অপরাধ

হলি আর্টিজান হামলা: পলাতক রিপন গ্রেপ্তার

মামুনুর রশিদ রিপন
মামুনুর রশিদ রিপন

গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকায় একটি বাস থেকে শনিবার মধ্যরাতে সন্দেহভাজন যে জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, সে গুলশানের হলি আর্টিজান মামলার পলাতক আসামি মামুনুর রশিদ রিপন জানিয়েছে র্যাাব।

র্যা বের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, রাত ১টার দিকে একটি বাস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় সে হালুয়াঘাট থেকে ঢাকার দিকে আসছিল।

মামুনুর রশিদ রিপন ওরফে রেজাউল করিম ওরফে রেজা নব্য জেএমবির একজন প্রথম সারির নেতা বলে জানান তিনি।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় রিপন অর্থ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহের দায়িত্বে ছিল।

মুফতি মাহমুদ খান জানান, গ্রেপ্তারের সময় রিপনের কাছে দেড় লাখ টাকা পাওয়া গেছে।

উল্লখ্যে, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় ১৭ বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করা হয়।

পরদিন কমান্ডো অভিযানে নিহত হন হামলাকারী পাঁচ তরুণ - রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাজ ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

দুই বছরের বেশি সময় ধরে তদন্তের পর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবির ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই হামলায় জড়িত ২১ জনকে চিহ্নিত করে তাদের মধ্যে জীবিত আট জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, নব্য জেএমবির জঙ্গিরা ছয় মাস ধরে পরিকল্পনা করে ওই হামলা চালিয়েছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, দেশকে ‘অস্থিতিশীল’ করা, বাংলাদেশকে একটি ‘জঙ্গি রাষ্ট্র’ বানানো।

গতবছর ২৬ নভেম্বর আলোচিত এ মামলায় আসামিদের মধ্যে জীবিত আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মুজিবুর রহমান।

মামলার আসামিদের মধ্যে নব্য জেএমবির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান ও হাদিসুর রহমান সাগর গ্রেপ্তার আছে।

বাকি দুই আসামি শহীদুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদ রিপনকে পলাতক দেখিয়ে এ মামলার বিচার চলছিল। তাদের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে সম্পত্তি জব্দেরও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের কর্মকর্তারা এতদিন বলে আসছিলেন, খালেদ ও রিপন পালিয়ে ভারতে চলে গেছে বলে ধারণা করছেন তারা।

আর ভারতীয় গোয়েন্দাদের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার ২০১৭ সালের শুরুতে খবর দিয়েছিল, ‘আবু সুলেমান’ ও ‘বাংলার বাঘ টু’ ছদ্মনাম নিয়ে খালেদ ও রিপন পশ্চিমবঙ্গে জেএমবিকে সংগঠিত করার চেষ্টা করছে।

তাদের মধ্যে রিপনকে র্যারব গ্রেপ্তার করলেও খালেদের কোনো সন্ধান আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনও পায়নি।

২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী, অপরাধ প্রমাণিত হলে হলি আর্টিজান মামলার আসামিদের সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

শাওন নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা

স্ত্রীকে হত্যার জন্য খুনিদের তিন লাখ টাকা দেন বাবুল: পিবিআই

পি কে হালদারের দুই নারী সহযোগী গ্রেপ্তার

সেদিন ক্রেন চালাচ্ছিলেন চালকের সহকারী

জন্মদিন পালনের কথা বলে নারী চিকিৎসককে হোটেলে নেন হত্যাকারী

চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে

রাজধানীতে দুই মানব পাচারকারী গ্রেফতার

ওসমানী মেডিকেলে হামলা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

সর্বশেষ খবর

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত