মূল লক্ষ্য আবারো ৪০০ কাউন্টের মসলিন তৈরির

রবিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬ (১৫:১১)
মূল-লক্ষ্য-আবারো-৪০০-কাউন্টের-মসলিন-তৈরির

মসলিন

আবারো দেশের সামনে হাতছানি দিচ্ছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী মসলিনের সোনালি যুগ— দীর্ঘ দুই বছর গবেষণার পর দৃক এখন উৎপাদন করছে ৩০০ কাউন্টের মসলিন সুতা। বাংলাদেশি গবেষকদের মূল লক্ষ্যও আবারো ৪০০ কাউন্টের মসলিন তৈরি করার।

মোঘল আমলের সবচেয়ে ভাল মানের ৪০০ কাউন্টের মসলিন উৎপাদনেও সফল হওয়ার আশা করছেন দৃকের গবেষকরা।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মসলিনের মেধাসত্ব নিজেদের করে নিতে পারলে বাণিজ্যিকভাবেও এর উৎপাদন লাভজনক হবে বলে মনে করছেন সেন্টার ফর পলিসির-সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তাফিজুর রহমান।

রোববার সকালে জাতীয় যাদুঘরে মসলিন পুনরুদ্ধার এবং সরকারি নীতি নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চলতি বছরের প্রথম দিকে ঢাকার অদূরে রুপগঞ্জে বেসরকারি সংগঠন দৃক হারিয়ে যাওয়া মসলিন কাপড় তৈরি শুরু করে। মোঘল আমলে মসলিনের সুতা উৎপাদনে যে ফুটি কার্পাস ব্যবহার করা হতো,তার সন্ধান না পেলেও ৩০০ কাউন্টের মসলিনটি উৎপাদনে ব্যবহার করা হয়েছে বিকল্প জাতের ফুটি কার্পাস।

জাতীয় জাদুঘরে মসলিন প্রদর্শনীতে যেসব মসলিন কাপড় রাখা হয়েছে তা তৈরি হয়েছে মোঘল আমলে ১৮০০ সালেরও আগে।

বিশ্বের বিভিন্ন যাদুঘর এবং ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে ধার করে আনা এসব মসলিনের মান ২৫০ থেকে ৪০০ কাউন্ট পর্যন্ত। মোঘল আমলে যার কদর ছিল সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশি গবেষকদের মূল লক্ষ্যও আবারো ৪০০ কাউন্টের মসলিন তৈরি করার।

এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় মসলিন পুনরুদ্ধারে সবার আগে এর মেধাসত্ব নিজেদের করে নেওয়ার ওপর জোর দেন বক্তারা। আর তা করতে পারলে, হারিয়ে যাওয়া মসলিনের গৌরব ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি আর্ন্তজাতিক বাজার দখল করা যাবে বলে তারা মনে করেন।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

শুরু হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রবারণা উৎসব

দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গাকে বিসর্জনে ভক্তদের মাঝে একদিকে আনন্দ অন্যদিকে বেদনা

মহাঅষ্টমী: মণ্ডপে মণ্ডপে হয়ে গেল কুমারি পূজা

মহাসপ্তমী: ঢাকের বাদ্য-শঙ্খ-উলুধ্বনিতে উৎসবমুখর পূজামণ্ডপ

মহাষষ্ঠীতে আচার-অর্চনায় দেবীর আনুষ্ঠানিক অধিষ্ঠান মণ্ডপে মণ্ডপে

ষষ্ঠীর মধ্যদিয়ে শুরু শারদীয় দুর্গাপূজা