সদ্য পাওয়া
Desh TV Logo জাতীয়: সিলেটে আতিয়া মহলে অভিযান অব্যাহত, সকাল থেকে থেমে চলছে গুলি ও বিস্ফোরণ; অপারেশন টোয়াইলাইটে দুই জঙ্গি নিহত, ভবনে বিস্ফোরক থাকায় অভিযান শেষ হতে সময় লাগছে: সেনাবাহিনী Desh TV Logo শিববাড়ীতে জঙ্গি আস্তানার কাছে চেকপোস্টে বোমা হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মোঘলাবাজারে পুলিশের মামলা Desh TV Logo ৭ সড়ক পরিবহন আইন-২০১৭ এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা Desh TV Logo দেশের প্রতিটি আদালতের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সুপ্রিম কোর্টের চিঠি Desh TV Logo মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিনেতা মুফতি হান্নানের সহযোগী দেলোয়ার হোসেন রিপন রাষ্ট্রপতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন Desh TV Logo রাজধানীর জুরাইনে গ্যাসের আগুনে শিশুসহ দগ্ধ ৩ জন Desh TV Logo ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ২ এপ্রিল Desh TV Logo এফবিসিসিআই নির্বাচন স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানি ৩০ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি Desh TV Logo মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসির আদেশ Desh TV Logo প্রতিষ্ঠার নবম বছরে পদার্পণ, দেশ টিভির অষ্টম বর্ষপূর্তিতে সারাদেশে দেশ উৎসব, দেশ টিভির পর্দায় বিশেষ অনুষ্ঠানমালা Desh TV Logo আন্তর্জাতিক: সিরিয়ায় অধ্যুষিত রাকার কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিমানঘাঁটি দখলে নিয়েছে বিদ্রোহীরা Desh TV Logo জাপানে তুষারধসে ৬ স্কুল শিক্ষার্থীর প্রাণহানি, আহেত ৭০ Desh TV Logo অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ডেবি, সাড়ে ৩ হাজারের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে Desh TV Logo মস্কোতে দুর্নীতিবিরোধী সমাবেশ থেকে রাশিয়ার প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনি আটক Desh TV Logo খেলা: ক্রিকেট: হংকংকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ইমার্জিং টিম এশিয়া কাপে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ Desh TV Logo দেশ টিভির সংবাদ দেখুন সকাল সাড়ে ৭টা, ১০টা, বেলা ১২টা, দুপুর ২টা, বিকেল ৪টা, সন্ধ্যা ৭টা, রাত ৯টা, ১১টা এবং ১টায়

ডিএমসির অধিকাংশ অ্যাম্বুলেন্সের মালিক ২য়-৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬ (১৪:৫৬)
ডিএমসির-অধিকাংশ-অ্যাম্বুলেন্সের-মালিক-২য়-৪র্থ-শ্রেণীর-কর্মচারী

অ্যাম্বুলেন্স

অনুমোদনহীন অ্যাম্বুলেন্সের অধিকাংশের মালিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসি) হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কিছু কর্মচারী। গণমাধ্যম পেশায় আছেন এমন কেউ কেউ এসব অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানার অংশীদার বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আর সরকারী হাসপাতালে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী ব্যক্তি মালিকানাধীন কোনো অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিতে না পারলেও বাস্তবতা ভিন্ন। এসব ব্যাপারে অভিযোগ উঠলে তদন্ত কমিটি হয় তবে কোনো প্রতিবেদন আর আলোর মুখ দেখে না। অভিযোগ রয়েছে দালাল চক্র টাকা দিয়ে সহজেই হাত করে ফেলে এসব তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

দীর্ঘ দিন ধরে চলমান অ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের দৌরাত্ম অনেকটা মুখ বুঝে সহ্য করে চলেছে সাধারণ রোগীরা। ঢাকা মেডিকেলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানায় রয়েছে হাসপাতালে কর্মরত ও সাবেক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা।

এসব গাড়ির অধিকাংশ তৈরি করা হয়েছে মাইক্রোবাস কেটে। যাতে নেই অ্যাম্বুলেন্সের নুন্যতম সুযোগ-সুবিধা। বারবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। তবে কোনো কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনই আর আলোর মুখ দেখেনি। কোনো না কোনোভাবে ম্যানেজ হয়ে যান তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে সরকারী কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারেন না। তবে কী করে ঢাকা মেডিকেলের কর্মচারীরা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা করছে? এর উত্তর দিতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারীদের অ্যাম্বুলেন্সের প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে:

৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী সুমন আলীর ১ টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী জামাল সরদারের রয়েছে একটি। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সোবহানের একটি। তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সাত্তারের ১টি।

এছাড়াও ড্রাইভার মনির, দারোয়ান আবুল, সুইপার কামাল ও জসিমের রয়েছে একটি করে, দারোয়ান আবুলের ভাই ফারুকের ২টি, হারুন ভান্ডারির ও দিনারের মালিকানায় একটি।

অ্যাম্বুলেন্সের বৈধতা না থাকলেও এই চক্রের একটি কমিটিও রয়েছে যা দূর্ঘটনার পর থেকেই উধাও হয়ে গেছে। এর সভাপতি হারুন ভান্ডারি, সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মোকলেস মোল্লা, সদস্য মোহাম্মদ শাহীন, খলিলুর রহমান, ইব্রাহিম বাকাউল।

এসব অবৈধ অ্যাম্বুলেন্স প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়েই রমরমা বাণিজ্য চালাচ্ছে। তাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে মেডিকেলের আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয়, ঝাড়ুদার, মেডিকেল ড্রাইভার। তাই কোন রোগী কোথায় যাবে তা তাৎক্ষণিক যেনে যাচ্ছে দালাল চক্র।

তখনই চলছে রোগীর সঙ্গে তাদের দেন-দরবার। সে সঙ্গে আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয় ও ঝাড়ুদার বকসিস হিসেবে পেয়ে যাচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। মেডিকেলের বাইরে কড়াকড়ি চললেও নিরাচদেই চলছে দালালদের তৎপরতা।

রোগীর স্বজনদের সঙ্গে বনিবনা হয়ে গেলেই মেডিকেল গেটে পৌঁছে যাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

পুরনো সংবাদ

শুক্র
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
 
 
 
 
 
০১
০২
০৩
০৪
০৫
০৬
০৭
০৮
০৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০
৩১