হাসিনার ভারত সফরে অমিমাংসিত বিষয়গুলো সুরাহার আশা

রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৬ (১৬:০৭)
হাসিনার-ভারত-সফরে-অমিমাংসিত-বিষয়গুলো-সুরাহার-আশা

হাসিনা-মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে এ ডিসেম্বরে দেশটিতে সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নয়াদিল্লিতে তার দুই দিনের সফরের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে এরই মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক ভারত সফর করেছেন।

কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এবারের ভারত সফরে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিসহ দুদেশের মধ্যকার অমিমাংসিত বিষয়গুলো সুরাহার পথ তৈরি হবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের এ বৈঠকের সুযোগ কাজে লাগানোরই পরামর্শ তাদের।

গতবছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের সময়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মোদি। যদিও এর মাঝে ব্রিকস্ বিমস্টেক সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফর করেছেন শেখ হাসিনা। তবে আসছে ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে ভারত সফরের কথা রয়েছে তা শুধুমাত্র দ্বিপাক্ষিক কারণেই। তাই এ সফরকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবীরের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরে দুদেশের মধ্যকার অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের বিষয়টি আরেক ধাপ এগুবে বিশেষ করে তিস্তা চুক্তির বিষয়টি।

সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে তিনদিনের সফরে ভারতে যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে শেখ হাসিনার এবারের ভারত সফরের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু কী হবে তা এখনও চূড়ান্ত না হলেও কূটনৈতিক সূত্র বলছে, ভারতের কাছে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার বিষয় হচ্ছে- পানি।

এবারেও এই বিষয়েই গুরুত্ব দেয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত।রাশেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, সর্বোচ্চ পর্যায়ের ওই বৈঠকের সুযোগ যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে নইলে বাংলাদেশের তার ন্যায্যতা পেতে আরও অপেক্ষা করতে হতে পারে।

তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি দুদেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে হবে। আর একাজে দুদেশের মধ্যে যাতায়াত, বিশেষ করে ভিসা জটিলতা দূর করার বিষয়ে উদ্যোগী হতে হবে।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

ঠাকুরপাড়ায় হিন্দু বাড়িগুলোতে হামলায় নেতৃত্ব দেয় জামাত-বিএনপি-জাপা

চলছে রাজনৈতিক দরকষাকষি, নির্বাচন করতে পারবে না জামাত

ভয়াল ১২ নভেম্বর: প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় কেড়ে নিয়েছিল ৫ লাখ মানুষের জীবন

শেষ ধাপে রয়েছে একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা-মামলার বিচার প্রক্রিয়া

উচ্চ পর্যায়ে ক্ষমতার অভিলাসেরই পরিণতি ৭ নভেম্বর

অভ্যুত্থান সফল না হওয়ার জন্য মোশাররফের অদূরদর্শিতাই দায়ী