এই সেই রাজারবাগ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০১৪ (১৩:৪৯)
এই-সেই-রাজারবাগ-পুলিশ-মুক্তিযুদ্ধ-জাদুঘর

পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালীর ওপর যে বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, সেই পৈশাচিকতার প্রথম টার্গেট ছিল রাজারবাগ পুলিশ লাইন। পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আকস্মিক আক্রমণ প্রতিরোধে তাৎক্ষনিকভাবে পুলিশ সদস্যরা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও তা বেশিক্ষণ টেকেনি। গোলা-বারুদ ফুরিয়ে গেলে পুলিশ লাইন দখল করে নেয় হানাদার সেনারা। শহীদ হন ব্যারাকের কয়েকশ পুলিশ সদস্য।

পরে এখানেই স্থায়ী ক্যাম্প গড়ে তোলে পাকিস্তানিরা। পরবর্তী ৯ মাসে পুলিশ লাইন পরিণত হয় টর্চার সেল আর গণকবরে। শহীদদের স্মরণে এখানে নির্মাণ করা হয়েছে রাজারবাগ স্মৃতিসৌধ ও পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।

রাতভর চলে লুট-পাট। আর আটকে পড়া পুলিশ সদস্যদের ওপর চলে নির্যাতন, হত্যাযজ্ঞ। পুড়িয়ে দেয়া হয় পুলিশের হেড কোয়ার্টার। এক রাতেই রাজারবাগ পরিণত হয় মৃত্যুপুরীতে।

২৬ মার্চ সকালে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে রিপোর্ট করেন রাজারবাগে অভিযান চালানো পাকিস্তানি সেনারা। নির্দেশ অনুযায়ী ওইদিনই সকালে পুলিশ সদস্যদের লাশ ট্রাক ভরে বুড়িগঙ্গার তীরে নিয়ে ফেলে দেয়া হয় নদীতে।

মুক্তিযুদ্ধে রাজারবাগে শহীদ হওয়া পুলিশ সদস্যদের স্মরণে নির্মাণ করা হয় এই স্মৃতিসৌধ। ১১০০ শহীদ পুলিশ সদস্যের মধ্যে ৭শ ৫১ জনের নাম রয়েছে এ ফলকে।

২০১৩ সালে এরই পাশে প্রতিষ্ঠা করা হয় পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। একাত্তরের ২৫ মার্চ পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর আক্রমনের খবর পেয়ে বাজানো পাগলা ঘণ্টা, যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র, ডায়েরিসহ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া পুলিশ সদস্যদের ব্যবহৃত অনেক জিনিস রয়েছে এখানে।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

মোঘল স্থাপত্য শৈলীর অন্যতম নিদর্শন মুন্সিগঞ্জে ইদ্রাকপুর দুর্গ

আরেক ভাষা সংগ্রামী সিরাজুল ইসলাম

ভাষা আন্দোলনের সাহসী নারী লায়লা নূর

সাহসী এক নারী মুক্তিযোদ্ধা কনক মজুমদার

‘বাংলার টাইগ্রেস’ রিতা

শেরপুরের কাঁটাখালী গণহত্যা দিবস আজ