আদালত

ksrm

বুধবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০১৮ (১৮:২৭)

ট্রাস্ট মামলা: প্রধানমন্ত্রীর প্রসঙ্গ নিয়ে আইনজীবীদের হট্টগোল

আদালতে খালেদা জিয়া

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময়— প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ নিয়ে দুই পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বুধবার হট্টগোল হয়েছে। এক পর্যায়ে বিচারক এজলাশ ছেড়ে গেলেও পরে শুনানি আবারো শুরু হয়।

মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়া এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আসামিপক্ষের যুক্তিকর্ত কাল পর্যন্ত মূলতবি করা হয়েছে।

এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরুদ্দিন সরকার নিখোঁজ বলে আজ আদালতকে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

জিয়া ট্রারিবল ট্রাস্ট মামলায়, আসামি ট্রাফিক বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্নার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন দিয়ে দ্বিতীয়দিনের শুনানি শুরু করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। কিছুক্ষণ পরে আদালতে হাজির হন মামলার প্রধান আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

শুনানির এক পর্যায়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে কথা বললে এই মামলায় তার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে দুইপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এসময় বিচারক আদালত ছেড়ে গেলেও কিছুক্ষণ পর আবার আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।

এই মামলায় খালেদা জিয়া বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হবে বলে জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

আর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের সঙ্গে মঙ্গলবার রাত থেকে কোনো যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে আদালতকে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে পৌঁছান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

পরে আদালতে আসামি ট্রাফিক বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্নার পক্ষে দ্বিতীয় দিনের মতো যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন আইনজীবী আমিনুল ইসলাম।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব এবং বিআইডব্লিউটিএ’র সাবেক নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের উপ পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না, ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

গতকাল যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল আদালতকে জানায়, এ মামলায় ৩২ জন সাক্ষীর মাধ্যমে আমি প্রমাণ করতে পেরেছি যে, খালেদা জিয়া ‘প্রধানমন্ত্রীর’ ক্ষমতার অপব্যবহার করে চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অধীনে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

তিনি আরো বলেন, একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি ১৬ কোটি মানুষের সাথে শপথ ভঙ্গ করেছেন। ১৯৪৭ সালের আইনে ৫ এর ২ ধারায় তার সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করছি যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের কেউ দৃষ্টান্ত দেখাতে না পারেন।

উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চার জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ মামলার অভিযোগ গঠন করে।

 

ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel

এছাড়াও রয়েছে

নাটোরে কৃষক হত্যায় পাঁচ জনের ফাঁসি

জামিন পেল ২৫ শিক্ষার্থী

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেত্রী লুনা তিন দিনের রিমান্ডে

লিয়াকত-আমিনুলের রায় যে কোনো দিন

জনতার নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা নতুন করে নেয়ার নির্দেশ

মানহানির মামলায় ৬ মাসের জামিন খালেদার

পটুয়াখালীর পাঁচ রাজাকারের ফাঁসি

শহিদুলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ

হাতের যত্নে যা যা করবেন কোরবানির ইদে

স্মার্টফোনের স্ক্রিন টয়েলেটের চেয়ে বেশি নোংরা!

'মিয়ানমার নাগরিক' শব্দটি বাদ দিতে বলেছে

নাটোরে কৃষক হত্যায় পাঁচ জনের ফাঁসি