আদালত

রবিবার, ০৭ অক্টোবর, ২০১৮ (১৪:১৩)

সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যায় সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড বহাল

খালাফ আল আলী

সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলী হত্যা মামলার আসামি সাইফুল ইসলাম সুপ্রিম কোর্টের দেয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা পুনর্বিবেচনার যে আবেদন খারিজ করেছে আপিল বিভাগ।

রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ এ রায় দিয়েছে।

এ রয়ের ফলে সাইফুলের প্রাণদণ্ডের সাজাই বহাল থাকল। তিন জনের যাবজ্জীবন সাজার আদেশ বহাল রয়েছে।

তবে সংবিধান অনুযায়ী, দণ্ডিত এ আসামি এখন কৃতকর্মের জন্য অনুতাপ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। সেই আবেদনও খারিজ হয়ে গেলে সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে আর কোনো আইনি বাধা থাকবে না।

উল্লেখ, ২০১২ সালের ৫ মার্চ মধ্যরাতে গুলশানে নিজের বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলী (৪৫)। পরদিন ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর পুলিশ গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করে। আর সাড়ে চার মাস পর সাইফুল ইসলামসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের পরিচয় দেওয়া হয় ‘ছিনতাইকারী’ হিসাবে।

তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। সেখানে গ্রেপ্তার চারজনের সঙ্গে সেলিম চৌধুরী নামে পলাতক আরেকজনকে আসামি করা হয়।

খালাফ আল আলী খালাফ আল আলী সাজাপ্রাপ্ত চার আসামি সাজাপ্রাপ্ত চার আসামি ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোতাহার হোসেন ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর এ মামলার রায়ে পাঁচ আসামির সবাইকেই মৃত্যুদণ্ড দেন।

কিন্তু আসামিদের আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি করে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাই কোর্ট বেঞ্চ ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর যে রায় দেয়, তাতে কেবল সাইফুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমতি দেওয়া হয়।

বাকি চার আসামির মধ্যে বিচারিক আদালতে ফাঁসির আদেশ পাওয়া আল আমীন, আকবর আলী ও রফিকুল ইসলামের দণ্ড কমিয়ে দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। পলাতক সেলিম চৌধুরী খালাস পান।

হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, অভিযুক্তরা উদ্দেশ্যমূলকভাবে ডাকাতি করতে ওই ঘটনা ঘটায়। হত্যাকাণ্ডের জন্য তারা সবাই দায়ী।

আল আমিন ও খোকনের স্বীকারোক্তি অনুসারে দেখা যায়, পয়েন্ট ২২ বোরের রিভলবার দিয়ে সাইফুল ফায়ার করে। এতে তিনি আহত হয়ে পরে মারা যান।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খোরশেদুল আলম বলেন, আরেক সেলিমের বিরুদ্ধে তেমন কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকায় আদালত তাকে খালাস দিয়েছে।

হাই কোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বে চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর আপিল খারিজ করে দেয়।

রিভিউ আবেদনের শুনানিতে সাইফুলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আখতার হামিদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানি করেন।

সাইফুলের বাড়ি বাগেরহাট জেলার শরণখোলার মধ্য খোন্তাকাটা গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত আব্দুল মোতালেব হাওলাদার।

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

রাস্তায় বৈদ্যুতিক খুঁটি ৬০ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ

নাইকো দুর্নীতি: অভিযোগ গঠনের শুনানি ফের ২০ ফেব্রুয়ারি

দুধ-দুগ্ধজাত খাদ্য কতটুকু সিসা রয়েছে তা নিরূপণে হাইকোর্টের নির্দেশ

কোচিং বাণিজ্য অবৈধ ঘোষণা: হাইকোর্ট

খালেদা জিয়াসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল ১২ মার্চ

বিএনপির ১৪ শীর্ষ নেতার জামিন বিষয়ে আদেশ ২৪ ফেব্রুয়ারি

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় শুনানি শুরু

আপাতত গ্রেপ্তার হচ্ছেন না কলকাতার পুলিশ কমিশনার

সর্বশেষ খবর

বড় সংকটে প্রায়ই ভুল পদক্ষেপ নেয় ডব্লিউএইচও: শেখ হাসিনা

রোহিঙ্গাদের জন্য ৯২০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা চেয়েছে জাতিসংঘ

ইউরোপা লিগে চেলসির জয়- হারলো আর্সেনাল

আ.লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন নয়: বিএনপি