা বেগম ফরিদা ইসলাম। ইউনাইটেড ইসলামিয়া গভর্নমেন্ট হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন তিনি। মাধ্যমিক স্তর উত্তীর্ণের পর চাঁদপুর সরকারি কলেজে পড়াশোনা করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত নাট্য উৎসবে তিনি অন্যতম সংগঠক ছিলেন। মূলত এ উৎসবের মাধ্যমে তিনি নাট্যাঙ্গনে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থাতেই তিনি ঢাকা থিয়েটারের সদস্যপদ লাভ করেন। নব্বইয়ের দশকে হুমায়ুন ফরীদি চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন।

আলোচিত সংশপ্তক নাটকে কানকাটা রমজান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিখ্যাত হয়ে ছিলেন। কীর্ত্তনখোলা, মুন্তাসির ফ্যান্টাসি, কিরামত মঙ্গল(১৯৯০), ধূর্ত উই ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য মঞ্চায়ন। মঞ্চের পাশাপাশি টিভি অভিনয়েও হুমায়ুন ফরিদী ছিলেন ব্যাপক জনপ্রিয়। তার অভিনীত নাটকগুলো হল নিখোঁজ সংবাদ, হঠাৎ একদিন, পাথর সময়, সংশপ্তক, সমুদ্রে গাংচিল, কাছের মানুষ, মোহনা, নীল নকশাল সন্ধানে (১৯৮২), দূরবীন দিয়ে দেখুন (১৯৮২), ভাঙ্গনের শব্দ শুনি (১৯৮৩), কোথাও কেউ নেই, সাত আসমানের সিঁড়ি, সেতু কাহিনী (১৯৯০), ভবের হাট (২০০৭), শৃঙ্খল (২০১০), জহুরা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, প্রতিধ্বনি,গুপ্তধন, সেই চোখ, অক্টোপাস, বকুলপুর কত দূর, মানিক চোর, আমাদের নুরুল হুদা। সন্ত্রাস, দহন, লয়াকু, দিনমজুর,বীর পুরুষ, বিশ্ব প্রেমিক, আজকের হিটলার, দুর্জয়,শাসন, আঞ্জুমান, আনন্দ অশ্রু মায়ের অধিকার, আসামী বধু, একাত্তরের যীশু, প্রাণের চেয়ে প্রিয়, ভালোবাসি তোমাকে, কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি, প্রবেশ নিষেধ, ভন্ড, অধিকার চাই, মিথ্যার মৃত্যু, বিদ্রোহী চারিদিকে, মনে পড়ে তোমাকে, মাতৃত্ব, টাকা, ব্যাচেলর, জয়, যাত্রা, শ্যামল ছায়া, দূরত্ব, চেহারা, আহা!, কি যাদু করিলা, মেহেরজান প্রভৃতি ছবিতে অভিনয় করে হুমায়ুন ফরিদীর চলচ্চিত্রে খ্যাতির পরিধি আরো প্রসারিত হয়।

২০০৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন হুমায়ুন ফরীদি। নাট্যাঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তাকে সম্মাননা প্রদান করে। তবে ফরিদীর একুশের পদকের জন্য এবার তরুণ সমাজের মধ্য থেকে দাবি তোলা হলেও শেষপর্যন্ত তাকে দেয়া হয়নি এ সম্মানসূচক পদক। যা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে সমালোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

বিয়ে করলেন চিত্রনায়িকা রোদেলা জান্নাত ও মডেল খালেদ

কমল হাসানের সিনেমার শুটিংয়ে ক্রেন ভেঙে ৩ সহকারী পরিচালক নিহত

না ফেরার দেশে অভিনেতা তাপস পাল

কনসার্টে কণ্ঠস্বর হারিয়ে কাঁদলেন এলটন জন! (ভিডিও)

কবি নির্মলেন্দু গুণ আইসিইউতে

৮০ বছরে কার্টুন শো টম অ্যান্ড জেরি

কিশোর কুমারের বায়োপিকে রণবীর!

হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ডগলাসের জীবনাবশান

সর্বশেষ খবর

খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি

বিটিআরসিকে ১০০০ কোটি টাকা দিল গ্রামীণফোন

কিউইদের লিড, শেষটায় স্বস্তি ভারতের

মুজিববর্ষ: আসছে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, সঙ্গে ২০০ টাকার নোট