অপরাধ

মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট, ২০১৮ (১৩:০৯)

প্রকৃত অপরাধীদের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রাখতে বিএনপি-জামাত তদন্তে প্রভাবিত করে

একুশে আগস্ট: বিএনপি-জামাতের মদদেই গ্রেনেড হামলা

এ বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচারের রায় হতে পারে বলে আশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ।

এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে উল্লেখ করে আসামিপক্ষ সময়ক্ষেপণ না করলে স্পর্শকাতর এই মামলাটি দ্রুতই শেষ হয়ে যেত বলে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, প্রকৃত অপরাধীদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে রাখতে বিএনপি-জামাত আমলে তদন্ত প্রভাবিত করাসহ বিভিন্ন নাটক তৈরি করা হয়েছিল।

২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার পরদিনই ২২ আগস্ট রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করে সে সময় বিএনপি-জামাত জোট সরকার বোঝাতে চেয়েছিলো এ ঘটনার তদন্ত ও বিচারে তৎপর। মামলাটির তদন্ত শুরুতেই চলে যায় ভিন্নখাতে। ধুয়ে মুছে চেষ্টা করা হয় সব আলমত নষ্টের।

জানা যায় না কারা হামলাকারী, তাদের সামনে-পেছনের কাউকেই। অবতারনা ঘটে 'জজ মিয়া' নাটকের।

এমনই পরিপ্রেক্ষিত থেকেই ২১ আগস্টের হামলার দুটি মামলার তদন্ত হয় তিন দফায়। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে শুরু হয় ২য় পর্যায়ের তদন্ত। ২০০৮ সালের ১১ জুন জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। একটি হত্যা এবং অপরটি বিস্ফোরক আইনে। কিন্তু ওই তদন্তেও আর্জেস গ্রেনেডের উৎস ও হামলার পরিকল্পনায় থাকা হোতাদের বিষয়ে কিছু উদঘাটন না হওয়ায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আমলে তৃতীয় দফা তদন্ত হয়।

গত ২০১১ সালের ৩ জুলাই তদন্ত শেষে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জামাত নেতা আলি আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং মামলাটিরই সাবেক তিন তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৩০ জনকে নতুন করে অভিযুক্ত করে দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করে সিআইডি।

এভাবে অভিযোগ গঠন চূড়ান্ত করতেই লেগে যায় আট বছর। মামলায় মোট আসামি ৫২জনের মধ্যে যুদ্ধাপরাধী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি হয়েছে। অন্যতম আসামি মুফতি হান্নানেরও ফাঁসি কার্যকর হয়েছে, সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলার মামলায়। আর আব্দুস সালাম পিন্টু জেলখানায় মারা গেছেন।

এছাড়া লুৎফুজ্জামান বাবর, ডিজিএফআইয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, এনএসআইয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিমসহ ২৩ জন কারাগারে রয়েছেন।

আর জামিনে আছেন ৮ জন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক আইজিপি আশরাফুল হুদা, শহিদুল হক, সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার খোদাবক্স চৌধুরী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বোনের ছেলে সাইফুল ইসলাম ডিউক।

অন্যদিকে এখনো পলাতক ১৮ জন আসামি। এর মধ্যে তারেক রহমান যেমন আছেন তেমনি এ তালিকায় খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপির সাবেক সাংসদ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, জঙ্গি মওলানা তাজউদ্দীনের নামও রয়েছে।

এরই মধ্যে মামলার ৫১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২৫ জনের জেরা শেষ হয়েছে। লুৎফরজামান বাবরের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলেই এই মামলার বিচার কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি।

আর আগামী মাসেই এই মামলার রায় হতে পারে বলে আশা করছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

নয়াপল্টনে সংঘর্ষ-অগ্নিসংযোগে তিন মামলা, গ্রেপ্তার ৫০

ব‌রিশা‌লে চেয়ারম্যান হত্যার আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

আশুলিয়ায়-রংপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ, নিহত ২

খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা হচ্ছে না, এটা অমানবিক: মির্জা ফখরুল

আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে এক নারীকে হত্যা

দিনাজপুরে ৩ 'জেএমবি সদস্য' অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

রাজবাড়িতে পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ১

৩০ ডিসেম্বরই নির্বাচন: ইসি সচিব

অগ্নিসংযোগ-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান শেখ হাসিনার

ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বেন ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীরা

সমৃদ্ধশালী দেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: শেখ হাসিনা