আদালত

বৃহস্পতিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ (১৫:৪৩)

জামাতের ২৫ নেতার প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন নামঞ্জুর

হাইকোর্ট

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া জামাতের ২৫ নেতার প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন নামঞ্জুর করেছে হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছে।

পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ নয় তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। আর বিবাদী ১২ ও ২৩ নম্বর বিবাদী দুই প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির এবং ইসির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ড. মুহাম্মদ ইয়াসিন খান।

বিবাদী দুই প্রার্থীর আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস সাংবাদিকদের বলেন, আদালত শুধু রুল জারি করেছে ফলে ২৫ প্রার্থীর নির্বাচনে থাকতে বাধা নেই।

তানিয়া আমীর বলেন, আজকে জামাতের সেক্রেটারি জেনারেলসহ দুই নেতার পক্ষে ওকালতনামা দিয়ে আদালতে ছিলো। তারা আদালত জানাতে পারে নাই যে, তারা ২৫ জন জামাত থেকে পদত্যাগ করেছেন। তারা কেবল মাত্র জানিয়েছেন, অন্য একটি প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এটাই হচ্ছে একটা প্রতারণা, অন্য প্রতীকে করলেও তারা সেক্রেটারি জেনারেলসহ বিভিন্ন দায়িত্বে আছেন।

এর আগে তানিয়া আমীর বলেন, যেহেতু জামাতের নিবন্ধন নেই, তাই ওই দলের কোনো নেতা নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে পারছেন না। যেহেতু নিজস্ব প্রতীকে পারছেন না তাই অন্য কোনো দলের প্রতীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণেরও তাদের সুযোগ নেই। এরপরও জামাত নেতাদের ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে ইসি হাইকোর্টের রায় ও গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের বিভিন্ন বিধির সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামাত নেতাদের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, দলটির সমাজকল্যাণ সচিব মো. আলী হোসেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-এর সভাপতি হুমায়ুন কবির ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মো. এমদাদুল হক।

গত ১৮ ডিসেম্বর ওই রিটের শুনানি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে ভোটে অংশ নেয়া জামাতের ২৫ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল পূর্বক যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে ওই আবেদন তিন দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

এরপর ২৪ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (আইন) মো. সেলিম মিয়া আবেদনকারীদের একটি চিঠি দেন। ওই চিঠিতে বলা হয়, আবেদনটি কমিশন সভায় আলোচনা হয়। কিন্তু ২৫ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের আইনগত কোনো সুযোগ না থাকায় তা নামঞ্জুর করেছে কমিশন।

পরে এই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে ফের আবেদন করেন ওই চার আবেদনকারী। আবেদনে ইসির ২৪ ডিসেম্বরের চিঠি কেন অবৈধ ও বেআইনি হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়।

এ রুল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় ২৫ জনকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে আবেদন করা হয়।

আবেদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

হাইকোর্টে গত ১৭ ডিসেম্বর শুনানিতে তানিয়া আমীর বলেন, জামাতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে ২০০৯ সালে রিট করা হয়। ওই রিটের ওপর জারিকৃত রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২০১৩ সালে হাইকোর্ট জামাতের নিবন্ধন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ও অবৈধ ঘোষণা করে।

হাইকোর্টের রায়:

রাজনৈতিক দল হিসেবে ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০বি (১)(বি)(২) ও ৯০সি অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও সংবিধান পরিপন্থি। এই রায় এখনও বহাল রয়েছে।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

সংগ্রাম সম্পাদক ৩ দিনের রিমান্ডে

মোটরসাইকেল পোড়ানোর মামলায় ফখরুল-রিজভীসহ আসামি ১৩৫

খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি শুরু

খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ

রাজশাহীর আব্দুস সাত্তার ওরফে টিপুর রায় আজ

১২ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার পরবর্তী জামিন শুনানি

আদালতে বিএনপির আইনজীবীদের হট্টগোল, এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতি

স্বাস্থ্যের ডিজিকে হাইকোর্টে তলব

সর্বশেষ খবর

ফকরুলসহ বিএনপির ২১ নেতার আগাম জামিন আবেদন

১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ

আশুলিয়ায় নিটিং ফ্যাক্টরিতে আগুন, ৭ কোটি টাকার ক্ষতি

দক্ষিণ আফ্রিকার হেড কোচ হলেন মার্ক বাউচার