জাতীয়

রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৯ (১৩:৫২)

দেশের ইতিহাসের প্রতিটি পরতে পরতে জড়িয়ে আছে বঙ্গবন্ধু

দেশের ইতিহাসের প্রতিটি পরতে পরতে জড়িয়ে আছে বঙ্গবন্ধু

আজ ১৭ মার্চ-রোববার। বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী। প্রতি বছরের মতো দিনটি পালিত হচ্ছে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে।

মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন দেশ সৃষ্টিতে নেতৃত্ব দেয়া, আবার সদ্য স্বাধীন দেশ গঠনেও সমান ভূমিকা রাখা -এ রকম সৌভাগ্য ইতিহাসে খুব কম জাতীয়তাবাদী নেতার বেলায় ঘটেছে। বঙ্গবন্ধু সেই ক্ষণজন্মাদের একজন।

শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের সমার্থক এই নাম আজ জাতির আত্মপরিচয়, তথা দেশের ইতিহাসের প্রতিটি পরতে পরতে জড়িয়ে গেছে। তাই তিনি বাঙালির বঙ্গবন্ধু, জাতির জনক।

গোপালগঞ্জের নিভৃত গ্রাম টুঙ্গিপাড়া। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ, এখানেই জন্ম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের। সেই গ্রামের পাঠশালা পেরিয়ে ১৯৩৯ সালে স্থানীয় মিশনারি স্কুলে পড়ার সময় বঙ্গবন্ধুর হাতেখড়ি রাজনীতিতে। এরপর লেখাপড়া কোলকাতার ইসলামিয়া কলেজে। ১৯৪৭ ভারত ভাগের পর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। আর ১৯৪৮ সালেই ভাষা আন্দোলনে অংশ নিয়ে তাকে যেতে হয় কারান্তরালে।

সেই থেকে বারবার পাকিস্তানি সামরিক সরকারের টার্গেটে পরিণত হন শেখ মুজিব। ৫২, ৫৪, ৫৬, ৫৮ সালের দিনগুলোতে রাজনীতিতে তার দৃপ্ত পদচারণা। ছাত্রনেতা থেকে হয়ে ওঠেন আওয়ামী লীগের কাণ্ডারী। পাড়ি দেন আন্দোলন-সংগ্রামের বন্ধুর পথ।

৬২-৬৪ পেরিয়ে ১৯৬৬ সালে ৬ দফা প্রস্তাব দিয়ে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে আসেন বঙ্গবন্ধু। ৬ দফা হয়ে যায় বাঙালির মুক্তিসনদ। ৬৮-তে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে দমানোর চেষ্টা চলে। তাতেই ৬৯-এর গণঅভ্যুথ্থানের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ। আর ৭০ -এর নির্বাচনে জয়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ইয়াহিয়া টালবাহানা শুরু করলে অনিবার্য হয়ে পড়ে স্বাধীনতা সংগ্রাম বলে জানান অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ

আসে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ। রাজধানীর রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের সমাবেশে বঙ্গবন্ধু ডাক দেন স্বাধীনতার।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনী। চালায় বর্বর গণহত্যা। আর দেরি করেননি বঙ্গবন্ধু। বাংলাদেশকে ঘোষণা করেন একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।সেই রাতেই পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। একাত্তরের নয় মাস তার নামেই স্বাধীনতার যুদ্ধ চালিয়ে যায় পুরো জাতি। ১৬ ডিসেম্বর আসে চূড়ান্ত বিজয় বলেন অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম।

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু। বাংলার অবিসংবাদিত নেতা নেমে পড়েন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের কাজে। কিন্তু পরাজিত শক্তি পিছু ছাড়েনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে কতিপয় কুচক্রী রাজনীতিকের সহযোগিতায় কিছু কুচক্রী সেনাকর্মকর্তা নির্মমভাবে হত্যা করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি ও তার পরিবারের প্রায় সব সদস্যকে।

যার নামের সঙ্গে একাকার বাংলা, বাঙালি আর বাংলাদেশ, তার অনুরন প্রতি নিঃশ্বাসে। যতদিন এই দেশ, যতদিন এই লাল-সবুজের পতাকা, ততদিন ধ্রুবতারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বাঙালি জাতির প্রতিটি মহৎ, শুভ ও কল্যাণকর অর্জনে আওয়ামী লীগের ভূমিকা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি: ফখরুল

স্বাস্থ্য বীমা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহবান প্রধানমন্ত্রীর

সেনাবাহিনীকে সব সময় জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

এসএসএফ’কে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সিআইসিএ’র সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি

সর্বশেষ খবর

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিদায় করে নিজেদের আশা বাঁচিয়ে রাখল পাকিস্তান

সুবর্ণচরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জলদস্যু বাহিনী প্রধান নিহত

কুলাউড়ায় ট্রেনের বগি খালে পড়ে নিহত ৪, আহত ২৫০