আদালত

ksrm

রবিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৮ (১৭:৪৬)

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা: সাজা বাতিল চেয়ে খালেদার আবেদন

খালেদা জিয়া

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়েছে বলে জানান খালেদা জিয়ার আবেদনকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।

আপিল আবেদনের পর খালেদার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ৬৩৮ পৃষ্ঠার মূল রায়সহ প্রায় ৭০০ পৃষ্ঠার এই আপিলের সঙ্গে জামিনের আবেদনও রয়েছে।

এই মামলায় অবৈধ ও অন্যায়ভাবে বিএনপি চেয়ারপারসনকে জেল জরিমানা করা হয়েছে— এর বিরুদ্ধে আপিল করে সাজা বাতিল ও খলাস চাওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের কোনো একটি বেঞ্চে আপিলটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

গত ২৯ অক্টোবর পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত–৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

একই সঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে একই সাজা হয়েছে মামলার অপর তিন আসামিরও।

খালেদা জিয়ার পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন জন হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

গত ৮ ফেব্রুয়ারিতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড হয় খালেদা জিয়ার। পরবর্তীতে আপিলের পর হাইকোর্টে সাজা বেড়ে ১০ বছর করে। এ মামলায় হারিছ চৌধুরী পলাতক রয়েছেন।

অপর দুই আসামি দীর্ঘদিন জামিনে থাকলেও সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে মুন্না ও মনিরুলকেও কারাগারে পাঠানো হয়।

চার জনের বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষণার পাশাপাশি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের টাকায় খালেদা জিয়ার নামে কাকরাইলে কেনা ৪২ কাঠা জমি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে আদালত।

উল্লখ্যে, ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। এ ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুদক।

তদন্ত শেষে ২০১২ সালে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদাসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত।

সবশেষ গত ২০ সেপ্টেম্বরও তিনি আদালতে হাজির না হওয়ায় তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেন বিচারক। একই সঙ্গে খালেদার অনুপস্থিতিতে বিচারিক কার্যক্রম চলবে বলে আদেশ দেন। এর বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে আবেদন করলে ১৪ অক্টোবর সেটি খারিজ হয়ে যায়।

হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন খালেদা জিয়া। পরে ২৯ অক্টোবর তাকে ৭ বছরের দণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

বর্ধমান বিস্ফোরণ: ৩ রোহিঙ্গা ঢাকায় বিস্ফোরক মামলায় দণ্ডিত

‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ কার্যকরে গেজেট প্রকাশে রুল জারি

মধুমতি মডেল টাউন: আগের রায় আপিলেও বহাল

যুক্তরাজ্যে অর্থপাচার মামলায় মামুনের ৭ বছরের কারাদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধ: নেত্রকোণার ২ জনের ফাঁসির রায়

মানবতাবিরোধী অপরাধ: নেত্রকোণার ২ জনের রায় বুধবার

যুক্তরাজ্যে তারেক-জোবাইদার ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ

ফখরুলসহ ৮ নেতার জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নিষ্পত্তি

সর্বশেষ খবর

খালেদার অসুস্থতা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে: রিজভী

ভারতে জঙ্গি হামলা, বিধায়কসহ নিহত ১১

হুয়াওয়ে ‘হংমেং’ নামের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম আনছে

কমলাপুরে টিকিট বিক্রির প্রথম দিনেই উপচেপড়া ভিড়