স্থানীয়/জনপদ

বৃহস্পতিবার, ০১ নভেম্বর, ২০১৮ (১৫:৪১)

সংলাপ ফলপ্রসূ হবে না: এরশাদ

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপ ফলপ্রসূ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুরে একদিনের সফরে এসে পর্যটন মোটেলে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তাদের সাত দফা দাবির কোনোটিও মানা সম্ভব নয়। তারা শেখ হাসিনার পদত্যাগ চান, সংসদ ভেঙে দিতে চান, এসব দাবির কোনোটিই মেনে নেয়া সম্ভব নয়। ফলে সংলাপ ব্যর্থ হবে।

তিনি সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্ন করেন, শেখ হাসিনা কি পদ্যত্যাগ করবেন? এ রকম অনেক অসাংবিধানিক দাবি তারা করেছে যা কোনোভাবেই মেনে নেয়া সম্ভব নয়।

এদিকে, আওয়ামী লীগ বলেছে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে কিন্তু জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট চেয়েছে সংবিধানের বাহিরের অনেক কিছু।

বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেয়া সম্পর্কে এরশাদ বলেন, খালেদা জিয়া জেলে, তারেক রহমান দেশের বাহিরে। দলে নেতৃত্ব দেবে কে- এই প্রশ্ন এখন সবার মনে। ফখরুলকে দেখি ঐক্যজোটের সঙ্গে। ড. কামাল বিএনপির নেতৃত্ব দিতে পারেন না। বিএনপি এখনও বলেনি তারা নির্বাচনে অংশ নেবে কি না।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার নিয়ে এরশাদ বলেন, ইভিএম পরীক্ষিত নয় এটি আমরা সন্দেহের চোখে দেখি। ইভিএম দিলে কারচুপির ঘটনা ঘটতে পারে—তাই জাতীয় পার্টি এর পক্ষে নেই।

নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার সংক্রান্ত অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে এরশাদ বলেন, ‘ইভিএম সম্পর্কে আমি প্রথম থেকে আপত্তি জানিয়ে আসছি। কারণ ইভিএমের মাধ্যমে ভোট হলে সেই ভোটে কারচুপি করা সম্ভব। সে কারণে আমি আবারো ইভিএম ব্যবহার না করার জন্য সরকারকে অনুরোধ জানাবো।’

তিনি বলেন, দেশে এখন যতই রাজনৈতিক দল থাকুক না কেন একমাত্র জাতীয় পার্টি আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষমতা রাখে আর বিএনপি নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। ফলে আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে। তবে আগামী নির্বাচনও অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে কিনা সে নিয়ে সংশয় রয়েছে।

আগামী ৫ নভেম্বর আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাতীয় পার্টির সংলাপের ব্যাপারে এরশাদ বলেন, আমি একাই আওয়ামী লীগ নেত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করব এটা ঠিক সংলাপ নয়। কোন আসন চাইতে হবে, কোনটা চাইতে হবে না সেটা আমার চেয়ে ভালো কেউ জানে না।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন আমরা চাই সেটা হবে কি না আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। এখন জাতীয় পার্টি ছাড়া আর অন্য কোন বৃহৎ দল নেই। যেসব ছোট দল আছে তাদের দ্বারা সরকার গঠন বা পতন সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে রয়েছে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি।

রংপুরের ৬টি সংসদীয় আসন সম্পর্কে এরশাদ বলেন, রংপুরের ৬টি আসনের মধ্যে ৪টি আওয়ামী লীগের দখলে রয়েছে। আমরা আসনগুলো ফেরত চাইবো। রংপুরের আসনে হাত দিতে দেব না। জোটগত নির্বাচনে যেখানে লাঙ্গল থাকবে সেখানে নৌকার প্রার্থী থাকতে পারে না। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা বৈঠক করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, প্রেসিডিয়াম সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর খালেদ আক্তার, জাপা নেতা মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল, মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির আহমেদ, অ্যাড. মোকাম্মেল হোসেন চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

বিএনপির সংকট অভ্যন্তরে: কাদের

নড়াইল-জামালপুরে সংঘর্ষে ৩ জন নিহত

টঙ্গীতে তাবলিগ জামাতের দুইপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা

গাজীপুরে বাসের সঙ্গে লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৫

প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে ইজতেমা ময়দান

সব আসনেই খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বাতিল

শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ

পাবনায় ট্রলিচাপায় মা-মেয়ের মৃত্যু

সর্বশেষ খবর

আ’লীগ প্রার্থী ২৫৮টি আসনে, নৌকা মার্কায় ভোট ২৭২টিতে

প্রত্যাহার: জাতীয় ঐক্য দিল ২৬ প্রার্থী, আ’লীগ স্পষ্ট করেনি

বিএনপির সংকট অভ্যন্তরে: কাদের

পাকিস্তান দূতাবাসে ফখরুলের বৈঠক ষড়যন্ত্রের অংশ: আ’লীগ