রেলের নিয়োগ দুর্নীতি: মৃধার বিরুদ্ধে আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র

বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ (১৯:০০)
রেলের-নিয়োগ-দুর্নীতি-মৃধার-বিরুদ্ধে-আদালতে-সম্পূরক-অভিযোগপত্র

ইউসুফ আলী মৃধা

নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের সাত মামলায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বরখাস্ত হওয়া মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখায় এসব অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

অভিযোগপত্রে ইউসুফ মৃধাকে ৭টি মামলায় আসামি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মো. শাহে নূর ২০১৬ সালের ৩ জানুয়ারি ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে দায়ের করা সাত মামলার নথি অধিকতর তদন্তের জন্য দুদকে ফেরত পাঠান।

দুই বছর আগে এসব মামলায় মৃধাকে অব্যাহতির সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছিল। এরপর চলতি বছরের ৩ ও ৫ জানুয়ারি সাতটি মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্র দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক অনুমোদন দেয়।

মামলাগুলোর মধ্যে তিনটির পুনঃতদন্ত করেন দুদকের রাজশাহী কার্যালয়ের পরিচালক আবদুল আজিজ ভুঁইয়া (চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক) এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-পরিচালক সৈয়দ আহমদ। সয়দ আহমদ করেন চারটির পুনঃতদন্ত।

সৈয়দ আহমদ বলেন, তদন্তে ইউসুফ আলী মৃধার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে তাই সবগুলো মামলাতেই তাকে আসামি করা হয়েছে। দুদকের প্রধান কার্যালয়ে অনুমোদন পাওয়ার পর সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়েছে।

রেলের ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১ হাজার ১১৭জন কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের তথ্য পায় দুদক।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর বলা হয়, ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন পদে ১ হাজার ১১৭ জনকে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ২০১২ সালে মৃধার বিরুদ্ধে বন্দরনগরীর কোতোয়ালি থানায় ১৪টি মামলা করা হয়।

তদন্ত শেষে সাতটি মামলায় ইউসুফ আলী মৃধাকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় দুদক।

পূর্ব রেলের সহকারী লোকোমাস্টার পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে করা একটি মামলায় নিয়োগ পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নকারী তিন শিক্ষককে অভিযোগপত্রে আসামি করা হলে অব্যাহতি চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন তারা।

তার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ২৪ মে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চের দেয়া আদেশে মৃধাকে বাদ দিয়ে ওই মামলাটিতে অভিযোগপত্র ‘যথার্থ হয়নি উল্লেখ করে তাকে অন্তর্ভুক্ত করেই মামলা পরিচালনায় নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দেয়।

এরপর অভিযোগ থেকে মৃধার বাদ পড়া সাত মামলা পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেয় চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা জজ আদালত।

উল্লেখ, ২০১২ সালে দুদক অনুসন্ধান শুরুর পর আত্মগোপনে গিয়েছিলেন মৃধা। এরপর ২০১৪ সালের ৩ মার্চ তিনি চট্টগ্রাম আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠান বিচারক। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগেও মৃধার বিরুদ্ধে আদালতে আলাদা মামলা আছে।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

মামলা দেয়া হয়েছে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে: খালেদা জিয়া

রংপুরে তাণ্ডব: অভিযুক্ত টিটু রায় ৪ দিনের রিমান্ডে

ফরহাদের বিরুদ্ধে মামলার অনুমতি চায় ডিবি

সাবেক বিচারপতি জয়নুলকে দেয়া চিঠির বৈধতা পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি

লেকহেড গ্রামার স্কুল খুলে দেয়ার নির্দেশ

শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলা: সোহেল মাহফুজ ৩ দিনের রিমান্ডে