মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের দূরে ঠেলতে পারছেন না স্থানীয়রা

শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ (১৮:১৩)
মানবিক-কারণে-রোহিঙ্গাদের-দূরে-ঠেলতে-পারছেন-না-স্থানীয়রা

রাতের অন্ধকারে ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা একটু ভালোভাবে বাঁচার আশায় চট্টগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।

কোনো কোনো জায়গা থেকে পুলিশ তাদের টেকনাফ পাঠিয়ে দিচ্ছে। এদিকে, নতুন করে আসা এসব রোহিঙ্গারা বলেন, নিরাপত্তা পেলেই তারা দেশে ফিরতে চান।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মানুষের এই স্রোত রোধ করা কঠিন। শরণার্থীদের ছড়িয়ে পরা রোধে নিবন্ধনসহ কৌশলগত উপায় অবলম্বনের কথা বলছেন তারা।

মিয়ানমারের রাখাইনে জাতিগত নিপীড়নের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা একটু ভালোভাবে বাঁচার আশায় ছুটেছেন দেশের বিভিন্ন এলাকায়। ছড়িয়ে পড়েছেন চারপাশে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে চট্টগ্রাম, ফেনী ও পার্বত্য এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় তারা আশ্রয় নিচ্ছেন।

চট্টগ্রাম শহরের কিছু জায়গায় ও জেলার বাঁশখালী, সীতাকুণ্ড, হাটহাজারীতেও রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

রোহিঙ্গারা বলছেন, মিয়ানমারে তাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে সেনাবাহিনী তাই তার প্রাণ বাঁচাতে অনেক কষ্টে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তারা চাইছেন নিজের দেশে ফিরে যেতে।

এব্যাপারে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কর্মকর্তা মিডিয়ায় সামনে কথা বলতে রাজি হননি।

তবে মিয়ানমারে বাংলাদেশ দূতাবাসের সাবেক হেড অব মিশন মেজর এমদাদুল ইসলাম বলেন, যে হারে মানুষ আসছে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন। মানবিক কারণে তাদেরকে দূরে ঠেলতে পারছেন না স্থানীয় লোকজন।

তাই তাদের নিবন্ধন করে নজরদারিতে রাখার পরামর্শ সাবেক এ কূটনীতিকের।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

ঠাকুরপাড়ায় হিন্দু বাড়িগুলোতে হামলায় নেতৃত্ব দেয় জামাত-বিএনপি-জাপা

চলছে রাজনৈতিক দরকষাকষি, নির্বাচন করতে পারবে না জামাত

ভয়াল ১২ নভেম্বর: প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় কেড়ে নিয়েছিল ৫ লাখ মানুষের জীবন

শেষ ধাপে রয়েছে একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা-মামলার বিচার প্রক্রিয়া

উচ্চ পর্যায়ে ক্ষমতার অভিলাসেরই পরিণতি ৭ নভেম্বর

অভ্যুত্থান সফল না হওয়ার জন্য মোশাররফের অদূরদর্শিতাই দায়ী