জাতীয়

বুধবার, ১১ জানুয়ারী, ২০১৭ (১৩:৪১)

গণতন্ত্রে পারস্পরিক আস্থা বিশ্বাস জরুরি: রাষ্ট্রপতি

গণতন্ত্রে-পারস্পরিক-আস্থা-বিশ্বাস-জরুরি-রাষ্ট্রপতি

আবদুল হামিদ

নির্বাচন কমিশন-ইসি পুনর্গঠন নিয়ে এখন পর্যন্ত ২১টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

বুধবার বঙ্গভবনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপ হবে, এরই মধ্যে নানা প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে রাজনৈতিক দলগুলো।

নির্বাচন কমিশন গঠনে স্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে আইন প্রণয়নের প্রস্তাব উঠে আসে বেশ কয়েকটি দলের কাছ থেকে।

রাষ্ট্রপতি জানান, যে কোনো আলোচনা সমস্যা সমাধানে বহুমুখী পথ দেখায়।

তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রে পারস্পরিক আস্থা বিশ্বাস জরুরি।

নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় সংলাপের ডাক পায়নি জামাত।

নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে, সংসদের বাইরে থাকা দেশের বৃহত্তর দল বিএনপির সঙ্গে আলোচনার মধ্যদিয়ে গত ১৮ ডিসেম্বর শুরু হয় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বহুল আলোচিত সংলাপ। ওইদিন বঙ্গভবনে দেড় ঘণ্টার আলোচনায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল তাদের পূর্বঘোষিত ১৩ দফা প্রস্তাবনা রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেছে।

এরপর গত ২৪ দিনে নিবন্ধিত ২১টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন রাষ্ট্রপতি। আলোচনায় জাতীয় পার্টি নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরে ৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছে রাষ্ট্রপতিকে। জেএসডিও স্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে আইন প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছে। আইন অনুযায়ী 'সিলেক্ট কমিটি' গঠনের প্রস্তাব দেয় সিপিবি। আর গণফোরামের প্রস্তাবে সার্চ কমিটি গঠনের উল্লেখ থাকে যেখানে নারী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের পরামর্শ দেয়া হয়। জাসদ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সংবিধানের মূলনীতিতে আস্থাশীল ব্যক্তিদের নিয়ে সার্চ কমিটি গঠনের ৭ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছে। এ আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠনের রূপরেখা বের হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।

বুধবার বিকালে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেবে আওয়ামী লীগ। দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল দুপুরের পর বঙ্গভবন যাবে। বিকেল ৪টায় শুরু হবে আলোচনা।

সংলাপ শেষে রাষ্ট্রপতি 'সার্চ কমিটি' গঠন করবেন— এ কমিটিই নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে।

সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন গঠনের এখতিয়ার শুধুমাত্র রাষ্ট্রপতির। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে ২০১২ সালে প্রথম রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেন ওই সময়ের রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান। পরে সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করেন। যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে এ বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

নির্বাচনে আসা সব দলের অধিকার: ওবায়দুল কাদের

বিশ্ব ইজতেমায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয়-শেষ পর্ব শুরু

সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের বিচার না হওয়ার দায় সরকারের

আরও খবর

নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা

রংপুরে আগুন পোহাতে গিয়ে ৩ দিনে ৭ জনের মৃত্যু

ফ্রেডিরিকের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত ইউরোপ

রুবেলের উইকেট সেঞ্চুরি

লেগানেসের বিপক্ষে জয় পেল রিয়াল মাদ্রিদ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস ভারতের

নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার শর্ত ঠিক করছে রোহিঙ্গারা

সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের বিচার না হওয়ার দায় সরকারের

কুড়িগ্রামসহ কয়েকটি জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত

যশোরে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চার জন নিহত