আদালত

রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ (১৮:৪৬)
খালেদার মামলা

নথি আসার পর জামিনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত

খালেদা জিয়া

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর রোববার দুপুরে শুনানি শেষ হয়েছে।

রোববার দুপুরে এক ঘণ্টার শুনানি শেষে হাইকোর্টের বেঞ্চ জানিয়েছে রায়ের নথি বিচারিক আদালত থেকে আসার পরই বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন আবেদনের বিষয়ে আদেশ দেয়া হবে।

এর আগে বয়স বিবেচনায় খালেদা জিয়ার জামিন চান তার আইনজীবীরা তবে তার শারীরিক অবস্থার কোনো মেডিকেল রিপোর্ট আদালতে দেয়া হয়নি উল্লেখ করে এর বিরোধিতা করেন দুদকের আইনজীবীরা।

আর দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই মামলাটি নিষ্পত্তি হবে বলে আশা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে দুপুরে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিনের বিষয় নিয়ে শুনানি শুরু হয়। কিন্তু আদালতে বিশৃঙ্খলার কারণে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভিড় কমানোর নির্দেশ দিয়ে এজলাস ছাড়েন তারা। এর কিছুক্ষণপর আবার আপিল শুনানি শুরু হয়।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী, দুদক ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যে শেষে এ মামলার রায়ের নথি বিচারিক আদালত থেকে আসার পরই বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন আবেদনের বিষয়ে আদেশ দেয়া হবে বলে জানায় হাইকোর্ট।

এর আগে খালেদা জিয়ার অসুস্থতা, সংক্ষিপ্ত সাজায় জামিন পাওয়ার সুযোগসহ ৩২টি যুক্তি তুলে ধরেন বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবীরা।

আদেশের পর খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন জানান, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আদালতের এই আদেশ মেনে নিয়েছেন তারা।

তবে, সংক্ষিপ্ত সাজায় জামিন পাবেন এটা কোনো যুক্তি হতে পারে না উল্লেখ করে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, খালেদা জিয়া যে অসুস্থ সেটার সপক্ষে কোনো মেডিকেল সার্টিফিকেট আদালতে দেয়নি তার আইনজীবীরা।

রাজনীতিবীদরা দুর্নীতি করলে সাজাভোগ করবেন না এটা হতে পারে না উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অতীতে আরো একজন রাষ্ট্রপ্রধান সাজা ভোগ করে জামিন পাওয়ার উদাহরণ রয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজা নিয়ে রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার এ দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসনের সাজার বিরুদ্ধে করা আপিল গ্রহণের পর নিম্ন আদালতের দেয়া অর্থদণ্ড স্থগিত করে হাইকোর্ট।

পাশাপাশি খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর শুনানির জন্য এদিন দিন ঠিক করে আদালত।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আবেদন গ্রহণ করে।

একই সঙ্গে সাজার বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির জন্য ১৫ দিনের মধ্যে বিচারিক আদালত থেকে মামলা নথি হাইকোর্টে পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আখতারুজ্জামান। এ মামলায় তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছরের জেল ও প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

খালেদা জিয়ার ভোট নিয়ে রিটের শুনানি কাল পর্যন্ত মুলতবি

বিচারপতির প্রতি খালেদার আইনজীবীদের অনাস্থা

নির্বাচন করতে পারছেন না টুকু-দুলু

খালেদার নথিপত্র সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হলো

ডিসিদের রিটার্নিং কর্মকর্তা করার বৈধ নিয়ে রুল

নির্বাচন করতে পারছেন না আলী আজগর

খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে হাইকোর্টের বিভক্ত রায়

হিরো আলমের মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ

সর্বশেষ খবর

মরে গেলেও সংসদ নির্বাচন বর্জন নয়: ড. কামাল

জনগণ কখনো সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে না: শেখ হাসিনা

২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃষ্টি- এরপর শৈত্যপ্রবাহ

১৪টি প্রতিশ্রুতিতে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা