সংবাদ

দগ্ধ মাইশাও চলে গেল না ফেরার দেশে

শুক্রবার, ০৮ জুলাই, ২০১৬ (১২:৫৫)
দগ্ধ-মাইশাও-চলে-গেল-না-ফেরার-দেশে

মাইশা ও তার পরিবার

রাজধানীর উত্তরায় ট্রপিক্যাল আলাউদ্দিন টাওয়ারে আগুনে দগ্ধ এগারো বছরের শিশু মেহনাজ হাসান মাইশাও দুই সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে মারা গেল।

শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের এইচডিইউতে (হাই ডেফিসিয়েন্সি ইউনিট) চিকিৎসাধীন ছিল সে।

তারা বাবা ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল হাসান রিপন ঘটনার পরদিনই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

শিশু মাইশা ভাই মুনতাকিনও দগ্ধ হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানান, শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মাইশা (১০) বছর বয়সী শিশুটির মৃত্যু হয়। তাকে নিয়ে মোট সাত জনের মৃত্যু হল উত্তরার ওই দুর্ঘটনায়।

তিনি বলেন, মাইশার শরীরের ৫৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। একই দুর্ঘটনায় দগ্ধ তার আট মাস বয়সী ছোট ভাই মোস্তাকিমও এখানে চিকিৎসাধীন। তার শরীরের ২৩ শতাংশ পুড়েছে। সাধারণত কোনো শিশুর শরীরের ১০ শতাংশ পুড়লেই তা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়।

গত ২৪ জুন উত্তরার আলাউদ্দিন টাওয়ারের লিফট ছিঁড়ে আগুনের সূত্রপাত হলে সেই আগুনে দগ্ধ হন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান রিপন ও তার দুই সন্তান মেহনাজ হাসান মাইশা ও নয় মাসের শিশুপুত্র মুনতাকিন হাসান।

সেদিনই তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরদিন ভোরে ৮৮ শতাংশ বার্ন হওয়া মাহমুদ মারা যান।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

রোহিঙ্গা শিশুদের স্বাস্থ্য রক্ষায় নিউট্রিশন অ্যাকশন সপ্তাহ শুরু

মানিকগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে স্বামী-স্ত্রী দগ্ধ

মহিউদ্দীনের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি

বেহাল দশা যশোরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, ভোগান্তিতে রোগীরা

শিশুদের নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে ভোলায়

ঢামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি স্থগিত