সদ্য পাওয়া
Desh TV Logo জাতীয়: ঈদের শুভেচ্ছা, রমজানে দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ, উচ্ছ্বাস-আনন্দ আর অনাবিল খুশির এক উৎসব Desh TV Logo দেশবাসীকে ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা Desh TV Logo শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া Desh TV Logo দেশ টিভির সংবাদ দেখুন সকাল সাড়ে ৭টা, ১০টা, বেলা ১২টা, দুপুর ২টা, বিকেল ৪টা, সন্ধ্যা ৭টা, রাত ৯টা, ১১টা এবং ১টায়

ডিএমসি কর্তৃপক্ষও অসহায় অ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের কাছে

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬ (১৫:০১)
ডিএমসি-কর্তৃপক্ষও-অসহায়-অ্যাম্বুলেন্স-দালাল-চক্রের-কাছে

ডিএমসি

অ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের হাতে জিম্মি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীরা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী বা চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও যেতে এবং মরদেহ বহনের ক্ষেত্রে কৌশলে দালালরা তাদের চক্রের অনুমোদনহীন অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে বাধ্য করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসি) কর্তৃপক্ষও এসব দালাল চক্রের কাছে যেন অসহায়।

সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় রোগীদের অসহায় অবস্থাকে জিম্মি করে চক্রটি হাতিয়ে নিচ্ছে বড় অংকের অর্থ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেধে দেয়া নিয়মনীতির কোনো ধরণের তোয়াক্কা না করেই লক্কর-ঝক্কর মাইক্রোবাসেই চলছে এ সেবা।

সরকারী হাসপাতালগুলোর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালই দেশের সব রোগির কাছে কাংখিত। এ হাসপাতালে প্রতিদিনই রাজধানীসহ সারাদেশের অগণিত রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। দেশের বিভিন্ন সরকারি - বেসরকারি হাসপাতাল থেকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য এখানে রোগী পাঠানো হয়।

আবার অন্যদিকে প্রতিদিনই চিকিৎসা শেষে অসংখ্য রোগী হাসপাতাল ছেড়ে যান আবার অনেক রোগীর মরদেহও নিয়ে যেতে হয়।

এসব অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাম্বূলেন্স দরকার হয় তবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বার্ণ ইউনিটে রয়েছে মোট ৭টি অ্যাম্বুলেন্স। এরমধ্যে একটি মেরামতযোগ্য।

সচল থাকা ৬টি গাড়ি দিয়ে প্রতিদিনের রোগীদের সেবা দেয়া এক কথায় অসম্ভব। সে সেবাও শুধু রাজধানীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

সরকারিঅ্যাম্বুলেন্স দালাল চক্রের হাতে জিম্মি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীরা। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী বা চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও যেতে এবং মরদেহ বহনের ক্ষেত্রে কৌশলে দালালরা তাদের চক্রের অনুমোদনহীন অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে বাধ্য করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসি) কর্তৃপক্ষও এসব দালাল চক্রের কাছে যেন অসহায়।

সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় রোগীদের অসহায় অবস্থাকে জিম্মি করে চক্রটি হাতিয়ে নিচ্ছে বড় অংকের অর্থ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেধে দেয়া নিয়মনীতির কোনো ধরণের তোয়াক্কা না করেই লক্কর-ঝক্কর মাইক্রোবাসেই চলছে এ সেবা।

সরকারী হাসপাতালগুলোর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালই দেশের সব রোগির কাছে কাংখিত। এ হাসপাতালে প্রতিদিনই রাজধানীসহ সারাদেশের অগণিত রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। দেশের বিভিন্ন সরকারী - বেসরকারী হাসপাতাল থেকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য এখানে রোগী পাঠানো হয়।

আবার অন্যদিকে প্রতিদিনই চিকিৎসা শেষে অসংখ্য রোগী হাসপাতাল ছেড়ে যান আবার অনেক রোগীর মরদেহও নিয়ে যেতে হয়।

এসব অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাম্বূলেন্স দরকার হয় তবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বার্ণ ইউনিটে রয়েছে মোট ৭টি অ্যাম্বুলেন্স। এরমধ্যে একটি মেরামতযোগ্য।

সচল থাকা ৬ টি গাড়ি দিয়ে প্রতিদিনের রোগীদের সেবা দেয়া এক কথায় অসম্ভব। সে সেবাও শুধু রাজধানীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

সরকারী অ্যাম্বুলেন্সের অপ্রতুলতা ও সীমাবদ্ধতার সুযোগে অনুমোদনহীন. লক্কর-ঝক্কর মার্কা মাইক্রোবাসকে রুপান্তর করে অ্যাম্বুলেন্স হিসবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ অনুমতিহীন ব্যবসা নিয়ে দেড় -দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাত্র ৬টি অ্যাম্বুলেন্সে যেখানে সেবা দিতে হিমশিম খাওয়ার কথা সেখানে সরকারী লগবইয়ের তথ্য বলছে তেমন কোনো কাজই নেই এসব অ্যাম্বুলেন্সের।

আর দীর্ঘ দিনের দালাল চক্র ঢাকা মেডিকেল কলেজের কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে কাজে লাগিয়ে চালাচ্ছে রমরমা বাণিজ্য। অ্যাম্বুলেন্সের অপ্রতুলতা ও সীমাবদ্ধতার সুযোগে অনুমোদনহীন. লক্কর-ঝক্কর মার্কা মাইক্রোবাসকে রুপান্তর করে অ্যাম্বুলেন্স হিসবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ অনুমতিহীন ব্যবসা নিয়ে দেড় -দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাত্র ৬টি অ্যাম্বুলেন্সে যেখানে সেবা দিতে হিমশিম খাওয়ার কথা সেখানে সরকারী লগবইয়ের তথ্য বলছে তেমন কোনো কাজই নেই এসব অ্যাম্বুলেন্সের।

আর দীর্ঘ দিনের দালাল চক্র ঢাকা মেডিকেল কলেজের কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে কাজে লাগিয়ে চালাচ্ছে রমরমা বাণিজ্য।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

পুরনো সংবাদ

শুক্র
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
 
 
 
 
 
 
০১
০২
০৩
০৪
০৫
০৬
০৭
০৮
০৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০