সদ্য পাওয়া
Desh TV Logo জাতীয়: হাওরে বাঁধ নির্মাণে কোনো ধরনের গাফিলতি থাকলে কঠোর ব্যবস্থা, দুর্গত এলাকা পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী; খাদ্যসহ সবধরনের সহায়তা, বিনামূল্যে কৃষি উপকরণের আশ্বাস Desh TV Logo আগামী বাজেট হবে উচ্চাভিলাষী; করমুক্ত আয় সীমা বাড়তে পারে, কমবে করপোরেট করের হার: অর্থমন্ত্রী Desh TV Logo দেশে আইনের শাসন না থাকায় প্রধান বিচারপতিকে এত কথা বলতে হয়: প্রধান বিচারপতি Desh TV Logo ফর্মুলা না দিয়ে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মো. নাসিম Desh TV Logo কাল সকাল ১০টায় নয়াপল্টন থেকে মে দিবসের র্যা লী করবে শ্রমিক দল Desh TV Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণ না হলে কাউকে রাজাকার বলা যাবে না: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল Desh TV Logo দিন দিন অবনতি হচ্ছে হাওরের বন্যা পরিস্থিতি; খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং গবাদী পশুর খাদ্যে সঙ্কট দেখা দিয়েছে Desh TV Logo ফরিদপুরের সালথায় দুই ইউপি চেয়ারম্যান সমর্থকদের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২০ Desh TV Logo বিশিষ্ট আবৃত্তিকার কাজী আরিফের প্রথম জানাজা নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত, মঙ্গলবার সকালে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাবে; প্রধানমন্ত্রীর শোক Desh TV Logo আন্তর্জাতিক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১০০তম দিনে আয়োজিত সমাবেশে আবারো গণমাধ্যমের ওপর চড়াও হলেন ট্রাম্প, গণমাধ্যমে তার সমালোচনাকে ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন; ট্রাস্পের জলবায়ু নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ Desh TV Logo কিউবায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৮ সেনা সদস্য নিহত Desh TV Logo খেলা: ফুটবল: স্প্যানিশ লা লিগা: রিয়াল মাদ্রিদ ২-১ ভ্যালেন্সিয়া, লাস পালমাস ০-৫ অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ, এস্পানিওল ০-৩ বার্সেলোনা; এক ম্যাচ বেশি খেলে শীর্ষে বার্সা Desh TV Logo জার্মান বুন্দেসলিগা: উলফসবার্গ ০-৬ বায়ার্ন মিউনিখ, বায়ার্নের টানা ৫ম লিগ শিরোপা জয় Desh TV Logo টেনিস: স্টুটগার্ড ওপেনের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় মারিয়া শারাপোভার, বার্সেলোনা ওপেনের শেষ চার থেকে বাদ পড়লেন অ্যান্ডি মারে Desh TV Logo দেশ টিভির সংবাদ দেখুন সকাল সাড়ে ৭টা, ১০টা, বেলা ১২টা, দুপুর ২টা, বিকেল ৪টা, সন্ধ্যা ৭টা, রাত ৯টা, ১১টা এবং ১টায়

ডিএমসির অধিকাংশ অ্যাম্বুলেন্সের মালিক ২য়-৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬ (১৪:৫৬)
ডিএমসির-অধিকাংশ-অ্যাম্বুলেন্সের-মালিক-২য়-৪র্থ-শ্রেণীর-কর্মচারী

অ্যাম্বুলেন্স

অনুমোদনহীন অ্যাম্বুলেন্সের অধিকাংশের মালিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসি) হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কিছু কর্মচারী। গণমাধ্যম পেশায় আছেন এমন কেউ কেউ এসব অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানার অংশীদার বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আর সরকারী হাসপাতালে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা কর্মচারী ব্যক্তি মালিকানাধীন কোনো অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিতে না পারলেও বাস্তবতা ভিন্ন। এসব ব্যাপারে অভিযোগ উঠলে তদন্ত কমিটি হয় তবে কোনো প্রতিবেদন আর আলোর মুখ দেখে না। অভিযোগ রয়েছে দালাল চক্র টাকা দিয়ে সহজেই হাত করে ফেলে এসব তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।

দীর্ঘ দিন ধরে চলমান অ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের দৌরাত্ম অনেকটা মুখ বুঝে সহ্য করে চলেছে সাধারণ রোগীরা। ঢাকা মেডিকেলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানায় রয়েছে হাসপাতালে কর্মরত ও সাবেক তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা।

এসব গাড়ির অধিকাংশ তৈরি করা হয়েছে মাইক্রোবাস কেটে। যাতে নেই অ্যাম্বুলেন্সের নুন্যতম সুযোগ-সুবিধা। বারবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। তবে কোনো কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনই আর আলোর মুখ দেখেনি। কোনো না কোনোভাবে ম্যানেজ হয়ে যান তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে সরকারী কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারেন না। তবে কী করে ঢাকা মেডিকেলের কর্মচারীরা অ্যাম্বুলেন্স ব্যবসা করছে? এর উত্তর দিতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারীদের অ্যাম্বুলেন্সের প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে:

৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী সুমন আলীর ১ টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী জামাল সরদারের রয়েছে একটি। অবসরে যাওয়া ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সোবহানের একটি। তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী আব্দুস সাত্তারের ১টি।

এছাড়াও ড্রাইভার মনির, দারোয়ান আবুল, সুইপার কামাল ও জসিমের রয়েছে একটি করে, দারোয়ান আবুলের ভাই ফারুকের ২টি, হারুন ভান্ডারির ও দিনারের মালিকানায় একটি।

অ্যাম্বুলেন্সের বৈধতা না থাকলেও এই চক্রের একটি কমিটিও রয়েছে যা দূর্ঘটনার পর থেকেই উধাও হয়ে গেছে। এর সভাপতি হারুন ভান্ডারি, সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ মোকলেস মোল্লা, সদস্য মোহাম্মদ শাহীন, খলিলুর রহমান, ইব্রাহিম বাকাউল।

এসব অবৈধ অ্যাম্বুলেন্স প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়েই রমরমা বাণিজ্য চালাচ্ছে। তাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে মেডিকেলের আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয়, ঝাড়ুদার, মেডিকেল ড্রাইভার। তাই কোন রোগী কোথায় যাবে তা তাৎক্ষণিক যেনে যাচ্ছে দালাল চক্র।

তখনই চলছে রোগীর সঙ্গে তাদের দেন-দরবার। সে সঙ্গে আয়া, কেবিন বয়, ট্রলিবয় ও ঝাড়ুদার বকসিস হিসেবে পেয়ে যাচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। মেডিকেলের বাইরে কড়াকড়ি চললেও নিরাচদেই চলছে দালালদের তৎপরতা।

রোগীর স্বজনদের সঙ্গে বনিবনা হয়ে গেলেই মেডিকেল গেটে পৌঁছে যাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

পুরনো সংবাদ

শুক্র
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
 
০১
০২
০৩
০৪
০৫
০৬
০৭
০৮
০৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০