রাজনীতি

সোমবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ (১৮:২৭)

জিয়া পরিবারের কেউ নেই এবারের নির্বাচনে

জিয়া পরিবারের কেউ নেই এবারের নির্বাচনে

সাজাপ্রাপ্ত ও ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে বিএনপি চেয়ারপারসনসহ সাবেক মন্ত্রী, দলের অনেক সিনিয়র নেতা এবার নির্বাচন করতে পারছেন না।

সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক থাকার কারণে জিয়া পরিবার থেকে এবার কেউ নির্বাচন করতে পারছেন না। কিন্তু নির্বাচনের জন্য যাদের মনোয়নপত্রকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে স্বস্তিতে নেই তারাও।

প্রায় একযুগ পর নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে বিএনপি। কিন্তু এবারের নির্বাচনে জিয়া পরিবারের কেউ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেই। মামলা, কারাদণ্ড ও পলাতক থাকার সমস্যা কারণে এবার জিয়া পরিবারবিহীন নির্বাচনে যাচ্ছে দলটি। বিএনপি চেয়ারপারসনের পক্ষ থেকে তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হলেও দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত। তিনি যুক্তরাজ্যে পলাতক রয়েছেন। বিভিন্ন মামলায় সাজা পাওয়ায় তার দেশে ফেরাও এখন অনিশ্চিত।

তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানও বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। তিনিও বাংলাদেশি পাসপোর্ট সমপর্ণ করায় দেশে ফিরতে পারছেন না। আর খালেদা জিয়ার জোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান বিদেশে অবস্থান করলেও তার পক্ষ থেকে কোনো আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়নি। এছাড়া খালেদা জিয়ার ছোটা ভাই শামিম ইসকান্দারো অংশ নিচ্ছেন না নির্বাচনে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল সালামসহ অনেক নেতার বিরুদ্ধেই রয়েছে একাধিক মামলা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৩৯টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে মোট ৩ হাজার ৬৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। এদের মধ্যে থেকে ৭৮৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাদ পড়াদের মধ্যে একটি বড় অংশ বিএনপির।

বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, নানা তথ্যের অসংগতি এবং ঋণ খেলাপের অভিযোগে এবার নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না দলটির চেয়ারসনসহ সাবেক মন্ত্রী, প্রভাবশালী অনেক নেতা।

যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তাদের মধ্যে বেশিরভাগ নেতার বিরুদ্ধেই রয়েছে পঞ্চাশ ঊর্ধ্বে মামলা। ৪২টি মামলা নিয়ে ঢাকা-৮ আসন থেকে মনোনয়নপত্রের বৈধতা পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যে মির্জা আব্বাস। ঢাকা-৯ আসন থেকে বিএনপির বৈধপ্রার্থী হয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ। তার বিরুদ্ধে ৮০টি মামলা রয়েছে। ২৬৭টি মামলার আসামি হয়েও ঢাকা ১২ আসনে বিএনপির বৈধ প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব।

এ ছাড়া ঢাকা ১৩ আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা, একই আসনে আরেক বৈধ প্রার্থী আতিকুল ইসলাম মতিনের বিরুদ্ধে রয়েছে ১৫টি মামলা। ঢাকা ১৫ আসনে মনোয়নপত্র বৈধ হওয়া জামাতের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে রয়েছে ৩৩টি মামলা এবং বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রিপনের বিরুদ্ধে রয়েছে ১০টি মামলা।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে ঐক্যফ্রন্ট-বিএনপি প্রচারণা শুরু

হামলার অভিযোগ বিএনপির মিথ্যাচারের রাজনীতিরই অংশ: আ’লীগ

আমি নিরাপত্তায় ভুগছি: মির্জা আব্বাস

নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ শুরু, অভিযোগ রিজভীর

ধানের শীষের প্রার্থী ২৯৮ আসনে, বিএনপির ২৪২

আ’লীগ প্রার্থী ২৫৮টি আসনে, নৌকা মার্কায় ভোট ২৭২টিতে

আ’লীগকে ক্ষমতায় বসাতে গোপন তৎপরতায় ডিসিরা: রিজভী

চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন এরশাদ

সর্বশেষ খবর

নির্বাচনে সহিংসতা থেকে দূরে থাকার আহ্বান মিলারের

সিলেটে মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে ঐক্যফ্রন্ট-বিএনপি প্রচারণা শুরু

ভিকারুননিসায় প্রথম শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত

আমি নিরাপত্তায় ভুগছি: মির্জা আব্বাস