নির্বাচন

মঙ্গলবার, ১৫ মে, ২০১৮ (১৯:০২)

চমৎকার হয়েছে কেসিসি নির্বাচন: ইসি সচিব

নির্বাচন কমিশন

খুলনা সিটি করপোরেশনে-কেসিসি নির্বাচন চমৎকার হয়েছে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশন মনে করছে খুলনা সিটি করপোরেশনে চমৎকার নির্বাচন হয়েছে। সেখানকার ২৮৯ কেন্দ্রের মধ্যে ৩টি কেন্দ্রে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। বাকি ২৮৬টি কেন্দ্রে চমৎকার, সুন্দরভাবে, উৎসবের আমেজে ভোট হয়েছে।

বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, একটি রাজনৈতিক দল অভিযোগ করতেই পারে— বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

খুলনা সিটি করপোরেশন- কেসিসি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলে। শুরু হয়েছে ভোট গণনা।

এরপর পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রওয়ারি ফলাফল ঘোষণা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

ভোট গণনা শেষে জানা যাবে কে হচ্ছেন খুলনার পরবর্তী নগরপিতা।

এ নির্বাচনে দুটি ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোট নেয়া হয়েছে।

ওই দু'টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা হয়েছে।

পিটিআই জসিম উদ্দিন হোস্টেলের নীচতলা ইভিএম কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক ৫০৫ এবং বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৫১১ ভোট। অপর ২৪ নং ওয়ার্ডের সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক ২৭২ এবং বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ১৯৯ ভোট। দুটি কেন্দ্রের মোট ফলাফলে তালুকদার আবদুল খালেক পেয়েছেন ৭৭৭ ভোট এবং নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৭১০ ভোট।

খুলনার নির্বাচনে মেয়র পদে এবার পাঁচজন প্রার্থী।

আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক নৌকা এবং বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুজ্জাম্মিল হক হাতপাখা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মিজানুর রহমান বাবু (কাস্তে) এবং জাতীয় পার্টির এস এম শফিকুর রহমান (লাঙ্গল) মেয়র পদে লড়ছেন।

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ১৪৮ জন এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৫ জন নারী কাউন্সিলর পদে লড়ছেন। এবারের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। ভোট হবে ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রে। দুটি ওয়ার্ডের দুটি ভোটকেন্দ্রে ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। সেখানে মেয়র প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক এবং সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীকে বোতাম চেপে ইভিএমে ভোট দেবেন ভোটাররা।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেছিলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করার জন্য তাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে।

প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল ২৪ জন পুলিশ ও আনসার। সাধারণ কেন্দ্রগুলোর প্রতিটিতে ছিল ২২ জন করে। এর বাইরে পুলিশের ১১টি স্ট্রাইকিং দল (প্রতিটিতে ১০ জন করে), ৭০টি ভ্রাম্যমাণ দল (প্রতিটি ৭ জন করে), ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যা বের ৩২টি ভ্রাম্যমাণ দল, ৩১ জন নির্বাহী হাকিম এবং ১০ জন বিচারিক হাকিম দায়িত্ব পালন করেন।

নির্বাচন কমিশন বলছে, খুলনায় মোট ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৩৪টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ। আর ৫৫টি সাধারণ বা ঝুঁকিমুক্ত কেন্দ্র আছে।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

গাজীপুরে স্থগিত ৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে

সিটি নির্বাচনকে যেন কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে: ইসি

রাজশাহীতে বুলবুলের পথসভার কাছে বোমার বিস্ফোরণ, আহত ৩

সিটি নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে নির্দেশ: ইসি

আরপিওতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে না: ইসি সচিব

তিন সিটির নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ: সিইসি

একটি দিনের জন্য ক্ষমতা ছাড়ুন না: মির্জা ফখরুল

অক্টোবরেই জাতীয় নির্বাচনের তফসিল

যেভাবে জানা যাবে এইচএসসির ফল

দেশে গণতন্ত্রের জন্য আ’লীগের আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে

শতভাগ পাস ৪০০ প্রতিষ্ঠানে, ফেল ৫৫টিতে

খালেদার সুচিকিৎসা-মুক্তির দাবিতে কাল বিক্ষোভ-সমাবেশ