অর্থনীতি

ksrm

বৃহস্পতিবার, ০৭ জুন, ২০১৮ (১৭:২২)

৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট উত্থাপন

আবুল মাল আবদুল মুহিত

জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন তিনি।

বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে ঘাটতি থাকছে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

বাজেটে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে যথাক্রমে ৭ দশমিক ৮ ও ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

সার্বিক লক্ষ্যার্জনে এ বাজেটে করের চাপ সহনীয়ই রাখতে চান অর্থমন্ত্রী।

শুরু হলো ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন। এটি দেশের ৪৭তম ও আওয়ামী লীগ সরকারের ১৮তম এবং অর্থমন্ত্রীর দ্বাদশ বাজেট প্রস্তাব।

বেলা সাড়ে ১২টায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী। দেশের ৪৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এটি। ব্যক্তিগতভাবে অর্থমন্ত্রীর ১২তম বাজেট। এর মধ্য দিয়ে টানা দশ বার বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী।

'সমৃদ্ধ আগমীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ' এ শিরোনামেই ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন তিনি।

আগামী অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ কোটি টাকার বাজেট দেয়ার ইচ্ছা ছিল অর্থমন্ত্রীর।

তবে নির্বাচনের বছরে করের চাপ বাড়িয়ে ভোটারদের রুষ্ট করতে চান না তিনি। শেষ পর্যন্ত তাই ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা হচ্ছে।

বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। সে হিসেবে ঘাটতি থাকছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা।

রাজস্ব আদায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরকে লক্ষ্য দেয়া হয়েছে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত কর ব্যবস্থা থেকে লক্ষ্য ৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা।

এছাড়াও টোল, সরকারি হাসপাতালের ফি সহ অন্যান্য উৎস থেকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা।

১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে নিট ঋণের লক্ষ্য নির্ধারন করা হয়েছে, ৫০ হাজার ১৬ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীন উৎস থেকে ব্যাংক ঋণের প্রাক্কলন ৪২ হাজার ২৯ কোটি, সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে আসবে বাকি ৭ হাজার কোটি টাকা।

ব্যয়ের ক্ষেত্রে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এডিপিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন-ভাতাসহ সরকারের পরিচালন বাবদ ব্যয় ধরা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা।

এর বাইরে রাষ্ট্রীয় ব্যাংক, সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও সায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের দেয়া ঋণ পরিশোধে ব্যয় হবে ৩০ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা।

সার্বিকভাবে আগামী অর্থবছরে দেশের অর্থনীতির আকার ৭ দশমিক ৮ শতাংশ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার হার ৫ দশমিক ৬ শতাংশে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

বৈশ্বিক সূচকে অবস্থানের অবনমন ঘটেছে বাংলাদেশের

খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসলে সমৃদ্ধি থমকে যাবে: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের অর্থনীতি ৭.১% হারে বাড়বে: আইএমএফ

গ্যাসের দাম বাড়ছে শিল্প-কারখানা ও যানবাহনে

জিডিপি হবে ৭.৫% পূর্বাভাস দিল এডিবি

৫% সুদে ঋণ সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ধর্মঘটে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, ২ নাইজেরিয়ান আটক

ইভিএম প্রকল্প অনুমোদন একনেকে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে মইনুলকে

আশ্রয়প্রার্থীকে নাগরিকত্ব দেয়ার সিদ্বান্ত আসাম মন্ত্রিপরিষদের

বিদ্যমান আইনে জামাতকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা সম্ভব না

নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কথাই শেষ কথা