রবিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৭ (১৪:৩৫)
মানবতাবিরোধী অপরাধ

আজহারুল-কায়সারের আপিল শুনানি ১০ অক্টোবর

আজহারুল-কায়সারের-আপিল-শুনানি-১০-অক্টোবর

আজহারুল-কায়সারের আপিল শুনানি ১০ অক্টোবর

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামাতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের আপিল শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর দিন করেছে আপিল বিভাগ।

রোববার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চে মামলা দুটির এ দিন ঠিক করে দেয়।

এ বেঞ্চের অপর দুই বিচারক হলেন: বিচারপতি মো. সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর আজহারের পক্ষে জয়নুল আবেদীন এবং কায়সারের এস এম শাজাহান অ্যাডভোকেড অন রেকর্ড হিসেবে ছিলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল দুই মামলায় আলাদা শুনানির আবেদন করেন।

প্রধান বিচাপরতি বলেন, আপনারা অনেক সময় নিয়ে নিয়েছেন লিখিত আর্গুমেন্ট জমা দেবেন, শুনানি হবে।

আদেশে বলা হয়, মামলার পক্ষগুলোকে ২৪ আগস্টের মধ্যে আপিলের সার সংক্ষেপ জমা দিতে হবে আর ১০ অক্টোবর থেকে বিরতিহীনভাবে শুনানি চলবে।

গত বছরের ৮ মার্চ মীর কাসেম আলীর আপিলের রায় ঘোষণা করা হয়।

এ বছরের ১৫ মে জামাত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রিভিউ নিষ্পত্তি করেছে আপিল বিভাগ।

যুদ্ধাপরাধ মামলায় এখন পর্যন্ত সাতটি আপিলের রায় ঘোষণা হয়েছে আপিল বিভাগে।

আজহারএর মামলার বিবরণী:

প্রায় তিন বছর আগে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরধ ট্রাইব্যুনাল-১ একাত্তরে রংপুর জেলা আলবদর বাহিনীর কমান্ডার আজহারকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

প্রসিকিউশনের আনা নয় ধরনের ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের মধ্যে পাঁচটি এবং পরিকল্পনা-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি (উর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) প্রমাণিত হয় তার বিরুদ্ধে।

এরমধ্যে মৃত্যুদণ্ডের রায় আসে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা চালিয়ে কমপক্ষে ১৪০০ লোককে হত্যা এবং ১৪ জনকে খুনের অপরাধে।

এছাড়া ওই অঞ্চলের বহু নারীকে রংপুর টাউন হলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্রে ধর্ষণের জন্য তুলে দেয়ার অভিযোগে এ বদর কমান্ডারকে ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অপহরণ ও আটকে রেখে নির্যাতনের আরেকটি ঘটনায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি খালাস চেয়ে আপিল করে এ জামাত নেতা।

সৈয়দ কায়সার:

মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণের মতো যুদ্ধাপরাধের দায়ে সৈয়দ কায়সারকে ২০১৫ সলের ২৩ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

১৯৭১ সালে দখলদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ‘কায়সার বাহিনী’ গঠন করে ওই দুই জেলায় যুদ্ধাপরাধে নেতৃত্ব দেয় মুসলিম লীগ নেতা। জিয়াউর রহমানের আমলে তিনি হয়ে যান বিএনপির লোক, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সময় জাতীয় পার্টির।

সৈয়দ কায়সারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ১৬টি অভিযোগের মধ্যে ১৪টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়।

ফাঁসি দেয়া হয় ৩, ৫, ৬, ৮, ১০, ১২ ও ১৬ নম্বর অভিযোগে, যার মধ্যে দুই নারীকে ধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে। এ দুই নারী বীরাঙ্গনার মধ্যে একজন এবং তার গর্ভে জন্ম নেয়া এক যুদ্ধশিশু এ মামলায় সাক্ষ্য দেন। ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি আপিল করে সৈয়দ কায়সার।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

আবাসিক-ভিআইপি এলাকায় রাত ১০টার হর্ন বাজানো নিষেধ

জামিন পেলেন আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক

বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধি: আদেশ ২ জানুয়ারি

নাইকো দুর্নীতি: অব্যাহতি চেয়ে ৪ জনের আবেদনের শুনানি শেষ

আরও খবর

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শতাব্দীর বর্বরতম নিধনযজ্ঞ দিন

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

এসপি হলেন ৯৬ কর্মকর্তা

টেলিভিশন- বেতার মুক্ত হয় ১৭ ডিসেম্বর

জলবায়ুর ক্ষতি মোকাবেলায় আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ

গাজীপুরে নিরাপত্তা প্রহরীকে জবাই করে হত্যা

এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী আর নেই

দুবাইয়ে জয় দিয়ে টি-টেন লিগ শুরু তামিম-সাকিবের

রংপুরের নির্বাচন থেকে বিএনপি প্রার্থিকে সরানো চেষ্টা চলছে: রিজভী

উত্তর কোরিয়া পরিস্থিতি নিয়ে পুতিন-ট্রাম্পের ফোনালাপ