একনজরে যেভাবে দেখা যাবে নায়করাজ রাজ্জাকে

মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০১৭ (১৮:১২)
একনজরে-যেভাবে-দেখা-যাবে-নায়করাজ-রাজ্জাকে

নায়করাজ রাজ্জাক

দেশের চলচ্চিত্র শিল্প যাদের হাত ধরে দাঁড়িয়েছে তাদেরই একজন নায়করাজ রাজ্জাক। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বেশ দাপটের সঙ্গেই সেরা নায়ক হয়ে অভিনয় করেছেন। পেয়েছেন নায়করাজের খেতাব। একাধিক সম্মাননার পাশাপাশি অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তার অভিনিত সিনেমার সংখ্যা ৩০০টিরও বেশি। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কিছু উর্দু সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। পরিচালনা করেছেন প্রায় ১৬টি চলচ্চিত্র।

চোখের জলে আর ভালবাসায় সিক্ত হয়ে শেষ বিদায় নিলেন নায়করাজ রাজ্জাক। তাঁর মৃত্যু দেশের চল্লচ্চিত্র অঙ্গনের এক অপূরণীয় ক্ষতি উল্লেখ করে, শোক প্রকাশ করেছেন সহশিল্পীরা। ভক্ত-দর্শকরা বলেছেন, ঢাকাই চলচ্চিত্রে এমন রোম্যান্স হিরো আর আসবে না।

সকালে দীর্ঘদিনের কর্মস্থল এফডিসিতে আনা হয় কিংবদন্তী চলচ্চিত্র অভিনেতা রাজ্জাকের মরদেহ সেখানে প্রথম নামাজে জানাজা শেষে দুপুর ১২টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানান শিল্পী, সংস্কৃতি কর্মী ,ভক্ত, অনুরাগীসহ সর্বস্তরের মানুষ। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে তার মরদেহ নেয়া হয় গুলশান আজাদ মসজিদে। বনানী কবরস্থানে দাফন হবে দাফন।

নাম: আবদুর রাজ্জাক।

উপাধি: নায়করাজ (উপাধি দিয়েছিলেন চিত্রালী সম্পাদক আহমদ জামান চৌধুরী)।

জন্ম: ২৩ জানুয়ারি, ১৯৪২

জন্মস্থান: নাকতলা, দক্ষিণ কলকাতা, ভারত

জাতীয়তা: বাংলাদেশি

বাবা: আকবর হোসেন

মা: নিসারুননেছা

স্ত্রী: খাইরুন্নেছা (ভালোবেসে লক্ষ্মী বলে ডাকতেন)

সন্তান: বাপ্পারাজ (রেজাউল করিম), নাসরিন পাশা শম্পা, রওশন হোসেন বাপ্পি, আফরিন আলম ময়না, খালিদ হোসেইন সম্রাট

পেশা: অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক

অভিনয়ের শুরু: কলকাতার খানপুর হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াকালীন স্বরসতী পূজায় মঞ্চ নাটকে। গেম টিচার রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাঁকে বেছে নিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় চরিত্রে। প্রথম অভিনীত নাটক ‘বিদ্রোহী’

সিনেমায় প্রবেশ: কলেজজীবনে ‘রতন লাল বাঙালি’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে। এ ছাড়া কলকাতায় ‘পঙ্কতিলক’ ও ‘শিলালিপি’ নামে আরও দুটি সিনেমায় অভিনয় করেন

বাংলাদেশে আগমন: ১৯৬৪ সালে কলকাতায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার কারণে পরিবার নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন

ঢালিউডে নায়ক হিসেবে প্রথম চলচ্চিত্র: জহির রায়হানের বেহুলা

প্রথম নায়িকা: সুচন্দা

জুটি: কবরী

নায়ক হিসেবে শেষ ছবি: ১৯৯০ সাল পর্যন্ত নায়ক হিসেবে অভিনয় করেছেন। শেষ ছবি মালামতি। নায়িকা ছিলেন নূতন

নায়ক চরিত্রের বাইরে অভিনয়: ১৯৯৫ সাল থেকে

উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র: এতটুকু আশা, নীল আকাশের নিচে, জীবন থেকে নেয়া, নাচের পুতুল, পিচঢালা পথ, আবির্ভাব, দ্বীপ নেভে নাই, টাকা আনা পাই, রংবাজ, আলোর মিছিল, অশিক্ষিত, ছুটির ঘণ্টা, চন্দ্রনাথ, শুভদা, রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত

প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র: অনন্ত প্রেম (১৯৭৭), নায়িকা চরিত্রে ছিলেন ববিতা

সর্বশেষ পরিচালিত চরিত্র: আয়না কাহিনি (২০১৪)

সর্বশেষ চলচ্চিত্র: কার্তুজ (২০১৪)

ছবির সংখ্যা: বাংলা ও উর্দু মিলিয়ে প্রায় তিন শতাধিক

পুরস্কার: পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (সেরা অভিনেতা), মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৪ (আজীবন সম্মাননা), বাচসাস পুরস্কার ২০০৯ (আজীবন সম্মাননা)

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

'মিস ওয়ার্ল্ড' থেকে বাদ পড়লেন জেসিয়া

তালা দেয়ার কথা অস্বীকার করলেন অপু

ছেলে জয়কে রেখে কলকাতায় অপু, শাকিবের মনে সংশয়

লাইফ সাপোর্টে বারী সিদ্দিকী

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শুরু হলো ‘ঢাকা লিট ফেস্ট’

শুভেচ্ছাদূত হলেন অপু বিশ্বাস