অপরাধ

ksrm

সোমবার, ২৮ মে, ২০১৮ (১২:৩২)

‘বন্দুকযুদ্ধে’ নয় জেলায় ১২ জন নিহত

চলছে বন্দুকযুদ্ধের মহড়া

সারাদেশে মাদক বিরোধী অভিযানে সোমবারও ঢাকাসহ নয় জেলায় ১২ জন নিহত হয়েছেন।

কুমিল্লা, নাটোর, চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, ঢাকা, পাবনা ও ঝিনাইদহে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন তারা। এ পর্যন্ত সারাদেশে বন্দুকযুদ্ধে ৯১ জন নিহত হয়েছেন।

কুমিল্লার দেবিদ্বার ও সদর দক্ষিণ উপজেলায় পুলিশের সাথে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে ২ মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কুমিল্লার দেবিদ্বারে ভিংলাবাড়ি বেরিবাঁধে মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে এনামুল হক দোলন নামে এক মাদক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে ১০ কেজি গাঁজা, ১০০ পিস ইয়াবা, একটি পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মাদক ব্যবসায়ী এনামুল হক দোলনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১২টি মাদকের মামলা রয়েছে। সে দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলাবাড়ী এলাকার মৃত আবদুল্লাহ ভুইয়া ওরফে বাবুল মিয়ার ছেলে। এসময় বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের এসআই যুবরাজ বিশ্বাস আহত হয়।

এদিকে, সদর দক্ষিণেরর গলিয়ারায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নুরু মিয়া নামে আরেক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৩টি মাদক মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৪০ কেজি গাঁজা, পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নুরু মিয়া সদর দক্ষিণ উপজেলার কালিকাপুর এলাকার মৃত আবদুল ওহাবের ছেলে। মরদেহ পুলিশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

নাটোর:

নাটোরের সিংড়ায় র্যা বের সাথে বন্দুকযুদ্ধে আব্দুল খালেক নামে এক মাদক ব্যাবসায়ী নিহত হয়েছেন।

এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে একটি পিস্তল, কয়েক রাউন্ড গুলি ও বেশ কিছু মাদক দ্রব্য।

রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার ভাগনাগরকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল খালেক সিংড়ার বড় চৌগ্রামের আজাহার আলীর ছেলে।

র্যা ব-৫ এর সিপিসি -২ কোম্পানি কমান্ডার মেজর শিবলী মোস্তফা জানান, র্যা বের একটি টহল দল নাটোর-আত্রাই আঞ্চলিক সড়কে টহল দিয়ে নাটোরে ফিরছিল। পথে সিংড়া উপজেলার ভাগনাগরকান্দি গ্রামে মাদক ব্যাবসায়ীদের একটি চক্র মাদক লেনদেন করছে— এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভাগনাগরকান্দি গ্রামে অভিযান চালায় র্যা বের একটি দল।

এ সময় ওই গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালালে সেখানে উপস্থিত কিছু মাদক ব্যাবসায়ী র্যা বের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের ওপর গুলি বর্ষণ শুরু করে। এ সময় র্যা বও পাল্টা গুলি ছুড়লে আব্দুল খালেক নামে এক মাদক ব্যাবসায়ী আহত হন অন্যরা পলিয়ে যায়।

মাদক ব্যাবসায়ীদের ছোড়া গুলিতে দুইজন র্যা ব সদস্য আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল খালেককে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুই র্যা ব সদস্যকে সেখানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

চাঁদপুর:

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে আবু সাঈদ বাদশা ওরফে লাল বাদশা নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

এ সময় পুলিশ ১১১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১টি একনলা বন্দুক, ৪ রাউন্ড গুলি ও ১টি ককটেল উদ্ধার করেছে।

লাল বাদশা ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আবদুর রশিদ ছৈয়ালের ছেলে। মাদক ব্যবসায়ী লাল বাদশার বিরুদ্ধে ১০টি মাদক মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, পুলিশের একটি দল অভিযানে বের হয়ে ফরিদগঞ্জের গুপ্টি ব্রিজ এলাকায় গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের ওপর হামলা ও গুলি চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয় আবু সাঈদ বাদশা। আহত অবস্থায় তাকে ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

মুন্সীগঞ্জ:

মুন্সীগঞ্জের মীরকাদিম পৌরসভায় মাদক ব্যবসায়ী সুমন বিশ্বাস(৩৬) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে পৌরসভার নয়াদীঘিরপাথর এলাকার মুড়মা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন ওই এলাকার বাবুল বিশ্বাসের ছেলে।

মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার মোহাম্মদ আবজারুল বাসার জানান, সুমনকে রাত আড়াইটার দিকে পুলিশ মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে তার কয়টি গুলি লেগেছে তা ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব না। মৃত ব্যাক্তিকে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি তদন্ত গাজী সালাউদ্দিন জানান, মীরকাদিম পৌরসভার মুড়মা এলাকায় দুই গ্রুপ মাদক ব্যবসায়ীদের মাঝে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এই সময় প্রতিপক্ষের গুলিতে সুমন বিশ্বাস ওরফে (কানা সুমন) নিহত হন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সুমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

তিনি আরো জানান, নিহত সুমন মাদকসহ ২০ থেকে ২৫ টি বিভিন্ন মামলার আসামি। তার কাছ থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র (ছুড়ি) ও বিপুল পরিমাণে ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কি পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে তা এখনো গণনা করা হয়নি।

সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরার বাঁকালে অজ্ঞাত পরিচয় দুই ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি তারা মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে নিহত হয়েছেন তারা।

সাতক্ষীরা ভোমরা সড়কের বাঁকালের আগুনপুর গ্রামে রাস্তার পাশে দুইজনের মরদেহ পড়ে ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সদর থানার উপপরিদর্শক প্রবীর কুমার দাস জানান, সোমবার ভোরে খবর আসে যে আলীপুর ইউনিয়নের আগুনপুর গ্রামের বাঁকালের সবুরের ঘেরের পাশে দুই জনের মরদেহ পড়ে রয়েছে। তিনি দ্রুততার সাথে সেখানে পুলিশের কয়েক সদস্যকে নিয়ে পৌঁছে যান।

তিনি বলেন, মরদেহে একটি করে গুলির চিহ্ন রয়েছে। তাদের পরনে ছিল লুঙ্গি ও গেঞ্জি। মাত্র ১০ গজের ব্যবধানে পড়ে থাকা দুইজনেরর পরিচয় জানাতে পারেনি কেউ।

তিনি বলেন পাশেই পাওয়া গেছে একটি ওয়ান শুটার গান ও ১০৫ বোতল ফেনসিডিল। এ ছাড়া মদের খালি বোতলও পাওয়া গেছে।

উপপরিদর্শক প্রবীর বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে যে তারা মাদকের ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। নিজেদের মধ্যে গোলাগুলির এক পর্যায়ে দুই জন নিহত হন।

পিরোজপুর:

পিরোজপুরে পুলিশের সাথে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। রোববার মধ্যেরাতে পিরোজপুর সদর উপজেলায় অহিদুজ্জামান অহিদ ও মঠবাড়িয়া উপজেলায় মো. মিজান নিহত হন। এ ঘটনায় পুলিশের মঠবাড়িয়া থানার ওসিসহ (তদন্ত ) মোট ৬ জন পুলিশ আহত হয়।

নিহত অহিদুজ্জামান নেছারাবাদ উপজেলার দক্ষিণ কৌড়িখারা সোহাগদল গ্রামের মৃত. আব্দুর রহমান খানের ছেলে।

মো. মিজানের বাড়ি মঠবাড়িয়ার দাউদখালী ইউনিয়নে। অহিদের বিরুদ্ধে ৮টি মাদক এবং একটি মামলায় ৭ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এবং মিজানের বিরুদ্ধেও একাধিক মাদকসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে।

পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিএম আবুল কালাম আজাদ জানান, রোববার দুপুরে অহিদুজ্জামান অহিদকে পিরোজপুরের কৃষ্ণনগর এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। এরপরে রাতে তাকে নিয়ে মাদক উদ্ধারের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল কলাখালী ইউনিয়নের কৌবত্তখালী গ্রামে মাদক উদ্ধারের জন্য অভিযানে যায়। সেখানে রাত আনুমানিক পোনে ১টার দিকে অহিদকে তার সহযোগীরা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার জন্য পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

ঘটনাস্থল থেকে ১টি পাইপগান, ২ টি দা, ৫ রাউন্ড বন্দুকের কার্তুজ ও ১৭৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

এছাড়া মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. গোলাম ছরোয়ার জানান, মঠবাড়িয়া উপজেলার বড় মাছুয়া ইউনিয়নে মো. মিজান নামে একজন মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। নিহত মিজানের বাড়ি উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নে। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানার ওসি (তদন্ত) মাজাহারুল ইসলামসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে দেড় কেজি গাঁজা, ৬০ পিস ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

ঢাকা:

রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হন।

স্থানীয়রা জানান, তিনি রূপনগরের চলন্তিকা বস্তির ‘শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী’ নজরুল ইসলাম নজু।

ডিএমপির ডিবির উপ কমিশনার মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, রূপনগর সরকারি কর্মচারীদের জন্য নির্মাণাধীন ভবনে মাদক ব্যবসায়ীদের অবস্থানের খবর পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল রাত ৩টার দিকে সেখানে যায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হন।

গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে পুলিশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে দুই রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল ও পাঁচ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের কথা জানিয়ছে পুলিশ।

পাবনা:

বেড়া উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইজ্জত আলী প্রামানিক (২৮) নামে একজন মারা গেছেন। তিনি উপজেলার হাটুরিয়া পূর্বপাড়ার মৃত আজাহার আলী প্রামাণিকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও অপহরণের অভিযোগে ১৪টি মামলা রয়েছে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, রাত দেড়টার দিকে বেড়া থানা পুলিশের একটি দল টহল দেয়ার সময় পৌর এলাকার তেঘরী মহল্লার একটি বাগানের সামনের রাস্তায় একদল ডাকাত দেখতে পায়।

তারা রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে গাড়ি থামানোর চেষ্টা করছিল। পুলিশ সদস্যরা গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথে পুলিশকে লক্ষ্য করে তারা গুলি ছোড়ে ও ককটেল ফাটায়। তখন পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

‘বন্দুকযুদ্ধের’ এক পর্যায়ে ডাকাত দল পিছু হটলে ঘটনাস্থলে ইজ্জত আলীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

গৌতম বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনায় এসআই সুব্রত কুমার বিশ্বাসসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় একটি দেশি শাটারগান, ৪ রাউন্ড গুলিসহ বেশ কিছু মাদকদ্রব্য।

ঝিনাইদহ:

ঝিনাইদহে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে গোলাগুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

রোববার রাত দেড়টার দিকে সদর উপজেলার জাড়গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি জানান, রাত দেড়টার দিকে জাড়গ্রামে গোলাগুলির শব্দ শুনে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেখানে একজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। তার পাশ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি, কেজি খানেক গাঁজা, ২০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, টাকা ভাগাভাগি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় একজন মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান শুরুর পর ঝিনাইদহে এ নিয়ে মোট চার জন নিহত হয়েছেন।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

পলাতক আসামি নূর মোহাম্মদ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

ফেইসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে কফিশপ মালিক গ্রেপ্তার

দেশব্যাপী জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার একযুগ

কয়লা কেলেঙ্কারি: ২ কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

ফেইসবুকে মিথ্যা তথ্য অপপ্রচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

কয়লা কেলেঙ্কারি: দুই এমডিসহ খনির ৪ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ

রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত পাঠাতে ইতিবাচক ট্রাম্প প্রশাসন

মাগুরা-চট্টগ্রামে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২

কফি আনান আর নেই

সরকার উৎখাতে যতই ষড়যন্ত্র হোক তা মোকাবেলায় প্রস্তুত : ওবায়দুল

আ’লীগ সাধারণ সম্পাদককে ভাষা শেখার আহ্বান নজরুলের

এশিয়ান গেমসের পর্দা উঠছে আজ