আদালত

সোমবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৮ (১৪:০৩)

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট: বুধবারের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির আদেশ

খালেদা জিয়া

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিলের নিষ্পত্তির মেয়াদ বাড়াতে করা রিভিউ আবেদন খারিজ করেছে আপিল বিভাগ।

সোমবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছে।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করতে হবে জানিয়েছে আদালত।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

খুরশীদ আলম খান বলেন, সময় বাড়াতে করা রিভিউ আবেদন খারিজ করেছে আপিল বিভাগ। ফলে আগের নির্ধারিত সময় ৩১ অক্টোবরের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করতে হবে।

এর আগে গত ৩০ জুলাই আপিল নিষ্পত্তিতে মেয়াদ ৩১ জুলাই থেকে বর্ধিত করে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত করে।

এই মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে জামিন আবেদনের পর খালেদা জিয়াকে ১২ মার্চ চার মাসের জামিন দেয় হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পর গত ১৬ মে তা বহাল রেখে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিল।

গত ১২ জুলাই থেকে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আপিল শুনানি শুরু হয়।

ইতোমধ্যে গত ২৩ অক্টোবর এ মামলায় আপিল এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড বৃদ্ধি চেয়ে করা আবেদনের ওপর দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষ হয়েছে।

এ মামলায় ছয় আসামির মধ্যে খালেদা জিয়াসহ তিনজন কারাবন্দি। বাকি তিন আসামি পলাতক রয়েছেন। খালেদা জিয়া ছাড়া বাকি দু’জন হলেন-মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।

পলাতক তিন জন হলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।

একইসঙ্গে খালেদার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয় আদালত।

রায় ঘোষণার ১১ দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি তারা এ আবেদন করেন।

২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ এবং অর্থদণ্ড স্থগিত করে নথি তলব করেন। এরপর ৭ মার্চ অপর আসামি মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামালের আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।

পরে ২৮ মার্চ খালেদার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে দুদকের করা আবেদনে রুল দেয় হাইকোর্ট। ১০ মে আরেক আসামি শরফুদ্দিনের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন আদালত। এখন তিন আসামির আপিল ও দুদকের আবেদনের রুল এ আদালতে শুনানি হচ্ছে।

বর্তমানে চিকিৎসার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি রয়েছেন।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

বিচারপতির প্রতি খালেদার আইনজীবীদের অনাস্থা

নির্বাচন করতে পারছেন না টুকু-দুলু

খালেদার নথিপত্র সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হলো

ডিসিদের রিটার্নিং কর্মকর্তা করার বৈধ নিয়ে রুল

নির্বাচন করতে পারছেন না আলী আজগর

খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে হাইকোর্টের বিভক্ত রায়

হিরো আলমের মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ

টুকু-দুলু ফিরে পেল প্রার্থিতা

সর্বশেষ খবর

ড. কামালকে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

আ. লীগের ইশতেহার ঘোষণা ১৮ ডিসেম্বর

বিএনপিকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেয়াই সরকারের উদ্দেশ্য: ফখরুল

সকলের সহযোগিতায় সুষ্ঠু-সুন্দর নির্বাচন সম্ভব: ইসি