সদ্য পাওয়া
Desh TV Logo জাতীয়: ইসলামের নামে নিরীহ মানুষ হত্যা সহ্য করা হবে না: প্রধানমন্ত্রী; হজ কার্যক্রম-২০১৭’র উদ্বোধন Desh TV Logo ৭ মেহেরপুরে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী Desh TV Logo বিএনপি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাইলেও বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে পরিবেশ বিষিয়ে তুলছে: ওবায়দুল কাদের Desh TV Logo ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পাহাড় ধসে দুই শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু; ভূমিধস বন্ধে সব বিভাগের সমন্বয়ে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের Desh TV Logo সড়ক দুর্ঘটনায় সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে নিহত ৩ Desh TV Logo আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযানে নড়াইল ১০ মাদক ব্যবসায়ীসহ ৩২ জন ও রাজবাড়ীতে ৪৮ জন আটক Desh TV Logo আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য হলেন আব্দুল মতিন খসরু, আইন সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম Desh TV Logo আন্তর্জাতিক: পদত্যাগ করলেন হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার; সারাহ হাকাবি স্যান্ডার্স নতুন প্রেস সেক্রেটারি Desh TV Logo আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, ৩ ফিলিস্তিনি নিহত, আহত কয়েক শতাধিক; রামাল্লায় ছুরিকাঘাতে ৩ ইসরায়েলি নিহত Desh TV Logo সংকট নিরসনে প্রতিবেশী আবর দেশগুলোকে আলোচনার আহ্বান কাতারের আমিরের Desh TV Logo ইয়েমেনে কলেরা মহামারি, গত তিন মাসে আক্রান্ত ৩ লাখ ৬০ হাজার Desh TV Logo বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের Desh TV Logo খেলা: ফুটবল: ইউরো নারী চ্যাম্পিয়নশিপ: ইতালিকে ২-১ গোলে হারিয়েছে জার্মানি, রাশিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছে সুইডেন Desh TV Logo ক্লাব রেকর্ড ৬০ মিলিয়ন ইউরোতে রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকার আলভারো মোরতার সঙ্গে চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সারলো চেলসি Desh TV Logo দেশ টিভির সংবাদ দেখুন সকাল সাড়ে ৭টা, ১০টা, বেলা ১২টা, দুপুর ২টা, বিকাল ৪টা, সন্ধ্যা ৭টা, রাত ৯টা, ১১টা এবং ১টায়

প্রকৃত ইতিহাস-বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে শিশুদের শিক্ষার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ, ২০১৭ (১৭:৫০)
দেশের-প্রকৃত-ইতিহাস-বঙ্গবন্ধুর-সংগ্রামী-জীবন-সম্পর্কে-শিশুদের-শিক্ষা-দেয়ার-আহ্বান-প্রধানমন্ত্রীর

শেখ হাসিনা

দেশের প্রকৃত ইতিহাস এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে শিশুদের শিক্ষা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি শিশুদের প্রকৃত শিক্ষায় দিক্ষিত এবং আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে দলমত-নির্বিশেষে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দেয়া আজ- বৃহস্পতিবার এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার প্রিয় মাতৃভূমিকে শিশুদের জন্য নিরাপদ আবাসভূমিতে পরিণত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। তাই প্রত্যেক শিশুর মনে দেশপ্রেম জাগ্রত করে তাদের ব্যক্তিত্ব গঠন, সৃজনশীলতার বিকাশ এবং আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং দেশের সকল শিশুসহ দেশবাসীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গোপালগঞ্জ জেলার নিভৃত টুঙ্গিপাড়ায় ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ প্রখ্যাত শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতার নাম বেগম সায়রা খাতুন। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। বাল্যকাল থেকেই বঙ্গবন্ধু ছিলেন নির্ভীক, দয়ালু এবং পরোপকারী। স্কুলে পড়ার সময়েই নেতৃত্বের গুণাবলী ফুটে উঠে তাঁর মধ্যে। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেন বাংলার আবাল-বৃদ্ধ-বণিতার অধিকার আদায়ের শেষ আশ্রয়স্থল।

প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন এই বিশ্বনেতার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের মূল লক্ষ্য ছিল বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করা এ কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়েও নেতৃত্ব দেন।

প্রধানমন্ত্রী বাণীতে উল্লেখ করেন, ১৯৪৮ সালে তাঁর প্রস্তাবে ছাত্রলীগ, তমদ্দুন মজলিশ ও অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত হয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট পালনকালে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত তিনি বারবার কারারুদ্ধ হন। কখনও জেলে থেকে কখনও জেলের বাইরে থেকে জাতির পিতা ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির বিয়োগান্তক ঘটনার সময় বঙ্গবন্ধু অন্তরীণ অবস্থা থেকে দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৫৮ সালের আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ’৬২’র শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলন, ’৬৬’র ছয় দফা, ’৬৮’র আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ’৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ’৭০’র নির্বাচন এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ জাতির পিতার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার ঐন্দ্রজালিক নেতৃত্ব এবং সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব সমগ্র জাতিকে একসূত্রে গ্রথিত করেছিল। যার ফলে ‘আমরা পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। বিকাশ ঘটেছে বাঙালি জাতিসত্তার’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু বাঙালি জাতিরই নয়, তিনি ছিলেন বিশ্বের সকল নিপীড়িত-শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায় ও মুক্তির অগ্রনায়ক। তিনি যখন স্বাধীন বাংলাদেশের পুনর্গঠন কাজে আত্মনিয়োগ করেন, তখন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাঁকে সপরিবারে হত্যা করে। এর মধ্যদিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দেয়া হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ’৭৫-পরবর্তী অবৈধ সামরিক সরকারগুলো বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধানকে ক্ষত-বিক্ষত এবং স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিতে পুনর্বাসন করে। জনগণ ভাত ও ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা হয়।

বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করার মধ্যদিয়ে বাঙালি জাতি আজ দায়মুক্ত হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, একাত্তরের মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায়ও কার্যকর করা হচ্ছে। স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী শক্তির সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

শেখ হাসিনা বলেন, শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর মমতা ছিল অপরিসীম। তাই তাঁর জন্মদিনকে শিশুদের জন্য উৎসর্গ করে আমরা ‘জাতীয় শিশু দিবস’ ঘোষণা করেছি। এদিনে আমি মহান আল্লাহর কাছে জাতির পিতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং আগামীদিনের কর্ণধার শিশু-কিশোরদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

তিনি বলেন,‘আসুন, শিশুদের কল্যাণে আমাদের বর্তমানকে উৎসর্গ করি। সবাই মিলে জাতির পিতার অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তুলি। আজকের দিনে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’ সূত্র বাসস।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

Desh Television দেশটিভিতে আজকের অনুষ্ঠান

পুরনো সংবাদ

শুক্র
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
 
০১
০২
০৩
০৪
০৫
০৬
০৭
০৮
০৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০
৩১