আন্তর্জাতিক

ksrm

শুক্রবার, ০৯ মার্চ, ২০১৮ (১৬:২৭)

স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

নিরাময় অযোগ্য রোগের ক্ষেত্রে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিয়েছে ভারতে সুপ্রিম কোর্ট।

সেইসঙ্গে নাগরিকদের চাইলে ভবিষ্যতে লাইফ সাপোর্টে বেঁচে থাকতে চান না মর্মে উইল করার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

আদালত যাকে ‘লিভিং উইল’ বলে বর্ণনা করেছে। তবে কে বা কারা স্বেচ্ছা মৃত্যুর অনুমতি দিতে পারবে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানায়, ওয়াশিংটনভিত্তিক ‘কমন কজ’ নামে একটি এনজিওর আবেদনের ভিত্তিতে শুক্রবার ভারতের সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দিয়েছে।

পিটিশনে বলা হয়, একজন ব্যক্তির নিজের শরীরের ওপর অত্যাচার প্রতিরোধের অধিকার নেই, এ কথা আপনি কিভাবে বলতে পারেন? বেঁচে থাকার অধিকারের মধ্যেই সম্মানের সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার অন্তর্নিহিত। যন্ত্রের সাহায্যে (ভেন্টিলেশন) কাউকে বেঁচে থাকতে বাধ্য করা যায় না। একজন ব্যক্তিকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখার অর্থ তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বেঁচে থাকতে বাধ্য করা।

শুক্রবার ওই পিটিশনের রায়ের শুরুতে বলা হয় ‘মানুষের সম্মানের সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার আছে’। যদিও বিচারকরা এ ক্ষেত্রে চারটি আলাদা মত দিয়েছেন। তবে তারা সবাই ‘লিভিং উইল’ এর অনুমতি দেয়া উচিত বলে একমত হয়েছেন।

যদি ভবিষ্যতে কোমায় চলে গেলে কেউ আর বেঁচে না থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তবে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে তার জীবন টেনে নেয়া উচিত না বলে আমাদের মত।”

‘লিভিং উইল’ কার্যকরের ক্ষেত্রেও আদালত থেকে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কে বা কারা লিভিং উইল কার্যকরের অনুমতি দিতে পারবে তা সুনির্দিষ্ট করে দেওয়ার পাশাপাশি ‘কোমায়’ চলে যাওয়ার পর কোনো রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে নাকি উঠবে না সে বিষয়ে মেডিকেল বোর্ড বসিয়ে চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত নেয়ার কথাও বলা হয়েছে।

আর যদি কোনো রোগী ‘লিভিং উইল’ করে না যান এবং চিকিৎসকরা তার অসুস্থতা নিরাময় অযোগ্য বলে ঘোষণা করেন; কিন্তু রোগী নিজে সিদ্ধান্ত নেয়ার মত অবস্থায় না থাকেন তবে তার কোনো স্বজন উচ্চ আদালতে স্বেচ্ছা মৃত্যুর অনুমতি দেয়ার আবেদন করতে পারবেন। ওই আবেদনের ভিত্তিতে আদালত মেডিকেল বোর্ডকে তলব করে স্বেচ্ছা মৃত্যুর প্রয়োজনীয়তা জিজ্ঞাসা করবেন।

অরুণা শানবাগের স্বেচ্ছা মৃত্যুর আবেদনটি ছিল ভারতে এ ধরনের সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

১৯৭৩ সালে ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর অরুণা কোমায় চলে যান এবং ৪২ বছর পর ২০১৫ সালে তার মৃত্যু হয়।

২০১১ সালে সুপ্রিম কোর্ট অরুণাকে জোর করে খাওয়ানো বন্ধ করার নির্দেশ দেয়।

ভারতী দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারা অনুযায়ী আত্মহত্যার চেষ্টার সাজা সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

আবারো কলকাতায় ধসে পড়ল ফ্লাইওভার

মিয়ানমারের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপের অধিকার জাতিসংঘের নেই

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ

মালদ্বীপে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কড়া নজরদারী রাখছে ভারত- চীন

মিয়ানমারের বিচারে সক্ষম আইসিসি: জাতিসংঘ মহাসচিব

ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধলে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হবে: হাসান রুহানি

তাঞ্জানিয়ায় ফেরি ডুবির ঘটনায় ১৩৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার

ইরানে সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজ জঙ্গি হামলা, নিহত ২৪

বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যেতে আপত্তি নেই: ড. কামাল

খালেদা জিয়াকে মাইনাস করতে মাঠে নেমেছে বিএনপি

জাতীয় ঐক্য ‘জগাখিচুড়ি মার্কা ঐক্য, টিকবে না: কাদের

জাগিয়ে তুলতে হবে তরুণদের