জাতীয়

মঙ্গলবার, ২০ মার্চ, ২০১৮ (১৬:৩১)
নেপালে বিমান বিধ্বস্ত

আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা সম্পন্ন, মরদেহ হস্তান্তর

আর্মি স্টেডিয়াম

কাঠমাণ্ডুতে প্লেন দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ জনের মরদেহের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। নেপালের বাংলাদেশ দূতাবাসে নিহতদের প্রথম ও বাংলাদেশে বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জানাজা শেষে মরদেহগুলো পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে কাঠমান্ডুতে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৬ জনের মধ্যে ২৩ বাংলাদেশির মরদেহ নিয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি কার্গো বিমান হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি-১ পার্কিংয়ে অবতরণ করে।

বিমানবন্দর থেকে মরদেহগুলো নিয়ে যাওয়া হবে আর্মি স্টেডিয়ামে।সেখানে নামাজে জানাজা শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে স্বজনদের কাছে। উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।ৱ

এর আগে সকালে নেপালের কাঠমাণ্ডুতে প্লেন বিধ্বস্তে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ২৩ জনের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। এতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন নেপাল সরকারের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরাও। পরে মরদেহ এখন ত্রিভু্বন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেয়া হয় এবং সেখান থেকে প্লেনযোগে বাংরাদেশে নিয়ে আসা হয়।

আর ইউএস-বাংলার একটি এয়ারক্র্যাফটে করে তাদের স্বজনদের দেশে পৌঁছানো কথা রয়েছে।

সোমবার সকালে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ২৩ জনের মরদেহ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিশেষ বিমানে বিকেল ৩টায় ঢাকায় আনা হবে। ৪টায় আর্মি স্টেডিয়ামে সম্পন্ন হবে তাদের জানাজা।

জানা যায়, জানাজার পর মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গত ১২ মার্চ ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণকালে বিধ্বস্ত হয় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। এতে নিহত হন ৪৯ জন। যাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। ময়নাতদন্ত সাপেক্ষে এদের মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। অবশিষ্ট তিন মরদেহ শনাক্ত করারও প্রক্রিয়া চলছে।

যে ২৩ জনের মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে, তারা হলেন- উম্মে সালমা, আঁখি মনি, বেগম নুরুন্নাহার ও শারমিন আক্তার, নাজিয়া আফরিন ও এফ এইচ প্রিয়ক, -বিলকিস আরা, আখতারা বেগম, মো. রকিবুল হাসান, মো. হাসান ইমাম, মিনহাজ বিন নাসির, তামারা প্রিয়ন্ময়ী, মো. মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহারা তানভীন শশী রেজা, অনিরুদ্ধ জামান, রফিক উজ জামান এবং পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশিদ, খাজা সাইফুল্লাহ, ফয়সাল, সানজিদা ও নুরুজ্জামান।

যে তিন বাংলাদেশির মরদেহ শনাক্ত করা যায়নি, তারা হলেন- নজরুল ইসলাম, পিয়াস রায় ও আলিফুজ্জামান। তাদের ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে।

আজ সোমবার কবির হোসেন নামে অপর যাত্রীকে দেশে আনা হবে।

মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনায় আহত হন ১০ বাংলাদেশি। এদের মধ্যে ডা. রেজওয়ানুল হক শাওন ও ইমরানা কবির হাসি নামে দু’জনকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকায় আনা হয়েছে শাহীন ব্যাপারি, মেহেদী হাসান, তার স্ত্রী কামরুন নাহার স্বর্ণা, আলমুন নাহার অ্যানি, শেহরিন ও শেখ রাশেদ রুবায়েতকে। বাকি দু’জনের মধ্যে ইয়াকুব আলীকে দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে

মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন পক্ষপাতমূলক: ইনু

ত্রিভুবনে বিমান দুর্ঘটনা: কিছু অসংগতি রয়েছে নেপালের তদন্ত প্রতিবেদনে

চিকিৎসকদের পরামর্শে খালেদা জিয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে: কামাল

তারেককে দেশে ফেরাতে চেষ্টা করছি: শেখ হাসিনা

তারেককে ফেরাতে আলোচনা চলছে: আইনমন্ত্রী

ভারত সফরে তিস্তাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হবে: ওবায়দুল

খালেদা জিয়ার মুক্তি শর্তে নির্বাচন নয়: ইনু

সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া আহ্বান

মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন পক্ষপাতমূলক: ইনু

তারেককে ফেরাতে আলোচনা চলছে: আইনমন্ত্রী

এ মাসের শেষের দিকে কালবৈশাখী ঝড়- বৃষ্টি বাড়তে পারে

ভূগোলের কালকের প্রশ্ন আজ কেন্দ্রে-পরীক্ষা স্থগিত- ১৪ মে ২য়পত্র