নির্বাচন

বুধবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৮ (১২:৩৬)

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে না: ইপি

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে না ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ডেমোক্রেসি সাপোর্ট ও ইলেকশন কোঅর্ডিনেশন গ্রুপ

বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে না ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ডেমোক্রেসি সাপোর্ট ও ইলেকশন কোঅর্ডিনেশন গ্রুপ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।

এ নির্বাচনপ্রক্রিয়া এবং এর ফলাফল নিয়েও কোনো মন্তব্য করবে না তারা।

গতকাল এক বিবৃতিতে ইপি তাদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে।

ইপির ডেমোক্রেসি সাপোর্ট অ্যান্ড ইলেকশন কো–অর্ডিনেশন গ্রুপের দুজন সহযোগী চেয়ারপারসন ডেভিড ম্যাকঅ্যালিসটার ও লিন্ডা ম্যাকএভান এই বিবৃতি দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইপি এই নির্বাচন (একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন) পর্যবেক্ষণ করবে না। এই নির্বাচনপ্রক্রিয়া এবং এর ফলাফল নিয়েও কোনো মন্তব্য করবে না। এ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন যাবে না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইপির কোনো সদস্যের এ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার বা নির্বাচনপ্রক্রিয়া নিয়ে কোনো মন্তব্য করার এখতিয়ার নেই। যদি কোনো সদস্য নির্বাচন বিষয়ে বিবৃতি দেন, তবে তা ইউরোপীয় পার্লামেন্ট বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মত বলে গ্রাহ্য হবে না।

ইউরোপীয় পার্লামেন্টে গত ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশ নিয়ে গৃহীত এক প্রস্তাবে নির্বাচনের বিষয়ে এ সংস্থার অবস্থান স্পষ্ট করা হয়।

আসন্ন ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচন ‘শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছতার সঙ্গে’ হবে বলে আশা প্রকাশ করে সেখানে সব রাজনৈতিক পক্ষকে ‘সহিংসতা ও উসকানির পথ’ পরিহারের আহ্বান জানানো হয়।

গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়, নির্বাচন হতে হবে এমনভাবে যাতে ‘জনগণের ইচ্ছার’ যথার্থ প্রতিফলন ঘটে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রীতি অনুযায়ী ইউরোপীয় পার্লামেন্ট কাউকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দিলে তারা ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সঙ্গেই কাজ করেন।

কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত অক্টোবরেই নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছিল, এবার তারা পূর্ণাঙ্গ কোনো পর্যবেক্ষক মিশন পাঠাবে না। কেবল দুজন বিশেষজ্ঞ নির্বাচন দেখতে বাংলাদেশে আসবেন।

ওই দুই বিশেষজ্ঞ ইতোমধ্যে ঢাকা পৌঁছেছেন। আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।

ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বিবৃতিতে পর্যবেক্ষক না পাঠনোর কোনো কারণ ব্যাখ্যা করা না হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনজি টিরিংক বাজেট না থাকার কথা জানান।

তিনি বলেন, আমাদের অংশীদার অনেক দেশই এখন চায়, ইউরোপী ইউনিয়নের মিশন তাদের ভোট পর্যবেক্ষণ করুক। এই অবস্থায় বাজেট অনুযায়ী ইইউকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, কোথায় পর্যবেক্ষক যাবে, আর কোথায় যাবে না।

এর আগে ২০০৬ সালে বাংলাদেশের নির্বাচন স্থগিত হয়ে গেলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক মিশনের সফর বাতিল করতে হয়েছিল।

আর বিএনপিসহ অধিকাংশ দলের বর্জনে ২০১৪ সালে অর্ধেকের বেশি আসনে একক প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। ওই নির্বাচনেও ইইউ পর্যবেক্ষক পাঠায়নি।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: চতুর্থ ধাপে ১২২টিতে ভোটগ্রহণ ৩১ মার্চ

উপজেলা নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হবে আশা সিইসির

প্রশ্নবিদ্ধ গণতন্ত্র নিয়ে দাঁড়াতে পারে না জাতি: মাহবুব তালুকদার

সংসদ নির্বাচন ছিলো রেকর্ডে রাখার মতো সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ: সিইসি

নির্বাচনে বড় দলগুলোর অংশগ্রহণ না করা হতাশাজনক: সিইসি

ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন: প্রচারণায় ব্যস্ত কাউন্সিলর প্রার্থীরা

কোনো দল-ব্যক্তির কাছে দায়বদ্ধ না থেকে কাজ করুন: সিইসি

সংরক্ষিত আসনের সব প্রার্থীই বৈধ

সর্বশেষ খবর

আসামে বিষাক্ত মদপানে ৮৪ শ্রমিকের মৃত্যু

চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি শোক প্রকাশ জাতিসংঘ মহাসচিবের

কেমিক্যালের গুদাম না সরানো দুঃখজনক: শেখ হাসিনা

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অনিশ্চিত মুশফিক