নির্বাচন

ksrm

মঙ্গলবার, ১৫ মে, ২০১৮ (১৯:০৩)

কেসিসি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ

কেসিসি নির্বাচন

খুলনা সিটি করপোরেশন- কেসিসি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলে। শুরু হয়েছে ভোট গণনা।

এরপর পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রওয়ারি ফলাফল ঘোষণা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

ভোট গণনা শেষে জানা যাবে কে হচ্ছেন খুলনার পরবর্তী নগরপিতা।

এ নির্বাচনে দুটি ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোট নেয়া হয়েছে।

ওই দু'টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা হয়েছে।

পিটিআই জসিম উদ্দিন হোস্টেলের নীচতলা ইভিএম কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক ৫০৫ এবং বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৫১১ ভোট। অপর ২৪ নং ওয়ার্ডের সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক ২৭২ এবং বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ১৯৯ ভোট। দুটি কেন্দ্রের মোট ফলাফলে তালুকদার আবদুল খালেক পেয়েছেন ৭৭৭ ভোট এবং নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৭১০ ভোট।

খুলনার নির্বাচনে মেয়র পদে এবার পাঁচজন প্রার্থী।

আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক নৌকা এবং বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুজ্জাম্মিল হক হাতপাখা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মিজানুর রহমান বাবু (কাস্তে) এবং জাতীয় পার্টির এস এম শফিকুর রহমান (লাঙ্গল) মেয়র পদে লড়ছেন।

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ১৪৮ জন এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৫ জন নারী কাউন্সিলর পদে লড়ছেন। এবারের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। ভোট হবে ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রে। দুটি ওয়ার্ডের দুটি ভোটকেন্দ্রে ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। সেখানে মেয়র প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক এবং সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীকে বোতাম চেপে ইভিএমে ভোট দেবেন ভোটাররা।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেছিলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করার জন্য তাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে।

প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল ২৪ জন পুলিশ ও আনসার। সাধারণ কেন্দ্রগুলোর প্রতিটিতে ছিল ২২ জন করে। এর বাইরে পুলিশের ১১টি স্ট্রাইকিং দল (প্রতিটিতে ১০ জন করে), ৭০টি ভ্রাম্যমাণ দল (প্রতিটি ৭ জন করে), ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যা বের ৩২টি ভ্রাম্যমাণ দল, ৩১ জন নির্বাহী হাকিম এবং ১০ জন বিচারিক হাকিম দায়িত্ব পালন করেন।

নির্বাচন কমিশন বলছে, খুলনায় মোট ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৩৪টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ। আর ৫৫টি সাধারণ বা ঝুঁকিমুক্ত কেন্দ্র আছে।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

কোনো ব্যক্তি-দলের স্বার্থে ইসি কাজ করবে না: সিইসি

নভেম্বরে তফসিল ঘোষণা

মতবিরোধ থাকলেও নির্বাচন পরিচালনায় ব্যত্যয় ঘটবে না: সিইসি

আবারো ওয়াক আউট করলেন মাহবুব তালুকদার

নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ চাইছে কমনওয়েলথ

পরপর নির্বাচনে অংশ না নিলে নিবন্ধন ঝুঁকিতে থাকে দল

আইনগত ভিত্তি পেলে নির্বাচনে ইভিএম: সিইসি

ভুটানে সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ

খাসোগি হত্যা: সৌদির ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করবেন ট্রাম্প

মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর ৫ জেনারেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অস্ট্রেলিয়ার

আদালতে ব্যারিস্টার মঈনুল

নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভার আকার কেমন হবে, সিদ্ধান্ত শুক্রবার: কাদের