সদ্য পাওয়া
Desh TV Logo জাতীয়: ঈদের শুভেচ্ছা, রমজানে দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ, উচ্ছ্বাস-আনন্দ আর অনাবিল খুশির এক উৎসব Desh TV Logo দেশবাসীকে ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা Desh TV Logo শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া Desh TV Logo দেশ টিভির সংবাদ দেখুন সকাল সাড়ে ৭টা, ১০টা, বেলা ১২টা, দুপুর ২টা, বিকেল ৪টা, সন্ধ্যা ৭টা, রাত ৯টা, ১১টা এবং ১টায়

জিএসপির পেছনে না দৌঁড়ে নতুন বাজার খুঁজে বের করুন

চামড়াজাত পণ্যকে ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
রবিবার, ০১ জানুয়ারী, ২০১৭ (১৭:০৩)
চামড়াজাত-পণ্যকে-‘প্রোডাক্ট-অব-দ্য-ইয়ার’-ঘোষণা-প্রধানমন্ত্রীর

শেখ হাসিনা

জিএসপির পেছনে না দৌঁড়ে নতুন নতুন বাজার খুঁজতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, নতুন বাজার খুঁজে ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের ক্ষেত্র প্রসারিত করতে হবে।

বাজার সৃষ্টি করতে হবে প্রতিবেশি দেশগুলোর পাশাপাশি নিজের দেশের মধ্যেও—এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে নতুন পণ্য রপ্তানির উদ্যোগ নিতে হবে ব্যবসায়ীদের।

নতুন বছরের প্রথমদিনে চামড়াজাত পণ্যকে জাতীয়ভাবে ২০১৭ সালের ‘বার্ষিক পণ্য—’ ঘোষণা করে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলার২২তম আসরের উদ্বোধন এবং রপ্তানী ট্রফি প্রদান করেন তিনি।

এ সময় তিনি বলেন, এ পণ্যকে সব ধরনের সহযোগিতা ও প্রণোদনা দেয়ার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত সাড়ে চার দশকে দেশের চামড়া খাতের রপ্তানি প্রায় ৭১ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে আর গত অর্থবছরে এ খাত থেকে আয় হয়েছে ১১৬০ বিলিয়ন ডলার। চামড়া পণ্যের বাজারে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর চামড়াজাত পণ্য এখন বাংলাদেশেই প্রস্তুত হয়— এ পণ্যে প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য-সংযোজন সম্ভব হয়েছে।

উদীয়মান এ খাতের অন্তর্নিহিত সকল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ২০১৭ সালের জন্য চামড়া ও পাদুকাসহ চামড়াজাত পণ্যকে জাতীয়ভাবে বার্ষিক পণ্য বা ‘প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার’ ঘোষণা করছি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) এ যৌথ আয়োজনে বাংলাদেশসহ ২১টি দেশের ব্যবসায়ীরা অংশ নিচ্ছেন এ মেলায়।

মাসব্যাপী এ মেলায় এবার ১৩টি ক্যাটাগরিতে মোট ৫৭৭টি প্যাভিলিয়ন ও স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে— এর মধ্যে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের স্টল রয়েছে ৪৮টি।

২০১৩-১৪ অর্থবছরে পণ্যখাতে সর্বোচ্চ রপ্তানী আয়ের জন্য ‘জাবের এন্ড জুবায়ের ফ্রেব্রিক্স’কে জাতীয় স্বর্ণ ট্রফি প্রধান করা হয়। প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম রফিকুল ইসলাম নোমান প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করেন।

৬৬টি রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠানকে ২০১৩- ১৪ অর্থবছরের জন্য জাতীয় রপ্তানী ট্রফি ও সনদ প্রদান করা হয়।

২০১৩-১৪ অর্থবছরের পণ্য ও সেবাখাতে ২৯টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ, ২২টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে রৌপ্য এবং পণ্যখাতে ১৫টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ব্রোঞ্জ ট্রফির প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মাফরুহা সুলতানা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বাণিজ্য মেলার স্থায়ী আয়োজনে সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন, ‘পূর্বাচলে ৬০ বিঘা জমির উপর স্থায়ী বাণিজ্য মেলা কেন্দ্র তৈরির কাজ শিগগিরই শুরু হবে। চীনের অর্থায়নে আগামী ২০১৯ নালে এটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে।’

তোফায়েল আহমেদ জানান, এ বছর ২১টি দেশ (বাংলাদেশসহ) মেলায় অংশ নিচ্ছে। মেলায় বাংলাদেশ ছাড়া যে সকল দেশের প্রতিষ্ঠানসমূহ অংশগ্রহণ করছে সেগুলো হলো- ভারত, পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, দক্ষিণ কোরিয়া, মরিশাস, নেপাল, হংকং, জাপান, ভূটান, বাহরাইন, ভিয়েতনাম এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।

গতকাল শনিবার ২২তম বাণিজ্য মেলা আয়োজন বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জানান, ১৩ লাখ ৭৩ হাজার বর্গফুট আয়তনের এবারের মেলাস্থল। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। এবারের মেলায় প্রবেশ মূল্য ধরা হয়েছে (পূর্ববর্তী ৩ বছরের মতো) প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য জনপ্রতি ৩০ টাকা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য জন প্রতি ২০ টাকা।

এবার বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্টল-প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫৮০টি। মেলা মাঠে ১টি ই-শপ, ২টি শিশু পার্ক, ৩টি রক্তসংগ্রহ কেন্দ্র, ৩টি মা ও শিশু কেন্দ্র এবং ১টি প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মাঠের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন স্পটে বাগান তৈরি করা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে মুসল্লিদের নামাজ পড়ার জন্য ১টি মসজিদ এবং আনসার ও বেসরকারি সিকিউরিটি ফোর্স সদস্যদের জন্য ২টি ডরমেটোরি স্থাপন করা হয়েছে।

তোফায়েল আহমেদ জানান, বাণিজ্যমেলা থেকে ২০১০ সালে ২২ কোটি ৮৬ লাখ টাকার, ২০১১ সালে ২৫ কোটি টাকার, ২০১২ সালে ৪৩ কোটি ১৮ লাখ টাকার, ২০১৩ সালে ১৫৭ কোটি টাকার, ২০১৪ সালে ৮০ কোটি টাকার, ২০১৫ সালে ৮৫ কোটি টাকার এবং ২০১৬ সালে ২৩৫ কোটি ১৭ লাখ টাকার রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে। ২০১৭ সালের বাণিজ্যমেলায় রপ্তানি আদেশ আরো বেশি পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি বিজিবি, র্যা ব, আনসার এবং বেসরকারি সিকিউরিটি ফোর্স মোতায়েন থাকবে। গত মেলার মতো এবারও মেলায় ১৪০টি সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

Desh Television দেশটিভিতে আজকের অনুষ্ঠান
  • সোজা কথা

    সোজা কথা

    সরাসরি সম্প্রচার

    রবি থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১১.৪৫

  • দূরপাঠ

    দূরপাঠ

    সরাসরি সম্প্রচার

    রবিবার থেকে বৃহস্পতি বিকেল ৫টায়

  • টোটাল স্পোর্টস

    টোটাল স্পোর্টস

    অনুষ্ঠান

    প্রতিদিন রাত ১২.৩০

পুরনো সংবাদ

শুক্র
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
 
 
 
 
 
 
০১
০২
০৩
০৪
০৫
০৬
০৭
০৮
০৯
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০