ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা

খালেদার ২ মামলার শুনানি ১২ জানুয়ারি

বৃহস্পতিবার, ০৫ জানুয়ারী, ২০১৭ (১৮:৪২)
আত্মপক্ষ-সমর্থনে-আদালতে-খালেদা-জিয়া

খালেদা জিয়া

দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের দায়ের করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১২ জানুয়ারি দিন ঠিক করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশেষ জজ আদালতে উপস্থিত হন বিএনপি চেয়ারপারসন। একইদিনে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাতেও হাজিরা দেন তিনি। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের এক সাক্ষীকে আসামিপক্ষ নতুন করে জেরার আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে একই দিন ধার্য করেছে আদালত।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে অসমাপ্ত বক্তব্য দেন বকশিবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে চেয়ারপারসন।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গুলশানের বাড়ি থেকে আদালতের উদ্দেশে রওয়ানা হন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসনের আসার আগেই তার আইনজীবীসহ দলের সিনিয়র নেতারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, খালেদার আদালতে আসাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাগ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। আশপাশের সড়কগুলোতে তল্লাশি করে অনেক গাড়ি প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়।

গত ১ ডিসেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থনের লিখিত বক্তব্যের আংশিক পড়ে শোনান খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থনে বাকি বক্তব্য দিতে সময় ধার্য করা হয়। তবে ধার্য তারিখে আদালতে হাজির না হয়ে আইনজীবীদের মাধ্যমে সময় আবেদন করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

আবেদন মঞ্জুর করে ২২ ডিসেম্বর তাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। ২২ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হলে ৫ জানুয়ারি হাজিরার পরবর্তী দিন দেন বিচারক আবু আহমেদ জমাদার।

গত ১ ডিসেম্বর চ্যারিটেবল মামলার রাষ্ট্রপক্ষের ৩২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য বাতিল করে আবার নেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়। তবে শুনানি শেষে আবেদনটি খারিজ করে দেয়।

এ খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে ৬ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া হাইকোর্টে একটি রিভিশন আবেদনও করা হয়। এখন উচ্চ আদালতে ওই আবেদন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ ৪ জনের নামে তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ।

আর এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ স্ট্রাস্ট মামলাটি করে দুদক।

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

গাইবান্ধার আজিজসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

মুক্তিযোদ্ধার ন্যূনতম বয়সের গেজেট কেন অবৈধ নয়, হাইকোর্টে রিট

গাইবান্ধার আজিজসহ ৬ জনের রায় বুধবার

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য নির্মাণ- জাদুঘর স্থাপন চেয়ে রিট

ক্লিনিক-হাসপাতাল মরদেহ জিম্মি করতে পারবে না: হাইকোর্ট

মৌলভীবাজারের ৫ আসামির রায় যে কোনো দিন